নিজস্ব প্রতিবেদক : ‘গম কেলেঙ্কারির’ জন্য খাদ্যমন্ত্রী কামরুল ইসলামসহ জড়িত সকলের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও তাদের বিচারের দাবি করেছেন ২০ দলীয় জোটের অন্যতম শরিক বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টির (বাংলাদেশ ন্যাপ) মহাসচিব এম গোলাম মোস্তফা ভুইয়া।
তিনি বলেন, ‘গম বাণিজ্যের সঙ্গে জড়িত খাদ্যমন্ত্রীসহ সকলকে বিচারের আওতায় না আনলে প্রমাণিত হবে সরকার নিজেই দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত।’
‘গমগুলো পচা নয়’ বলে খাদ্য মন্ত্রণালয়ের দাবি দেশবাসীর সঙ্গে চরম প্রতারণা বলেও মনে করেন এই ন্যাপ নেতা।
মঙ্গলবার সকালে নয়াপল্টনে যাদু মিয়া মিলনায়তনে দলের ঢাকা মহানগরীর এক সভায় অংশ নিয়ে এ কথা বলেন তিনি।
গোলাম মোস্তফা বলেন, ‘আমদানি করা গম যে পচা, তা দিবালোকের মত স্পষ্ট। আর এই কারণেই পুলিশ-বিজিবি এই গম খেতে রাজি হচ্ছে না। সরকার প্রায় ৪০০ কোটি টাকা ব্যয় করে বিদেশ থেকে দুই লাখ মেট্রিক টন পচা-নষ্ট গম আমদানি করেছে। অন্যদিকে দেশের কৃষকেরা গমের ন্যায্য মূল্য পাচ্ছে না।’
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের জামিন নিয়ে সরকার ‘নগ্ন হস্তক্ষেপ’ করছে দাবি করে তিনি এর তীব্র নিন্দা, প্রতিবাদ জানান।
২০ দলীয় জোটের এই শীর্ষ নেতা বলেন, ‘ধর্মের বিরুদ্ধে কথা দেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষের বিপক্ষে অবস্থান নেওয়ার পরও লতিফ সিদ্দিকীর জামিন হয়। আর কেবল বিরোধী দলের নেতা হবার কারণে সজ্জন, পরিচ্ছন্ন রাজনীতিক মির্জা ফখরুল ইসলামের জামিন হবার পরও মুক্তি হয় না। এ ঘটনা সরকারের ‘অনৈতিক ও কুৎসিত’ চেহারার বহিঃপ্রকাশ ছাড়া অন্য কিছুই নয়।
তিনি গণতন্ত্রের স্বার্থে ঈদের আগেই অবিলম্বে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, শাসসুজ্জামান দুদু, রিজভী আহমেদসহ সকল রাজবন্দির নিঃশর্ত মুক্তির দাবি জানান।নগর আহ্বায়ক সৈয়দ শাহজাহান সাজুর সভাপতিত্বে সভায় বক্তব্য রাখেন ন্যাপ যুগ্ম মহাসচিব স্বপন কুমার সাহা, নগর সদস্য সচিব মো. শহীদুননবী ডাবলু, যুগ্ম আহ্বায়ক মুক্তিযোদ্ধা আনছার রহমান শিকদার, মো. আনোয়ার হোসেন, প্রিন্সিপাল নজরুল ইসলাম, নির্বাহী সদস্য মো. বেল্লাল হোসেন, মো. আকতার হোসেন, তোফাজ্জল হোসেন ভানু, মো. আবুল কালাম সরদার, সোলায়মান সোহেল, জিল্লুর রহমান পলাশ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

