ঢাকাTuesday , 23 June 2015
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

‘ইউক্রেনে সহিংসতায় আমারও দায় আছে

Link Copied!

yanukovichআন্তর্জাতিক ডেস্ক : গত বছরের সূচনালগ্ন থেকে মূলত উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়তে থাকে গোটা ইউক্রেন, বিশেষত কিয়েভে। আর এটাই পরবর্তীতে পরিণতি পায় পূর্বাঞ্চলীয় রক্তক্ষয়ে, ক্রমশ। ২০১৪ সালের কথা। সে বছর ফেব্রুয়ারি মাসে মসনদ ছেড়ে প্রাণ নিয়ে পলায়ন করতে হয় তৎকালীন রাষ্ট্রপ্রধান ভিক্তর ইয়ানুকোভিচকে। রুমপন্থী অবস্থানের কারণে যিনি শেশতক ইউক্রেনীয়দের বিরাগভাজন হয়েছিলেন। ঐ মুহূর্তে অসংখ্য রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ ঘটে দেশটিতে। যার একাংশে দায় নিয়েছেন ভিক্তর, অতিসম্প্রতি।
ব্রিটন বার্তাসংস্থা বিবিসিকে দেয়া এক সাক্ষাতকারে ভিক্তর বলেন, ‘আমি আমার দায় অস্বীকার করছি না।’ কিয়েভের মাইদ’আন চত্বরে সরকারবিরোধী জনমসাবেশে সরাসরি গুলি করে বসে পুলিশ। এতে অসংখ্য বিক্ষোভকারী ঘটনাস্থলেই মারা পড়েন। আর এটাই পরবর্তীতে তাকে উৎখাতে শক্তি যোগায়। ভিক্তর প্রথমবারের মতো জানান, তিনি সরাসরি গুলি করার নির্দেশ দেননি। তবে-
তবে, রক্তক্ষয় যাতে না ঘটে, তেমন সুস্পষ্ট নির্দেশনাও দেননি তিনি। যার দায় তিনি স্বীকার করছেন। তবে, তার একাধিক বক্তব্যে পাওয়া গেছে পরস্পরবিরোধীতার আভাস।
তার মুখ থেকেই শোনা যাক, বিবিসির খবরে যতটুকু ব্যক্ত হয়েছে। ‘আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহারের নির্দেশ আমি দিইনি, ওটা আমার কাজও ছিল না… তবে কিনা, আসলে, আমি এমনকি যে কোনো ধরনের জোরজবরদস্তির বিরুদ্ধে সবসময়, আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহারও তার বাইরে নয়, আমি রক্তপাতের বিরুদ্ধে চিরকাল…’
‘কিন্তু… কিন্তু আইনশৃঙ্খলারক্ষাকারী বাহিনী বিদ্যমানের আইনের অধীনেই অস্ত্রপ্রয়োগ করে তাদের দায়িত্ব পালন করেছে। অস্ত্র ব্যবহারের ক্ষমতা তাদের আছে।’
আবার ক্রিমিয়া ইস্যুতে পরস্পরবিরোধী বক্তব্য রেখেছেন ভিক্তর। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, ক্রিমিয়া রাশিয়ার হাতে চলে যাওয়ার ব্যাপারটা দুঃখজনক। রীতিমতো বিয়োগান্তক ব্যাপার। তিনি এমনটা চাননি। উল্লেখ্য, তিনি পলায়নের সপ্তাহকালের মধ্যে রুশ সেনাদের বিশেষ একটি দল ক্রিমিয়ার ইউক্রেনীয় সেনাঘাঁটি দখল করে। পরবর্তীতে ক্রিমিয়া গণভোটের মাধ্যমে রাশিয়াপন্থা প্রদর্শন করে।
ধীরে দনেৎস্ক দখল করে রুশপন্থীরা এবং ইউক্রেনের পূর্বাঞ্চল পরিণত হয়ে গৃহযুদ্ধের আঁতুড়ঘরে।
ভিক্তর ইয়ানুকোভিচ বারংবার তার তীব্র যুদ্ধবিরোধী অবস্থানের কথা জানান। ‘যা হয়েছে, খুবই খারাপ হয়েছে। আজ আমাদের যা প্রয়োজন, তা হচ্ছে একটি সঠিক পন্থা। এখন যুদ্ধ চলছে। তারা (কিয়েভ) ক্রিমিয়ার ফেরত পাবার কথা বলছে। কী উপায়ে? যুদ্ধ করে? আমাদের কি আরও একটি যুদ্ধের প্রয়োজন আছে?’
ভিক্তরের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগসংক্রান্ত বিষয়টির প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে তিনি অভিযোগটি সরাসরি অস্বীকার করেন।
ভিক্তর ইয়ানুকোভিচ বর্তমানে রাশিয়ার ছত্রছায়া নিরাপদে আছেন। পলায়নের পর কোনো পশ্চিমা গণমাধ্যমের সঙ্গে এটিই ছিল তার প্রথম সাক্ষাতকার। ইতোপূর্বে স্থানীয় গণমাধ্যমে তিনি একাধিক সাক্ষাতকারে অংশগ্রহণ করেছেন।