ঢাকাMonday , 22 June 2015
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

বড় বিপদে আছেন পরিবহনমন্ত্রী

Link Copied!

Obaidul Kaderনিজস্ব প্রতিবেদক : ঈদকে সামনে রেখে পরিবহনগুলোর বিরুদ্ধে বাড়তি ভাড়া আদায়ের অভিযোগ ও রাস্তায় ভিআইপিদের নিয়ম না মানার অভিযোগ আসার শঙ্কায় আছেন সড়ক, পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। মন্ত্রীর অভিযোগ, কেউ কাউকে পরোয়া করে না। প্রশ্ন রেখেছেন, একলা আমি কতো জায়গায় দৌড়াবো?
ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘আমি বড় বিপদে আছি। সামনে ঈদ এখন সব পরিবহনে বাড়তি ভাড়া আদায় করবে আর প্রতিনিয়ত আমার কাছে অভিযোগ আসবে। এমনও দেখা যাবে, বিআরটিসির বিরুদ্ধেও বাড়তি ভাড়া আদায়ের অভিযোগ আসছে। এছড়াও সাধারণরা রাস্তায় আইন মানলেও ভিআইপি অসাধারণরা আইন মানেন না। কেউ কাউকে পরোয়া করে না, সবাই ফ্রি স্টাইল। একলা আমি কতো জায়গায় দৌড়াবো?’
সোমবার জাতীয় প্রেসক্লাবের ভিআইপি লাউঞ্জে ‘সড়ক নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানসমূহের ভূমিকা এবং অংশিদারিত্বমূলক সম্পর্ক প্রতিষ্ঠায় করণীয়’ শীর্ষক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
সড়ক দুর্ঘটনা প্রতিরোধে ‘বিপদে আমরা’ প্রতিপাদ্য নিয়ে কাজ করা স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ট্রমালিংক এ আলোচনা সভার আয়োজন করে।
আমাদের সবকিছুতেই রাজনীতি জড়িত মন্তব্য করে মন্ত্রী বলেন, ‘এই রাজনীতির জন্য আমি রাস্তাগুলোকেও দখলমুক্ত করতে পারছি না। কখনও দখলমুক্ত করা হলে এর এক-দেড় ঘণ্টা পরেই আবার সেই আগের অবস্থা। তাই যে কোনো সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করতে আমাদের কঠিন সিদ্ধান্ত নিয়ে কঠিনভাবেই বাস্তবায়ন করতে হবে।’
ক্ষোভের সঙ্গে মন্ত্রী বলেন, ‘আমরা কাজের চেয়ে বড় বড় কথা বলতেই অভ্যস্থ। আমরা ভাষণে সবল আর অ্যাকশনে দুর্বল। যেকোন উদ্যোগ বাস্তবায়নে সমন্বিত ভাষণ নয়, অ্যাকশন দরকার।’
ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘দেশের সব গাড়িচালকদেরও ফ্রি স্টাইল ভাব। তাই এখানে রাস্তার ৪ লেন কেন, ১৬ লেন করলেও কোনো কাজ হবে না। এজন্য সবার আগে মানসিকতার পরিবর্তন দরকার।’
যানজট এবং সড়ক দুর্ঘটনার বিষয়টি পর্যবেক্ষণে প্রধানমন্ত্রীর মুখ্যসচিবকে প্রধান করে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে নিরাপদ সড়ক চাই-এর চেয়ারম্যান ইলিয়াস কাঞ্চন বলেন, ‘সড়ক দুর্ঘটনা প্রতিরোধে সারা বছরই বিভিন্ন সংগঠনের সভা সমাবেশ হয়। গত ২৩ বছর ধরে আমি কারও না কারও সঙ্গে বসে আলোচনা করছি কিন্তু লাভটা কী?’
তিনি বলেন, ‘এভাবে বিক্ষিপ্তভাবে আলাদা মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে কথা বলে কোনো লাভ হবে না। এ বিষয়টির সঙ্গে একটি নয় সড়ক সেতু, এলজিআরডি, আইন, স্বরাষ্ট্র, শ্রম মন্ত্রণালয়সহ বেশ কয়েকটি মন্ত্রণালয় জড়িত। সব মন্ত্রণালয়ের সমন্বয়ে একটি কমিটি গঠন করে পুরো বিষয়টা পর্যযবেক্ষণ করার জন্য আমি অনেকদিন ধরে বলে আসলেও কোনো লাভ হয়নি।’
তিনি আরো বলেন, ‘সবাই নেতৃত্ব দিলে কেউ মানবে না। তাই নেতৃত্বের দায়িত্বটা সরকারের পক্ষ থেকেই নিতে হবে। বিক্ষিপ্তভাবে কেউ দায়িত্ব নিলে কাজ হবে না, সরকার দায়িত্ব নিলে আমরা সবাই যার যার কাজ করতে পারবো।’
আলোচনা সভায় মূল প্রবন্ধ পাঠ করেন ট্রমালিংকের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ড. জন মুসালেহ। আলোচনায় আরো অংশ নেন- সাংবাদিক এবং কলামিস্ট সৈয়দ আবুল মকসুদ, ট্রমালিংকের সহ-সভাপতি মৃদুল চৌধুরী প্রমুখ।