ঢাকাSunday , 21 June 2015
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

ঈদে নৌপথে থাকবে কড়া নজরদারি

Link Copied!

Shajahanনিজস্ব প্রতিবেদক : ঈদে যাত্রী পরিবহনের ক্ষেত্রে লঞ্চগুলোর ওপর কড়া নজরদারি থাকবে বলে জানিয়েছেন নৌমন্ত্রী শাজাহান খান। তিনি বলেছেন, ‘রোজার ঈদ পড়েছে বর্ষায়। পুরো বর্ষা আমাদের যাত্রীদের পারাপার করতে হবে। নতুন করে দুর্ঘটনা ঘটুক আমরা চাই না।’
রোববার সকালে মতিঝিলস্থ বিআইডব্লিউটিএ ভবনের সম্মেলন কক্ষে বিআইডব্লিইটএ আয়োজিত ঈদ উপলক্ষে লঞ্চ, ফেরি, স্টিমারসহ বিভিন্ন জলযান সুষ্ঠুভাবে চলাচল সংক্রান্ত ঈদ ব্যবস্থাপনা সভায় তিনি এ কথা বলেন।
তবে বিগত বছররগুলোর তুলনায় নৌ-দুর্ঘটনা কমেছে এমন দুটি উদাহণ দিয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘২০০৪ সালে ৩১টি দুর্ঘটনা ঘটেছে, সেখানে ২০১৫ সালে দুর্ঘটনা ঘটেছে ২০টি।’
মন্ত্রী বলেন, ‘নৌ-পথে শৃংখলা ফিরিয়ে আসতে পেরেছি। ফলে নতুন নতুন জাহাজ আসছে। এ পর্যন্ত ৯টি জাহাজ এসেছে। মধুমতি নামের আরেকটি জাহাজ আনা হয়েছে। সেটি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যেকোন দিন উদ্বোধন করবেন।’
পর্যটকদের জন্য সুন্দরবনের ভিতর দিয়ে সপ্তাহে একদিন সুন্দরবন নামের একটি জাহাজ চালানোর সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানান মন্ত্রী।
তিনি বলেন, ‘এবারের ঈদে লঞ্চের ওপর কড়া নজরদারি থাকবে, যাতে অতিরিক্ত যাত্রী তুলতে না পারে। অতিরিক্ত যাত্রীর চাপ থাকলে ফেরি পারাপারের ব্যবস্থা করা হবে।’
প্রসঙ্গত, অতিরিক্ত যাত্রীর কারণে প্রতিবছরই লঞ্চডুবির ঘটনা ঘটছে। গত বছর ৪ আগস্ট ঈদ ফেরত যাত্রায় মাদারীপুরের কাওড়াকান্দি থেকে মাওয়া ঘাটে আসার পথে পদ্মায় এমভি পিনাক-৬ নামের একটি লঞ্চ ডুবে যায়, যাতে প্রাণহানি ও নিখোঁজের মোট সংখ্যা ছিল শতাধিক। বেপরোয়া চলাচলসহ অতিরিক্ত যাত্রী বহনকে ওই দুর্ঘটনার কারণ বলে দায়ী করা হয়।
পিনাক-৬ ডুবির প্রসঙ্গ টেনে নৌমন্ত্রী জানান, এরপর ১১টি ছোট লঞ্চ বন্ধসহ বর্ষার মৌসুমে বেশ কয়েকটি ছোট লঞ্চ বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। বর্ষার সময় সব ছোট লঞ্চের চলাচল বন্ধ করে দেয়া হবে বলেও জানান তিনি।
এ সময় নৌ-সচিব শফিক আলম মেহেদী, বিআইডব্লিইউটিএ চেয়ারম্যান কমডোর ম মোজাম্মল হক, বিআইডব্লিউটিসি’র চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব, পুলিশ সদর দপ্তরের উর্দ্ধতন পুলিশ কর্মকর্তা, সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব, বিআরটিএ, সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর, বিজিএমই, লঞ্চ মালিক সমিতি, নৌ-পুলিশের প্রতিনিধি, বিভিন্ন জেলাপ্রশাসক, পুলিশ সুপারসহ সংশ্লিস্ট বিভাগের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।