নিজস্ব প্রতিবেদক : আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার গণসংবর্ধনা অনুষ্ঠান শুরু হয়েছে। শুক্রবার বিকেল সোয়া ৪টার দিকে পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াতের মধ্যে দিয়ে এ অনুষ্ঠান শুরু হয়েছে।
বিকেল ৪টা ১৩ মিনিটে মঞ্চে ওঠেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ভারতের রাজ্যসভা ও লোকসভায় বাংলাদেশ-ভারত সীমান্ত বিল পাস হয়ে যাওয়াসহ জাতীয় জীবনে অসামান্য অবদানের জন্য এই মঞ্চেই প্রধানমন্ত্রীকে সংবর্ধনা দেবে জাতীয় নাগরিক কমিটি।
সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে এই মঞ্চ পরিদর্শনে এসে গতকাল আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ও স্বাস্থ্যমন্ত্রী মো. নাসিম বলেছিলেন, ‘শেখ হাসিনা গণতন্ত্রকে মুক্ত করেছেন। আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করেছেন। জঙ্গি দমন করেছেন। তারই নেতৃত্বে সমুদ্র বিজয় হয়েছে। তার দুরদর্শিতার কারণে স্থল সীমান্ত চুক্তি বাস্তবায়ন হয়েছে। দারিদ্র্যের বিরুদ্ধে লড়াই করে তিনি দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন। তার এইসব অর্জনে দেশ-বিদেশে প্রসংশিত হয়েছে। তাই আগামী ২৯ মে ৩৪ বছরের অর্জনের জন্য কৃতজ্ঞ বাঙালী জাতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে গণসংবর্ধনা দেবে।’
এরআগে মঙ্গলবার সোহরাওয়ার্দীতেক এসে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও ত্রাণমন্ত্রী মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া বলেছিলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ৩৪ বছর ধরে শুধু এই দেশকে দিয়েই গেছেন। এবার আমাদের দেবার পালা। আমরা তার এই ঋণ কোনো দিন শোধ করতে পারবো না। তবু আমরা কিছুটা হলেও ঋণ শোধ করতে চাই।’
শুক্রবার বিকেল পৌনে ৫টায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতে নাগরিক সংবর্ধনার স্মারক তুলে দেন আয়োজক সংগঠন জাতীয় নাগরিক কমিটির আহ্বায়ক সৈয়দ শামুসল হক। এরপর অভিনন্দনপত্র পড়ে শোনান এমেরিটাস অধ্যাপক আনিসুজ্জামান।

