ঢাকাThursday , 28 May 2015
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

মোদির সঙ্গে আসছেন মমতাও

Link Copied!

mamata-modiপাঞ্জেরী ডেস্ক : সব জল্পনার অবসান। অবশেষে ভারতরে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সফরসঙ্গী হচ্ছেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
বৃহস্পতিবার দুপুরে কলকাতার বেশ কয়েকটি অনলাইন জানায়, আগামী ৬ জুন ঢাকার পথে নরেন্দ্র মোদি ও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সফরসঙ্গী হচ্ছেন। এই সফরে বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক আরো মজুবত হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
শেখ হাসিনা, নরেন্দ্র মোদি ও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এই তিনজনের উপস্থিতিতে স্থলসীমান্ত চুক্তি পূর্ণ রূপ নেবে। ইতোমধ্যে ভারতের রাজ্যসভা ও লোকসভায় স্থলসীমান্ত চুক্তি পাস হয়েছে।
জানা গেছে, মোদির প্রতি আগের শত্রুভাবাপন্ন মনোভাব থেকে অনেকটাই সরে এসেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাই কলকাতা সফরে এসে মমতাকে ঢাকা সফরের প্রস্তাব দেন মোদি। আর তাতেই ঢাকা সফরে আসতে রাজিও হন মমতা। যদিও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কিছুদিন আগে ঢাকা ঘুরে গেছেন।
এদিকে ২০১১ সালে বাংলাদেশের সফরে এসে স্থলসীমান্ত চুক্তি সই করেছিলেন তৎকালীন ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং। কংগ্রেসের এই নেতা ওই সফরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ঢাকা আসার অনুরোধ জানিয়েছিলেন। কিন্তু শেষ সময়ে এসে বেঁকে বসেছিলেন মমতা। কোনোভাবেই তার মন গলাতে পারেনি কেন্দ্রীয় সরকার। যদিও ওই সফরে এসেছিলেন আসামের মুখ্যমন্ত্রী তরুণ গগৈ।
যদিও মনমোহনের সেই সফরের আগে অন্যতম আলোচিত ইস্যু ছিল তিস্তা চুক্তি। মমতা তখন এর বিরোধিতা করে ঢাকা সফরে না আসায় কংগ্রেস সরকার তিস্তা চুক্তি নিয়ে আর বেশি এগোতে পারেনি। এবারও ইস্যুটি সুরাহা হওয়ার তেমন সম্ভাবনা নেই। কারণ তিস্তা চুক্তির ব্যাপারে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী ইতিবাচক মনোভাব দেখালেও রাজনৈতিকভাবে এটা তার জন্য ভালো হবে না। ২০১৬ সালে পশ্চিমবঙ্গে নির্বাচন। এ সময় তিস্তা চুক্তিই বড় ইস্যু হয়ে দাঁড়াবে।
তবে মোদির এ সফরে তিস্তা চুক্তির চূড়ান্ত সমাধান না হলেও বিষয়টিতে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এছাড়া তিস্তা চুক্তিতে মমতাকে রাজি করাতে কেন্দ্রীয় সরকার সব ধরনের চেষ্টাও চালাচ্ছে। এর মধ্যে রাজ্যের সেচ প্রকল্পের জন্য বিশেষ আর্থিক সুবিধা দেয়া হবে বলেও জানানো হয়েছে।