ঢাকাWednesday , 27 May 2015
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

বাজেটে করমুক্ত আয়সীমা বাড়ছে

Link Copied!

budgetঅর্থনৈতিক প্রতিবেদক : আগামী বাজেটে ব্যক্তি শ্রেণীর করমুক্ত আয়ের সীমা বাড়ছে। বর্তমানে করমুক্ত আয়ের সীমা ২ লাখ ২০ হাজার টাকা। এটা বাড়িয়ে ২ লাখ ৫০ হাজার টাকা করার চিন্তা করছে অর্থ মন্ত্রণালয়। একই সঙ্গে ব্যক্তি পর্যায়ের সর্বনিম্ন আয়করের পরিমাণও বাড়ানো হচ্ছে।
অর্থমন্ত্রী জাতীয় রাজস্ব বোর্ডকে (এনবিআর) এ সংক্রান্ত নির্দেশনা দিয়েছেন বলে অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে।
আগামী সপ্তাহে বাজেট নিয়ে অর্থ মন্ত্রণালয় ও এনবিআরের কর্মকর্তারা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করে বিষয়গুলো চূড়ান্ত করবে।
যদিও সম্প্রতি এক প্রাক বাজেট আলোচনায় ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজ (ডিসিসিআই) ব্যক্তি আয়ের করসীমা ২ লাখ ৭৫ হাজার টাকা পর্যন্ত বাড়ানোর দাবি করেছে।
অর্থনীতিবিদরা বলছেন, ব্যক্তি পর্যায়ে করমুক্ত আয়ের সীমা বৃদ্ধি রাজস্ব আদায়ে খুব বেশি নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে না। সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা অর্থনীতিবিদ মির্জা আজিজুল হক বলেন, ‘যেহেতু বাজেটের আকার বাড়ছে, করের আওতা বাড়ছে, বৈদেশিক মুদ্রার মজুদ বেড়েছে, তাই ব্যক্তি পর্যায়ে এ ছাড় অর্থনীতিতে নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে না।’
অর্থ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, যেহেতু জীবন যাত্রার ব্যয় বেড়েছে। করের নতুন নতুন উৎস্য যুক্ত হচ্ছে। তাই ব্যক্তি পর্যায়ে একটু ছাড় দিতেই এ উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। যাতে বেশি লোকজন কর দিতে উৎসাহিত হয়।
অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে আরও জানা গেছে, ব্যক্তি পর্যায়ের সর্বনিম্ন আয়করের পরিমাণ বাড়িয়ে চার হাজার টাকা পর্যন্ত করা হতে পারে।
বর্তমানে সিটি করপোরেশন এলাকার জন্য এ হার তিন হাজার টাকা, পৌরসভার বাসিন্দাদের জন্য দুই হাজার টাকা এবং অন্য এলাকার জন্য এক হাজার টাকা।
অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত জানিয়েছেন, ২০১৫-১৬ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের আকার হবে ২ লাখ ৯১ হাজার ৬৭০ কোটি টাকা। তিনি এ জানিয়েছেন, আগামী বাজেটে করের আওতা বাড়ানো হচ্ছে, যাতে মোট জনসংখ্যার ৫০ শতাংশ করের আওতায় আসে।
বর্তমানে ট্যাক্স আডেন্টিফিকেশন নম্বর (টিন) ধারী লোকের সংখ্যা ১৮ লাখ। এর মধ্যে ১০ লাখ লোক কর দেয়।