ঢাকাTuesday , 26 May 2015
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

দুধের ঘাটতি পূরণে গুঁড়োদুধ কারখানা

Link Copied!

milk-powderঅর্থনৈতিক প্রতিবেদক : গুঁড়ো দুধ আমদানি বন্ধ,বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয় এবং দুগ্ধখামারিদের স্বার্থ রক্ষা ও দুধের ঘাটতি পূরণ করতে উৎপাদিত দুধের অতিরিক্ত দুধ সংগ্রহ করে বাজারজাত করার লক্ষে ৭৫ কোটি টাকার গুঁড়োদুগ্ধ কারখানা স্থাপন করা হচ্ছে।
‘সিরাজগঞ্জ বাঘাবাড়ি ঘাটে গুঁড়ো দুগ্ধ কারখানা’ নামে একটি প্রকল্প শিগগিরই জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) বৈঠকে অনুমোদনের জন্য পেশ করা হবে বলে উদ্যোগী মন্ত্রণালয় পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয সূত্রে জানা যায়।
প্রকল্পের উদ্দেশ্য সম্পর্কে জানা যায়, প্রকল্পটি সিরাজগঞ্জ জেলার শাহজাদপুর উপজেলার বাঘাবাড়ী এলাকায় স্থাপন করা হবে। এ এলাকায় প্রতিদিন ৫ লাখ ৪৮ হাজার ৪৭১ লিটার দুধ উৎপাদিত হয়। মৌসুমভেদে প্রতিদিন দুই থেকে সাড়ে তিন লাখ লিটার দুধ সংগ্রহ করা হয়। বর্ষাকালে প্রাকৃতিক দুর্যোগ এবং বিভিন্ন সময়ে প্রতিকূল পরিস্থিতির কারণে যোগাযোগ ব্যবস্থার অবনতি ঘটে ফলে দুধ বাজারজাকরণে বিঘ্ন ঘটে। ফলে স্থানীয় বাজারে উৎপাদিত দুধ নামমাত্র মূল্যে বিক্রি করতে হয়। ফলে খামারি ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে পড়ে। তাদের স্বার্থ রক্ষা করতে কারখানা স্থাপনের মাধ্যমে এই উৎপাদিত দুধ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে গুঁড়োদুধ হিসেবে বাজার জাত করা হবে।
এ এলাকার দুগ্ধ খামার কারখানার অতিরিক্ত দুধ ক্রয়ের আগে প্রক্রিয়াজাত করে গুঁড়োদুধ হিসেবে বাজারজাত করা হবে।
প্রকল্পটির যৌক্তিতায় বলা হয়, দেশে দুধের ঘাটতি পূরণের জন্য মূলত এই প্রকল্প নেয়া হয়েছে। এ প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে গুঁড়ো দুধ আমদানি হ্রাস পাবে সেই সঙ্গে আমাদের বৈদেশিক মুদ্রার সাশ্রয় হবে। বিভিন্ন ধরনের দুগ্ধজাত খাদ্য দ্রব্য যেমন ঘি,মাখন উৎপাদনের মাধ্যমে পুষ্টির চাহিদা পূরণ হবে। তৃণমূল পর্যায়ে শিল্পায়নে ক্ষেত্রে ডেইরি এন্টারপ্রেনারশিপ ডেভেলপমেন্ট অ্যাক্টিভিটিসে (Dairy Entrepreneurship Development Activities) উৎসাহিত হবে।
এছাড়া নতুন কারখানা স্থাপনের মাধ্যমে মিল্ক ভিটার কাযক্রম আরা বৃদ্ধি পাবে, নতুন উদ্যোক্ততা সৃষ্টি হবে, কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে, দারিদ্র্য দূর হবে বলে আশা প্রকাশ করা হচ্ছে।
প্রকল্পটি বাস্তবায়নে মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ৭৫ কোটি টাকা এর মধ্যে সরকারি অর্থায়ন ৫৬কোটি ১০লাখ টাকা, মিল্ক ভিটা নিজস্ব তহবিল ১৮৭ কোটি টাকা। জানুয়ারি ২০১৫ থেকে জুন ২০১৭ সালের মধ্যে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা হবে।বাস্তবায়ন করবে বাংলাদেশ দুগ্ধ উৎপাদনকারী সমবায় ইউনিয়ন লিমিটেড (মিল্ক ভিটা)।
উল্লেখ্য, ১৯৯৮ সালে সিরাজগঞ্জের বাঘাবাড়ীতে মিল্কভিটার গুঁড়োদুধ কারখানা আছে। বর্তমানে সেখানে প্রতিদিন ৬০ তেকে ৭০ হাজার দুধ প্রক্রিয়াজাত করে গুঁড়োদুধ উৎপাদন করা হয়। এছাড়া বাংলাদেশ প্রতিবছর ২১ হাজার ৭শ মেট্রিক টন গুঁড়োদুধ আমদানি করে।