ঢাকাSaturday , 23 May 2015
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

প্রতিবেশিদের সহযোগিতা চায় পাকিস্তান

Link Copied!

PCB-presidentস্পোর্টস ডেস্ক : গত ছয় বছরে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড কম চেষ্টা করেনি, তাদের দেশে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ফেরাতে। কিন্তু পারেনি ইজাজ বাট, জাকা আশরাফ থেকে শুরু করে বাঘা বাঘা ক্রিকেট কর্তাব্যাক্তিরা। অবশেষে এসে সফল হলেন শাহরিয়ার খান।
জিম্বাবুয়ে এলো পাকিস্তানে। লাহোরে টি২০ দিয়ে একটি ম্যাচ খেলাও হয়ে গেছে দু’দেশের মধ্যে। এত কঠিন পরিস্থিতি মোকাবেলা করে নিজের দেশে ক্রিকেট ফেরায় যারপরনাই খুশি। তবে এখানেই থেমে থাকতে চান না তিনি। পাকিস্তানে যাতে নিয়মিত ক্রিকেট অনুষ্ঠিত হয়, সে জন্য উপমহাদেশে প্রতিবেশি দেশগুলোর সহযোগিতা চেয়েছেন তিনি।
ভারতের টাইমস অব ইন্ডিয়ার সাথে এক সাক্ষাৎকারে শাহরিয়ার খান বলেন, দেশে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ফেরানোর পথে জিম্বাবুয়েকে আনার উদ্যোগটা হলো প্রথম পদক্ষেপ। জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ম্যাচটি দেখার জন্য দর্শকদের মাঝে ব্যাপক আগ্রহ দেখেছি। টিকিটের জন্য মানুষের আগ্রহ প্রত্যাশার চেয়েও বেশি। টিভিতেও ম্যাচটি দেখার ক্ষেত্রে রেকর্ড স্থাপন করতে চলেছে।
জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল, আপনি কী মনে করেন- এরপর আবারও দীর্ঘ সময় পাকিস্তানে ক্রিকেট অনুপস্থিত থাকবে? জবাবে শাহরিয়ার খান বলেন, ‘না আমি এমন মনে করি না। আমি খুবই ইতিবাচক একজন মানুষ। আমি সব সময় বিশ্বাস করি খেলাধুলা, বিশেষ করে ক্রিকেট যে কোন একটি জাতিকে এক করতে বিশেষ ভুমিকা রাখে। যেমনটা আজ (শুক্রবার) ঘটেছে।’
শাহরিয়ার খানের কাছে জানতে চাওয়া হয়, আপনি কি মনে করেন- জিম্বাবুয়ের এই সফর অন্য দেশগুলোর প্রতি একটা বার্তা, যে এবার পাকিস্তানে এসে খেলতে তাদের সামনে ভয়ের আর কোন কারণ নেই? শাহরিয়ার খান বলেন, ‘অবশ্যই। আমিও এমনটা মনে করি। এই সিরিজে আমাদের জন্য অনেক আশা জড়িয়ে আছে এবং এই সিরিজটাই পাকিস্তানে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের দরজা উন্মুক্ত করে দিল। আমি আরও বিশ্বাস করি, ভারত-পাকিস্তান এবং শ্রীলংকা এসব ব্যাপারে আমাদেরকে আরও বেশি সমর্থন ও সহযোগিতা করতে এগিয়ে আসবে। যাতে করে পাকিস্তানে নিয়মিতই ক্রিকেট অনুষ্ঠিত হয়।
ভারত-পাকিস্তান সিরিজ সম্পর্কে কোন অগ্রগতি আছে কি না? জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আমরা এই সিরিজের ব্যাপারে অনেক বেশি আশাবাদী। বিসিসিআই প্রেসিডেন্ট জগমোহন ডালমিয়ার সাথে আমি একটা ফলপ্রসু আলোচনা করতে সক্ষম হয়েছি। ডালমিয়া আবার আমার খুব ব্যাক্তিগত বন্ধুও। কথা বলেছি অর্থমন্ত্রী অরুন জেটলির সঙ্গেও। তাদের পক্ষ থেকে আমি ভালো প্রতিক্রিয়া পেয়েছি। আমরা এখন ভারত সরকারের সবুজ সংকেতের অপেক্ষায় আছি।’
মোহাম্মদ আমের ঘরোয়া ক্রিকেটে দারুন বোলিং করছেন। আপনি কি সেটা দেখেছেন এবং তাকে কি দ্রুতই জাতীয় দলে ডেকে আনা হবে? শাহরিয়ার খান বলেন, ‘আমরা তার ওপর নজর রাখছি। আগামী সেপ্টেম্বর থেকে জাতীয় দলের হয়ে খেলতে পারবেন তিনি। তখন নির্বাচকরাই সিদ্ধান্ত নেবেন তাকে দলে ফেরানোর ব্যাপারে।’