বিনোদন ডেস্ক : আগামীকাল (২২ মে) মুক্তি পাচ্ছে ‘অচেনা হৃদয়’। নির্মাতা এস আই খান পরিচালনায় অভিষেক করলেন ছবিটির মাধ্যমে। নায়ক এবিএম সুমন প্রথমবারের মত আসছেন দর্শকের সামনে। আর প্রসূন আজাদের মুক্তিপ্রাপ্ত প্রথম ছবি ‘সর্বনাশা ইয়াবা’ হলেও প্রথম চুক্তিবদ্ধ ছবি ‘অচেনা হৃদয়’।
দর্শক ‘অচেনা হৃদয়’ ছবিটি দেখতে কেন সিনেমা হলে যাবে? প্রশ্নের সঙ্গে সঙ্গেই উত্তর দিতে উন্মুখ তিনজনই। কিন্তু লেডিস ফার্স্ট- তাই প্রথমেই মুখ খুললেন প্রসূন। ‘একটাই কথা- এত্তোদিন এমন ছবি দেখার অপেক্ষাতেই ছিল দর্শক। তাই আমাদের এই ছবি দেখতে যাবে তারা।’ সোজাসাপ্টা কণ্ঠে দৃঢ়তার ছাপ স্পষ্ট। সুমন বললেন একটু ভিন্ন কথা, ‘আমরা বিজ্ঞাপনে কিংবা নাটকে খুব কম সময়ে পারফেকশন চাই। কিন্তু আমরা একঘণ্টা বিশ মিনিটের পারফেকশন আনতে চেয়েছি। আর আমরা নতুন। তাই আমাদের এই ইন্ডাস্ট্রিতে জায়গা দেওয়া উচিৎ হবে কি না, আমাদের আর কাজ করা ঠিক হবে কি না এবং আগের চেয়ে ভিন্ন কিছু দিতে পেরেছি কি না- তা বিচার করতে হলেও দর্শককে হলে যেতে হবে।’ তার কথায় যোগ করে প্রসূন বলেন, ‘আমরা যদি খারাপ করি, তো খারাপই বলুক। তবুও তো গিয়ে ইভালুয়েট করে আমাদের খারাপ বলতে হবে।’
নায়ক-নায়িকার কথার মিশেল দিয়ে এবং খানিকটা নিজের বক্তব্যে পরিচালক এস আই খান বলেন, ‘প্রথমত ছবির গল্পটি মৌলিক, সম্পূর্ণ ভিন্ন প্লট। তারপর একঝাঁক নতুন অভিনয়শিল্পী ও কলাকুশলীকে উপস্থাপন করবে ছবিটি। দেশের মধ্যেই এতো ভিন্ন লোকেশনে এবং ভিন্ন পারসপেকটিভে নির্মিত এ ছবিটি দর্শক দেখতে হলে যাবে।’
রসায়ন নিয়ে প্রসূন হেসে বলেন, ‘আমার প্রথম ফটোশ্যুট সুমনের সঙ্গে, আমার প্রথম ছবিও সুমনের সঙ্গে।’ ব্যাপারটা কাকতালীয়, তবে সায় দেন সুমন। ২০১২ সালে লাক্স চ্যানেল আই সুপার স্টার থেকে পরিচিত হয়ে প্রসূন প্রথম ফটোশ্যুট করেন তখনকার অচেনা ছেলে সুমনের সঙ্গে। ‘প্রথম প্রথম সুমন আমায় ধরতে অস্বস্তি ফিল করতো। কিন্তু বন্ধুত্ব এবং শেয়ারিংয়ের কারণে আমরা অনেক সহজেই কাজ শেষ করতে পেরেছি।’ যোগ করলেন প্রসূন। তবে নতুন জুটির রসায়ন নিয়ে বিশেষজ্ঞের মতামত দিলেন পরিচালক। এস আই খানের এক কথা, ‘আরে এই দুইজন একসঙ্গে দাঁড়ালেই তো বোঝা যায় কত্তখানি মানিয়েছে তাদের। অনস্ক্রিন কেমিস্ট্রি তো পর্দায় দেখা যাবে।’

