নিজস্ব প্রতিবেদক : শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের মাজার ভাঙার তীব্র নিন্দা জানিয়ে সম্মিলিত পেশাজীবী পরিষদের ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক রুহুল আমিন গাজী বলেছেন, ‘জিয়াউর রহমানের মাজারের বেশকিছু অংশ দুর্বৃত্তরা ভেঙে ফেলেছে। এই ঘটনার সঙ্গে যারা জড়িত সেসব অপরাধীদের খুজে বের করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে সরকারকে।’
বৃহস্পতিবরা দুপুর সাড়ে ১২টায় প্রেসক্লাব মিলনায়তনে সম্মিলিত পেশাজীবী পরিষদ আয়োজিত ‘তিন সিটি নির্বাচন বাতিল, সিইসি কমিশনার কাজী রকিবউদ্দিনসহ নির্বাচন কমিশনের পদত্যাগের দাবি’ শীর্ষক এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।
লিখিত বক্তব্যে রুহুল আমিন গাজী বলেন, ‘প্রহসনের সিটি নির্বাচন বাতিল করে পুনরায় গ্রহণযোগ্য নির্বাচন অনুষ্ঠান ও কাজী রকিবউদ্দীন আহমেদসহ পুরো নির্বাচন কমিশনকে পদত্যাগ করতে হবে। কারণ প্রমাণ হয়ে গেছে এই নির্বাচন কমিশনের অধীনে কোনো প্রকার নির্বাচন সম্ভব নয়।’
একইসঙ্গে তিনি জনগণকে সকল প্রকার অগণতান্ত্রিক শক্তির বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়িয়ে গণতন্ত্র ও ভোটের অধিকার পুনরোদ্ধারের জন্য দুর্বার সংগ্রাম গড়ে তোলার আহ্বান জানান।
তিনি বলেন, ‘বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি থেকে মুক্তিলাভের জন্য প্রয়োজন ছিল সংলাপের মাধ্যমে একটি গ্রহণযোগ্য জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠানের ব্যবস্থা করা। কিন্তু সরকার তা না করে অনাকাঙ্ক্ষিত রাজনৈতিক পরিস্থিতির মধ্যে নিজেদের ফায়দা লুটার জন্য আকস্মিকভাবে ঢাকা ও চট্টগ্রামের সিডি করপোরেশন নির্বাচনের সিডিউল ঘোষণা করেছিলো। নির্বাচনের দায়িত্বে প্রায় ৫শ’ ম্যাজিস্ট্রেট থাকলেও তাদের অধিকাংশই নিষ্ক্রিয় ছিল।’
নির্বাচন থেকে সরে আসার সিদ্ধান্ত বিএনপির পরিকল্পিত ছিলো কি না-এমন প্রশ্নের জবাবে বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি শওকত মাহমুদ বলেন, ‘সরকার যদি টেলিফোন রেকর্ডের মাধ্যমে এ বিষয়টি আগের দিন জানতে পারে তাহলে পরের দিন এত নাটক করে সহিংসতা করলো কেন?’
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন, ‘জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য মোস্তাফিজুর রহমান, বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের মহাসচিব এমএ আজিজ, জাতীয় প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আবদাল আহমেদ, সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কাদের গণি চৌধুরী, বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা এজেডএম জাহিদ হোসেন প্রমুখ।

