ঢাকাSaturday , 25 April 2015
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

‘বন্দুকযুদ্ধে’ বিএনপিকর্মী গুলিবিদ্ধ

Link Copied!

Bondukসাতক্ষীরা প্রতিনিধি : পুলিশের সঙ্গে কথিত ‘বন্দুকযুদ্ধে’ শাজাহান সরদার (৪২) নামে এক বিএনপিকর্মী গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। এ ঘটনায় দু’পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন।
শুক্রবার রাত দেড়টার দিকে সাতক্ষীরার তালা উপজেলার পাটকেলঘাটা থানাধীন কুমিরা কায়েমখোলা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
গুলিবিদ্ধ শাজাহান সরদার সাতক্ষীরার পাটকেলঘাটা থানার ধানদিয়া গ্রামের গহর আলী সরদারের ছেলে।
আহত পুলিশ সদস্যরা হলেন- সিপাহী আজিবর রহমান ও আব্দুল মান্নান।
স্বজনদের দাবি তিন দিন আগে অশোক মোড়ের একটি চায়ের দোকান থেকে তুলে এনে আটক রাখা হয় বিএনপি কর্মী শাজাহানকে। শুক্রবার মাঝরাতে কথিত বন্দুকযুদ্ধের নামে চোখে কালো কাপড় দিয়ে বেঁধে নিয়ে যেয়ে ডান পায়ের হাঁটুতে বন্দুকের নল ঠেকিয়ে গুলি করা হয়েছে।
পাটকেলঘাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. তরিকুল ইসলাম দাবি করেন, রাত দেড়টার দিকে সাতক্ষীরা খুলনা মহাসড়কের কুমিরা কায়েমখোলায় রাস্তার মোড়ে গাছের গুড়ি ফেলে ডাকাতি করছে এমন খবর পেয়ে তিনি দ্রুত  উপ-পরিদর্শক মধুসূদন মোস্তাবী ও উপ-সহকারী পরিদর্শক হাফিজুল ইসলামের নেতৃত্বে পুলিশের দুটি টিম সেখানে পাঠান।
পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে ডাকাত দলের সদস্যরা তাদের লক্ষ্য করে ৭ /৮ রাউন্ড গুলি করা ছাড়াও ককটেল ছুড়ে পুলিশকে প্রতিহত করার চেষ্টা করে। পুলিশও এ সময় পাল্টা ১০ রাউন্ড গুলি ছোঁড়ে। কমপক্ষে ৩০ মিনিট গোলাগুলির পর শাজাহান সরদার নামে এক ডাকাত সদস্যকে মাটিতে পড়ে যেতে দেখা যায়। পুলিশ এগিয়ে এলে অন্যরা পালিয়ে যায়। এ সময় আজিবর রহমান ও আব্দুল মান্নান নামে পুলিশের দু’ সিপাহী আহত হয়।
গুলিবিদ্ধ শাজাহানকে রাত তিনটার দিকে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। আহত দু’পুলিশ সদস্যকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে পুলিশ দু’রাউন্ড বন্দুকের গুলি, ব্যবহৃত গুলির তিনটি খোসা, দু’টি চাপাতি, একটি হাতুড়ি ও একটি করাত উদ্ধার করেছে।
গুলিবিদ্ধ শাজাহান পাটকেলঘাটা থানার একটি ডাকাতি মামলার চার্জশিটভুক্ত আসামি। এছাড়া তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় আরও ছয়টি মামলা আছে বলে জানিয়েছেন থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা। এ ঘটনায় শাজাহানসহ নয় জনের নাম উল্লেখ করে ডাকাতির চেষ্টার অভিযোগে থানায় মামলার প্রস্তুতি চলছে।
সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালের সার্জারি কনসালট্যান্ট ডা. হাসানুজ্জামান জানান, শাজাহানের ডান পায়ের হাঁটুতে গুলি লেগেছে। অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাকে খুলনা ২৫০ শয্যা হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে।
এ ব্যাপারে শাহজাহানের শ্বশুর আব্দুর রহমান ও মেয়ে তাসলিমা খাতুনের দাবি শাহজাহান ডাকাত নন। তিনি বিএনপির সাধারণ একজন সমর্থক। তিনি একজন চাষী। ২২ এপ্রিল বুধবার বিকেল ৪টার দিকে ধানদিয়া অশোক মোড়ের চায়ের দোকান থেকে উপ-পরিদর্শক আবদুল মতিন তাকে আটক করেন। পরদিন সকালে থানায় গিয়ে তাকে নাশতা খাইয়ে আসেন। এরপর থেকে শাহজাহানের আর কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না। পুলিশ পরিকল্পিতভাবে  তাকে ডাকাত বানিয়ে চোখে কালো কাপড় বেঁধে তার ডান পায়ের হাঁটুতে বন্দুকের নল ঠেকিয়ে গুলি করেছে।