নিজস্ব প্রতিবেদক : রাজধানীর কাওরান বাজারে খালেদা জিয়ার উপর হামলা প্রসঙ্গে বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের সভাপতি এবং বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট খন্দকার মাহবুব হোসেন বলেছেন, ‘এই হামলা আওয়ামী লীগ, যুব লীগ এবং ছাত্র লীগের সন্ত্রাসী বাহিনী করেছে। তারা চেয়েছিল খালেদা জিয়াকে হত্যা করতে। কিন্তু হামলা করে তারা থামাতে পারেনি। খালেদা জিয়া প্রচারণা শেষ করেই বাসায় ফিরেছিলেন। এতেই প্রমাণ হয় খালেদা জিয়া জনগণের জন্য জীবন দিতেও রাজি।’
মঙ্গলবার জাতীয় প্রেসক্লাবের ভিআইপি লাউঞ্জে আরাফাত রহমান কোকো স্মৃতি সংসদ আয়োজিত ‘নাগরিক ভাবনা: প্রসঙ্গ-সিটি নির্বাচনে প্রচারণার সমান সুযোগ’ শীর্ষক গোলটেবিল আলোচনায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
সিটি নির্বাচনে অংশগ্রহণ আন্দোলনেরই একটি অংশ এমন মন্তব্য করে খন্দকার মাহবুব বলেন, ‘সেনাবাহিনী মোতায়েন করলে সিটি করপোরেশন নির্বাচন সুষ্ঠু হবে, কোনো কারচুপি হবে না। আর কারচুপি না হলে নির্বাচনে বিএনপি সমর্থিত প্রার্থীই জয়ী হবে।’
তিনি বলেন, ‘বিএনপি যখনই জনগণের ভোটাধিকার ফিরে পাওয়ার এবং গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের জন্য আন্দোলন করে তখনই সরকার নিত্যনতুন চাল শুরু করে। আমরা যখন বিজয়ের শেষপ্রান্তে তখনই এই সিটি করপোরেশন নির্বাচন দিল সরকার। যার কারণে আন্দোলন থেকে আমাদেরকে একটু সরে আসতে হয়েছে।’
আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর উদ্দেশে মাহবুব বলেন, ‘২০ দলের ২০ হাজার নেতাকর্মী জেলে, পুলিশ গ্রেপ্তার বাণিজ্য করে যাচ্ছে। যদি কোনো দলের হয়ে আপনারা কাজ করেন তাহলে ইতিহাস আপনাদের বিরুদ্ধে কথা বলবে। মনে রাখবেন কোনো সরকারই চিরস্থায়ী হয়নি, হবেও না।’
তিনি বলেন, ‘বিএনপির হরতাল-অবরোধে সারাদেশ বিচ্ছিন্ন ছিল। কিন্তু সরকার বলছে- বিএনপির হরতালই হয়নি। অন্যদিকে সরকার বলছে দেশে এই হরতালে অনেক ক্ষতি হয়েছে।’
ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সাবেক সভাপতি আব্দুস শহিদের সভাপতিত্বে গোলটেবিল আলোচনায় আরো অংশ নেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট আহমেদ আজম খান, বাংলাদেশ লেবার পার্টির চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমান ইরান প্রমুখ।

