ঢাকাSunday , 6 September 2026
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

পরকীয়ার জেরে বাগেরহাটের কচুয়ায় তিন খুন, গ্রেপ্তার ৩

Link Copied!

বাগেরহাটের কচুয়া থানার চাঞ্চল্যকর ট্রিপল মার্ডার মামলার রহস্য উদঘাটনের দাবি করেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। এ ঘটনায় জাহিদুল ইসলাম, আসাদুল শেখ ও মো. আরিফ হাওলাদার ওরফে বাবুকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। একই সঙ্গে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত একটি মোবাইল ফোন ও একটি চার্জার উদ্ধার করা হয়েছে। রবিবার (৬ সেপ্টেম্বর) সকালে বাগেরহাটের পুলিশ সুপার হাসান মোহাম্মদ নাছের রিকাবদার প্রেস ব্রিফিং করে সাংবাদিকদের এ কথা জানান। তিনি বলেন,, কচুয়া থানাধীন চান্দেরখোলা এলাকায় গত ২ আগস্ট রাতে তিনজনকে হত্যার ঘটনা ঘটে। পরদিন খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহগুলোর সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে এবং ময়নাতদন্তের জন্য বাগেরহাট সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠায়। এ ঘটনায় কচয়া থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়। মামলার তদন্তে প্রথমে জাহিদুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করা হয়। পুলিশের দাবি, তাকে জিজ্ঞাসাবাদে হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া যায়। পরে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় আসাদুল শেখকে তার নিজ বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারের সময় তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে একটি কালো রঙের ZENX-2 মোবাইল ফোন ও এর চার্জার উদ্ধার করা হয়েছে বলে প্রেস রিলিজে উল্লেখ করা হয়। পুলিশ আরও জানায়, আসাদুলের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে মো. আরিফ হাওলাদার ওরফে বাবুকেও গ্রেপ্তার করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আসামিরা হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে বলে পুলিশের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে। প্রেস রিলিজ অনুযায়ী, পারিবারিক বিরোধ ও পরকীয়া সম্পর্ককে কেন্দ্র করে এ হত্যাকাণ্ডের সূত্রপাত হয়ে থাকতে পারে। পুলিশের ভাষ্য, নিহত পরিবারের এক নারী সদস্যের সঙ্গে গ্রেপ্তার হওয়া জাহিদুল ইসলামের দীর্ঘদিনের সম্পর্ক ছিল। বিষয়টি পরিবারের মধ্যে জানাজানি হলে বিরোধের সৃষ্টি হয়। এর জের ধরে পারিবারিক কলহ বাড়তে থাকে এবং একপর্যায়ে হত্যাকাণ্ডের পরিকল্পনা করা হয় বলে তদন্তে উঠে এসেছে। পুলিশের দাবি, জাহিদুল ইসলামের পরিকল্পনায় অন্যদের সহযোগিতায় হত্যাকাণ্ডটি সংঘটিত হয়। তবে গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ আদালতে প্রমাণিত হওয়ার আগে তাদের দোষী হিসেবে চূড়ান্তভাবে বিবেচনা করা যাবে না। তদন্তকারী কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে আরও কেউ জড়িত আছে কি না এবং ঘটনার প্রকৃত কারণ কী ছিল, তা নিশ্চিত করতে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে। উদ্ধার করা আলামতগুলোও তদন্তের স্বার্থে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হবে। ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।