শেরপুর প্রতিনিধি: কামারুজ্জামানের ফাঁসির কার্যক্রম শেষ হওয়ার পর শনিবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে শেরপুর সদর উপজেলার বাজিতখিলা ইউনিয়নের কুমরি মুদিপাড়া গ্রামের তার প্রতিষ্ঠিত মাদরাসা ও এতিমখানার পাশেই কবর খোঁড়ার কাজ শুরু করা হয়। তবে শিলাবৃষ্টির কারণে কিছুটা বিলম্ব হয়। রাত ২টার পরে কবর খোঁড়ার কাজ শেষ হয়।
এদিকে সাংবাদিকরা বাজিতখিলা বাজারে গিয়ে দেখতে পান, পুলিশ, র্যাব ও বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে। ওই এলাকায় পুলিশ রেড এলার্ট জারি করেছে। স্থানীয় গণমাধ্যম কর্মী ও বাসিন্দাদের ওই গ্রামে প্রবেশ করতে দেয়া হচ্ছে না।
এ ব্যাপারে শেরপুরের পুলিশ সুপার মেহেদুর করিমের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, উপরের নির্দেশে ওই গ্রামে কাউকে প্রবেশ করতে দেয়া হচ্ছে না।
এদিকে রাত ১১টার দিকে প্রচণ্ড ঝড় ও শিলাবৃষ্টি শুরু হয়। ঝড় থামে দেড়টার দিকে।
কামারুজ্জামানের আত্মীয়দের সূত্রে জানা যায়, তারা রাত ২টার মধ্যে কবর খোঁড়ার কাজ শেষ করেছেন।

