বাগেরহাটের চিতলমারী উপজেলায় ক্রয়কৃত জমিতে দোকান ঘর নির্মাণ করতে গিয়ে চাঁদা দাবি, মারধর ও প্রাণনাশের হুমকি এবং পরবর্তীতে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানির প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (১৩ জুলাই) দুপুরে বাগেরহাট প্রেসক্লাবে উপস্থিত হয়ে ভুক্তভোগীদের পক্ষে এই সংবাদ সম্মেলন করেন মেরাজুল ইসলাম শেখ। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে মেরাজুল ইসলাম শেখ জানান, তিনি এবং তার সহযোগী মোহাম্মদ আলী খান, শামীন শেখ, জবরুল শেখ, নিয়ামত আলী খান ও হুসাইন বিশ্বাস চিতলমারী থানাধীন বোয়ালীয়া ভ্যান স্ট্যান্ডের পাশে নিজেদের ক্রয়কৃত জমিতে দোকান ঘর নির্মাণের কাজ শুরু করেন। কিন্তু গতকাল ১২ জুলাই সকাল আনুমানিক ১০টার দিকে স্থানীয় রুনা গাজী, ফজলুল হক শেখ, তুহীন গাজী, মিলন গাজী এবং মামুন গাজীসহ তাদের সহযোগীরা নির্মাণাধীন স্থানে এসে কাজে বাধা প্রদান করে। ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, অভিযুক্তরা সেখানে দোকান ঘর তৈরি করতে হলে মোটা অঙ্কের টাকা দাবি করে এবং এক পর্যায়ে ২ দুই লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে বসে। চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে অভিযুক্তরা ক্ষিপ্ত হয়ে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজসহ বিভিন্ন ধরনের হুমকি-ধমকি প্রদান করে। চাঁদা না দিলে যেকোনো সময় বড় ধরনের ক্ষতি করারও হুমকি দেয় তারা। মেরাজুল ইসলাম আরও অভিযোগ করেন, চাঁদা না পেয়ে ভুক্তভোগীদের সামাজিক ও রাজনৈতিকভাবে হেয়-প্রতিপন্ন করতে এবং হয়রানি করার উদ্দেশ্যে অভিযুক্তরা উল্টো চিতলমারী থানায় তাদের নামে একটি সম্পূর্ণ মিথ্যা অভিযোগ দায়ের করেছে। একই সাথে এলাকায় নানামুখী মিথ্যা প্রোপাগান্ডা চালিয়ে তাদের সম্মানহানি করা হচ্ছে। এ অবস্থায় চরম নিরাপত্তাহীনতা ও সামাজিক হয়রানির শিকার ভুক্তভোগী পরিবারগুলো প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন এবং ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন। সংবাদ সম্মেলনে এলাকার স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা উপস্থিত ছিলেন। এ বিষয়ে অভিযুক্ত রুনা গাজীর কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন কিছু লোক আমার ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করার জন্য এ ধরনের অপপ্রচার চালিয়ে আমার বাপ, দাদার জমি ভোগ দখল এর পায়ঁতারা করছে। ঘটনার সাথে আমার বিন্দুমাত্র কোন সংশ্লিষ্টতা নাই।

