নিজস্ব প্রতিবেদক: নির্বাচন কমিশনের ওপর আস্থা না রাখতে পেরে সিটি করপোরেশন নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন বলে জানিয়েছেন এরশাদের সাবেক বিশেষ উপদেষ্টা ববি হাজ্জাজ। এই নির্বাচনে অংশ নেয়ার ঘোষণা দিয়েই ববি এরশাদের বিশেষ উপদেষ্টার পদটি হারিয়েছিলেন।
বৃহস্পতিবার বিকেলে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের পর গ্যাটকো সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে ববি হাজ্জাজ নিজেই বলেন কেন তিনি সড়ে দাঁড়ালেন এই নির্বাচন থেকে।
ববির ভাষ্যে, নির্বাচন কমিশনের প্রতি অনাস্থা এবং নির্বাচনের পরিবেশ না থাকার কারণেই তিনি সরে দাঁড়ালেন এই নির্বাচন থেকে।
ববি বলেন, আমরা প্রচারণা শুরুর পরপরই একটি দলের দুই থেকে তিনজন নেতাকে বহিষ্কার করা হয়েছে। যারা ৩০ থেকে ৪০ বছর রাজনীতি করেছেন একটি নির্দলীয় নির্বাচনে নিয়ম ভঙ্গ করে তাদের বহিষ্কার করা মেনে নেয়া যায় না।’
বিভিন্নভাবে তাকে চাপ দেয়া হচ্ছে- সংবাদ সম্মেলনে এমন অভিযোগ করলেও কে বা কারা তাকে চাপ দিচ্ছেন সে বিষয়ে কিছু বলেননি ববি।
তিনি বলেন, ‘আমাকে অনেকভাবে চাপ দেয়া হচ্ছে। এভাবে চলতে পারে না।’
প্রমাণের অভাবে অনেক কিছু দেখাতে পারছেন না বলেও মন্তব্য করেন ববি।
নির্বাচন কমিশনের দিকে অভিযোগের আঙুল তুলে ববি বলেন, ‘নির্বাচনী প্রচারণায় অনেক প্রার্থীর নীতিমালা ভঙ্গ করায় বিষয়টি আমরা কমিশনকে জানিয়েছিলাম। কিন্তু তারা কোনা ব্যবস্থা নেয়নি। এ অবস্থায় এ নির্বাচন সুষ্ঠু ও স্বচ্ছ হবে কি না তা নিয়ে সন্দেহ রয়েছে।’
ববি হাজ্জাজ বলেন, ‘পরিবর্তনের রাজনীতি শুরু করতে চেয়েছিলাম। কিন্তু প্রচারণা শুরুতেই আমাদের বিভিন্নভাবে বাধা দেয়া হয়েছে। এই রাজনীতির পরিবর্তন করতে চাই। যে আস্থা নিয়ে প্রচারণা শুরু করেছিলাম সে নির্বাচন কমিশনের ওপর সে আস্থা এখন আর নেই। সে কারণেই প্রার্থিতা প্রত্যাহার করলাম।’
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন- জাতীয় পার্টির বহিষ্কৃত ভাইস চেয়ারম্যান গোলাম মওলা, জাপা নেতা মোস্তাক আহমেদ, ববি হাজ্জাজের স্ত্রী রাসনা ইমাম প্রমুখ।
ববি হাজ্জাজ ছাড়াও একইদিন প্রায় একইসময়ে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করেছেন বিএনপি নেতা আব্দুস সালাম ও সারাহ বেগম কবরী।
সিটি নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন ববি হাজ্জাজ

