সেতুটি নির্মাণের ৯ মাসের মাথায় বিগত ২০২৪ সালের অক্টোবর মাসে বন্যার স্রোতে ভেসে যায়, গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার বেলকা বাজার খেয়াঘাটের তিস্তার শাখানদীতে অপরিকল্পিত ভাবে কংক্রিটের খুঁটির ওপর নির্মিত কাঠের সেতুটি । এ ঘটনার দুই বছর পেরিয়ে গেলেও সেতুটি মোরামত বা পুননির্মাণ করা হয়নি উদ্যোগ নেই । সে কারনে এ উপজেলার বেলকা ও হরিপুর ইউনিয়নের ২০ হাজার চরবাসিকে ভোগান্তি পোয়াতে হচ্ছে। স্থানীয় ভাবে কোনমতে মেরামত করে ঝুকি নিয়ে ভেঙে যাওয়া সেতুর ওপর দিয়ে চলাচল করছেন চরবাসিরা। জানাযায়, ২০২২-২০২৩ অর্থ বছরের এডিবির অর্থ হতে কংক্রিটের খুঁটির উপর কাঁঠের সেতু নির্মাণের সিদ্ধান্ত হয়। ২৮ লাখ ৯৫ হাজার টাকা বরাদ্দ দেয় উপজেলা পরিষদ। শুরুতেই অনিয়মের অভিযোগ উঠে সেতুটি নির্মাণের। ২০২৫ সালের ৩০ জুন সেতুটির নির্মাণ কাজ শেষ দেখিয়ে ঠিকাদারের বিলের অর্থ ছাড় করানো হয়। ঠিকাদার পক্ষে সেতৃটি নির্মাণে সাব-ঠিকাদার হিসেবে কাজ করেন বামনডাঙ্গারে একব্যাক্ততি। সেতুটির নকশা করেন প্রন্নয়ন উপজেলা প্রকৌশলী। নির্মানের ৯ মাসের মাথায় ভেসে যাওয়া সেতুটি মেরামতের প্রতিশ্রুতি দেন উপজেলা প্রশাসন। কিন্তু প্রায় দুই বছরেও তা বাস্তবায়ন হয়নি। বেলকা বাজরের ব্যবসায়ী হারুন মিয়া বলেন, বেলকা ও হরিপুর ইউনিয়রে ২০ হাজার চরবাসির র্দীর্ঘ দিনের চাওয়া পাওয়ার এখন কি হবে? এ দায় কার? এ বিষয়ে উর্ধতন কর্তৃপক্ষের সদয় সুদৃষ্টি কামনা করেন তিনি। বেলকা চরের শিক্ষার্থী রুবেল মিয়া বলেন সেতুটি নির্মাণ হওয়ায় চরের শিক্ষার্থীরা খুশী হয়েছিল। কিন্তু বিধিবাম, উদ্বোধন না হতেই সেই সেতুটি ভেসে গেল তিস্তার স্রোতে। এখন আবারও সেই নৌকায় হবে কি? চরবাসির একমাত্র ভরসা। প্রতিদিন সেতুটির ওপর দিয়ে বেলকা এমসি উচ্চ বিদ্যালয়, বেলকা মনিকা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, বেলকা ডিগ্রী কলেজ, বেলকা মজিদপাড়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, বেলকা ১নং সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও বেলকা মনিকা সরকারি প্রাথমিক স্কুল শিক্ষক আব্দুল জলিল মিয়া বলেন, ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান ও সেই সময়ের স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের গাফিলতি ও অনিয়মের কারনে সেতুটির এই অবস্থা হয়েছে বলে, অভিযোগ আছে। এলাকা বাসিরা দ্রুত সেতুটি পুনঃনির্মাণের দাবি জানান।

