ঢাকাThursday , 7 May 2026
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

বাগেরহাটে অপপ্রচারের বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন

Link Copied!

বাগেরহাটের শরণখোলায় দখলকৃত জমি উদ্ধার, মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অপপ্রচারের বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন করেছেন তামান্না আকতার নামের এক গৃহবধূ। বৃহস্পতিবার (৭ মে) দুপুরে বাগেরহাট প্রেসক্লাব মিলনায়তনে তিনি এই সংবাদ সম্মেলন করেন। তামান্না আকতার শরণখোলা উপজেলার রতিয়া রাজাপুর গ্রামের ইলিয়াস হোসেন হাওলাদারের স্ত্রী। লিখিত বক্তব্যে তামান্না বলেন, গত সোমবার সকালে আমাদের ক্রয়কৃত রেকর্ডীয় সম্পত্তি নিয়ে একই এলাকার রবিন ঢালী ও তার পরিবারের সাথে বিরোধের সৃষ্টি হয়। পরবর্তীতে বিষয়টি অতিরঞ্জিত করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম সহ কয়েকটি গণমাধ্যমে প্রচার করে তারা। সংখ্যালঘু তকমা লাগিয়ে জমিসংক্রান্ত বিরোধের বিষয়টি ধর্মীয় রুপ দিয়ে অপপ্রচারে লিপ্ত হয়। সংবাদ সম্মেলনে আরো বলেন, ১৯৮৯ সালে সোবহান হাওলাদার সহ তার চার ভাই দুইটি দলিলে মোট ২৮ শতক জমি ক্রয় করে শান্তিপূর্ণভাবে ভোগ দখল করে আসছিল। কিন্তু ২০০৮ সালে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পরে রবিন ঢালীর মামা স্থানীয় ইউপি সদস্য মৃনাল বাবুর সহায়তায় উক্ত জমি দখল করে নেয় তারা। সে সময়ে আমাদের মারপিট করে বসতবাড়ি ভাঙচুর করে আমাদের ব্যাপক ক্ষতি সাধন করে। তারা আওয়ামী সমর্থিত হওয়ায় সে সময়ে আমরা কারো কাছে বিচার দিয়েও কোন প্রতিকার পাই নাই। এ বিষয়ে কয়েক দফায় সালিশ বৈঠক হলেও কোন সূরাহা হয়নি। রবিন ঢালী জমিতে না যাওয়ার জন্য আমার ও আমাদের পরিবারের সবাইকে হুমকি দেয়। এ ঘটনায় আমরা আদালতের শরণনাপন্ন হয়েছিলাম। গত ৪ঠা মে রবিন ঢালীর জরাজীর্ণ পুরাতন বাড়িটি ভেঙে নতুন বাড়ি নির্মাণ করার খবর শুনে আমাদের পরিবার সেখানে উপস্থিত হয়ে বাড়ি নির্মাণ করতে বাধা প্রদান করলে রবিন ঢালী ও তার লোকজন আমাদের উপর চড়াও হয় এবং রবিন ঢালির মা ও স্ত্রী তাদের আসবাবপত্রে আগুন দিয়ে ডাক চিৎকার শুরু করে আমাদের উপর হামলা করে। উভয় পক্ষের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে এবং আমাদের আত্মীয় মিরাজ হাওলাদার ও রাসেল আহত হয়। স্থানীয় প্রভাবশালী একটি মহল রবিন ঢালীর পক্ষ নিয়ে প্রকৃত ঘটনা আড়াল করে সংখ্যালঘু নির্যাতন বলে অপপ্রচার চালাতে থাকে। পরবর্তীতে ২৬ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত আরো ২৫ -৩০ জনকে আসামি করে আমাদের হয়রানি করার উদ্দেশ্যে শরণখোলা থানায় একটি মামলা দায়ের করে তারা। ঘটনার বিষয়টি তদন্তপূর্বক প্রকৃত অপরাধীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি এবং দখলদার উচ্ছেদের দাবি জানান সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে গৃহবধূ তামান্না আক্তার।