নাটোরের সিংড়ায় রফিকুল ইসলাম রুবেল (৪৫) নামে এক মাছ ব্যবসায়ীকে গলা কেটে হত্যার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে তার স্ত্রী ও ছেলেকে আটক করেছে পুলিশ। পরে ছেলের স্বীকারোক্তি অনুযায়ী বাড়ির পাশের পুকুর থেকে হত্যায় ব্যবহৃত দা ও মা-ছেলের রক্তমাখা জামা-কাপড় উদ্ধার করা হয়েছে।
সোমবার (৪ মে) সকালে সিংড়া উপজেলার ইটালি ইউনিয়নের বিষ্ণুপুর গ্রাম থেকে মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
নিহত রফিকুল ইসলাম রুবেল উপজেলার ইটালি ইউনিয়নের বিষ্ণুপুর গ্রামের কেরামত আলীর ছেলে।
পুলিশ ও পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, রোববার (৩ মে) রাত ১০টার দিকে নেশা ও সাংসারিক নানা বিষয় নিয়ে স্ত্রী শিউলী বেগম ও ছেলে সাইফুদ্দিন সিদ্দিক রয়েলের সঙ্গে ঝগড়া হয় রফিকুলের। এই ঘটনার পরে রফিকুল বাড়িতে একটি রুমে একাকী ঘুমিয়ে পড়েন। সোমবার (৪ মে) সকালে বাড়ির লোকজন ঘরে রক্তাক্ত গলাকাটা মরদেহ দেখতে পান। প্রতিবেশীরা সেখানে জমায়েত হলে বিষয়টি পুলিশকে জানানো হয়।
সিংড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রফিকুল ইসলাম জানান, ঘটনাস্থলে পৌঁছে নিহতের গলাকাটা মরদেহ দেখে ও পারিবারিক কলহের স্ত্রী-সন্তানকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ে ডিবি পুলিশ রফিকুল ইসলামের ছেলে সাইফুদ্দিন সিদ্দিক ওরফে রয়েলকে চাপ দিলে সে হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে। তার স্বীকারোক্তি অনুযায়ী বাড়ির পাশে পুকুর থেকে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত দা ও রক্তমাখা কাপড় উদ্ধার করা হয়। এ বিষয়ে অধিক জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাদের দুজনকে আটক করা হয়েছে।
ওসি আরও বলেন, মাছ ব্যবসায়ীকে গলা কেটে হত্যার ঘটনায় স্ত্রী-ছেলেকে আটক করা হয়েছে। তারা হত্যার দায় স্বীকার করেছে। এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য নাটোর আধুনিক সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।

