ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জে মাতৃত্বকালীন ভাতা কার্ড দেওয়ার নামে গর্ভবতী নারীদের কাছ থেকে অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠে এসেছে এক নারী ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে। অভিযোগ রয়েছে, টাকা নেওয়ার পরও ভাতার কার্ড না দেওয়া। অসহায় ভুক্তভোগীরা এখন তার দ্বারে দ্বারে ঘুরছেন। এমনকি টাকা ফেরত চাইতে গেলে হুমকির শিকার হচ্ছেন বলে জানিয়েছেন তারা। অভিযুক্ত সাবিকুন্নাহার ঈশ্বরগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদের ৪, ৫ ও ৬ নম্বর ওয়ার্ডের সংরক্ষিত মহিলা সদস্য। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নির্বাচিত হওয়ার পর থেকেই তিনি অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিত নারীদের মাতৃত্বকালীন ভাতার কার্ড করে দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে অর্থ আদায় করে আসছেন। তবে টাকা নেওয়ার পরও অনেক ক্ষেত্রে কার্ড প্রদান না করার অভিযোগ রয়েছে। ভুক্তভোগী রাহিমা খাতুন বলেন, “গর্ভবতী ভাতার কার্ড করে দেওয়ার কথা বলে মেম্বার আমার বাড়িতে এসে ৩ হাজার টাকা নেন। কিন্তু এখনো কোনো কার্ড পাইনি। টাকা ফেরত চাইলে তিনি আমাকে হুমকি দেন। আমি এর সুষ্ট বিচার চাই।” একই ধরনের অভিযোগ উঠেছে খৈরাটি গ্রামের বাসিন্দা হালিমা খাতুনের পুত্রবধূ ইয়াসমিনের পক্ষ থেকেও। উনার কাছ থেকেও একইভাবে ৩ হাজার টাকা নেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি। এরকম ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, দীর্ঘ সময় অতিবাহিত হলেও তারা কোনো ভাতা পাননি। এতে তারা আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পাশাপাশি সরকারি সুবিধা থেকেও বঞ্চিত হয়েছেন। এ বিষয়ে অভিযুক্ত সাবিকুন্নাহারের বক্তব্য জানতে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁর ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। এদিকে, বিষয়টি নিয়ে ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সানজিদা রহমানের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

