ঢাকাWednesday , 25 March 2015
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

খালেদা-তারেককে সুরঞ্জিতের পরামর্শ

Link Copied!

Suranjitনিজস্ব প্রতিবেদক: আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত বলেছেন, ‘বিএনপির পক্ষ থেকে সিটি করপোরেশেন নির্বাচনের জন্য লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরি কথা বলা হচ্ছে। এ জন্য তারা সরকার ও নির্বাচন কমিশনকে কাজ করার কথা বলছে। আমি বলবো আগে লেভেল প্লেয়িং ফ্লিড তৈরির জন্য খালেদা-তারেক কমিশনে গিয়ে দাবি জানান।’
বুধবার দুপুরে রাজধানীর ইনস্টিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারস মিলনায়তনে চলমান রাজনীতি শীর্ষক আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন।
সুরঞ্জিত বলেন, ‘নির্বাচন কমিশনে গিয়ে লেভেল প্লেয়িং ফ্লিড চাওয়ার আগে জনগণের কমিশনে গিয়ে আপনাদের বোমাবাজী-সন্ত্রাস বন্ধের রাজনৈতিক ঘোষণা দিন। হরতাল-অবরোধে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরি হয় না। এমাজউদ্দিন সাহেব এটা তো আপনি জানেন। আড়াই মাসের তাণ্ডবে যে সাধারণ মানুষ মেরেছেন তাদের জন্য লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড কে তৈরি করবে? যে মামলা চলছে তাদের লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড কে তৈরি করবে?’
বিএনপি নেতাদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘খালেদা-তারেক কমিশনে গিয়ে লেভেল প্লেয়িং ফ্লিড তৈরির দাবি জানান। উনাদের এই বোমাবাজী-সন্ত্রাসের কারণে নির্বাচনের পরিবেশ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরি করার প্রথম দায়িত্ব আপনাদের। হরতাল-অবরোধ প্রত্যাহার করে তারপর নির্বাচন কমিশনে যাবেন। সন্ত্রাস-বোমাবাজের রাজনীতি পরিহার করে গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক ধারায় ফিরে এলেই লেভেল প্লেয়িং ফ্লিড তৈরির পরিবেশ সৃষ্টি হবে।’
তিনি বলেন, ‘আইন ও আইনের শাসন নির্বিঘ্নে চলতে দিতে হবে। এটাকে নির্বাচনীয় বিষয়াদীর মধ্যে টেনে আনলে হবে না।’
সুরঞ্জিত বলেন, ‘হরতাল-অবরোধের রাজনীতি থেকে বেরিয়ে এলেই লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরির প্রশ্ন উঠতে পারে। বোমা মেরে মানুষ হত্যা করে লেভেল প্লেয়ি ফিল্ড তৈরির যে বৈষম্য করছেন, তা থেকে বেরিয়ে আসার রাজনৈতিক ঘোষণা দিতে হবে বিএনপিকে।’
প্রবীণ এই আওয়ামী লীগ নেতা বলেন, ‘এই নির্বাচনে দুই পক্ষের (আওয়ামী লীগ-বিএনপি) কারো জয়-পরাজয় নেই। নির্বাচনের রায় যাই হোক উভয় পক্ষরই বিজয় হবে। জয় হবে নিয়মতান্ত্রিক ও গণতান্ত্রিক রাজনীতির।’