ঢাকাMonday , 23 March 2015
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

আসুন আমরা তাদের হত্যা করি

Link Copied!

Potaka-Utshobনিজস্ব প্রতিবেদক: দেশে প্রকৃত স্বাধীনতা এখনো আসেনি দাবি করে প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা এইচটি ইমাম বলেছেন, ‘সত্যিকার স্বাধীনতার জন্য দানবদের হত্যা করতে হবে। দেশে যারা দানবীয় তাণ্ডবলীলা চালাচ্ছে, মানুষকে পুড়িয়ে মারছে, আসুন আমরা তাদের হত্যা করি, তাদের নির্মূলের মধ্য দিয়েই সত্যিকারের স্বাধীনতা আসবে।’
সোমবার দুপুরে রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে পতাকা উৎসব উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।
এইচটি ইমাম বলেন, ‘স্বাধীনতার সময় ইয়াহিয়ার দানবীয় আকৃতিতে ছবি অঙ্কন করে শিল্পী কামরুল ইসলাম বলেছিলেন- আসুন দানবদের হত্যা করি। তাই আজ যারা দানবীয় তাণ্ডবলীলা চালাচ্ছে আসুন তাদের হত্যা করি। তাদের নির্মূলেই আসল স্বাধীনতা আসবে।’
স্বাধীনতাবিরোধী চক্র এখনো সক্রিয় জানিয়ে তিনি বলেন, ‘একাত্তরের পরাজিত শক্তি দেশে ও দেশের বাইরে ঘাপটি মেরে ছিল। বঙ্গবন্ধুকে হত্যার মধ্য দিয়ে পক্ষান্তরে দেশে স্বাধীনতা বিরোধীদের পুনর্বাসন করা হয়েছিল। আর সেই শক্তিই আজও দেশে সক্রিয়। তারা তালেবান, আল কায়েদা, আইএসআই ও বোকো হারামের মতো জঙ্গি তৎপরতা চালাচ্ছে।’
জিয়াউর রহমান স্বাধীনতা বিরোধীদের মদদ দিয়েছেন জানিয়ে তিনি বলেন, ‘বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর খন্দকার মোস্তাক ক্ষমতায় থাকলেও দেশ চালিয়েছেন পক্ষান্তরে জিয়াউর রহমান। মোস্তাক নয়, জিয়াই দেশে নিজামী, আলিমদের মতো স্বাধীনতা বিরোধীদের দেশে ফিরিয়ে এনে পুনর্বাসনের ব্যবস্থা গ্রহণ করেছিলেন।’
বিএনপি-জামায়াত দেশে দুঃশাসন চালিয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘বিএনপি-জামায়াতের আমলে ২০০১ সালের পর থেকে দেশে আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসীদের উত্থান ঘটেছিল। দেশে অসংখ্য নিরাপরাধ মানুষকে হত্যা করা হয়েছে।’
বঙ্গবন্ধু বেঁচে থাকলে বাংলাদেশ মালয়েশিয়া সিঙ্গাপুরকেও ছাড়িয়ে যেতো উল্লেখ করে এইচটি ইমাম বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু সর্বকালের সেরা বাঙালি। তিনি মাহাথির মোহাম্মদ কিংবা ফিদেল ক্যাস্ট্রোর চাইতেও বড় নেতা।’
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে পুলিশের মহাপরিদর্শক একেএম শহীদুল হক বলেন, ‘পুলিশ সব সময় জনতার। জনতাকে সঙ্গে নিয়েই পুলিশ বিভিন্ন প্রতিকূল পরিস্থিতি মোকাবেলা করে এসেছে।’
তিনি বলেন, ‘২০১৩ সালের পর থেকে যারা রাজনৈতিক কর্মসূচির নামে অরাজকতা চালাচ্ছে ও নাশকতা সৃষ্টি করছে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে পুলিশ তাদের মোকাবেলা করছে।’
উৎসবের উদ্বোধন করেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক। এসময় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সেক্টর কমান্ডার কেএম শফিউল্লাহ, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হারুন-অর রশিদ, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় উপাচার্য ড. মিজানুর রহমান, মুজিবনগর সরকারকে গার্ড অব অনার প্রদানকারী পুলিশসুপার মাহবুব উদ্দিন বীরবিক্রম, জাতীয় পতাকার ডিজাইনার শিব নারায়ণ দাস।