ঢাকাWednesday , 1 October 2025
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

জয়পুরহাটে ভিডব্লিউবির চাল নিয়ে প্রতারণার অভিযোগ

Link Copied!

জয়পুরহাটের ক্ষেতলাল উপজেলার বড়তাড়া ইউনিয়ন পরিষদের ৩নং প্যানেল চেয়ারম্যান ও ৫নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য শফিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে যাচাই বাছাই কমিটির সাথে প্রতারণা করে ভালনারেবল উইমেন বেনিফিট (ভিডব্লিউবি) কর্মসূচির আওতায় নিজের স্ত্রীসহ একাধিক আত্মীয়ের নাম তালিকাভুক্ত করার অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দুস্থ নারীদের তালিকায় ইউপি সদস্য শফিকুল ইসলামের স্ত্রী ছাড়াও ভাবি, চাচি, মামি, খালা, এমনকি বড় ভাইয়ের দুই স্ত্রী (সতীন)সহ অন্তত ৮-১০ জন ঘনিষ্ঠ আত্মীয়ের নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। যাদের অধিকাংশই প্রকৃতপক্ষে দুস্থ নন; কারও ৬-৮ বিঘা জমি, পাকা বাড়ি, একাধিক ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও পুকুর রয়েছে। এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, ভিডব্লিউবি কর্মসূচির আওতায় অসহায় নারীরা প্রতি মাসে বিনা মূল্যে ৩০ কেজি করে চাল পান। এ বছরা বড়তাড়া ইউনিয়নে প্রায় ১৮শত নারী আবেদন করেন। যাচাই–বাছাই শেষে ৪৪০ জনকে চূড়ান্ত করা হয়। এর মধ্যে ৫নং ওয়ার্ডে ৫৩ জনের তালিকা অনুমোদন করা হয়। অভিযোগ রয়েছে, ওই তালিকাতেই প্রতারণা করে ইউপি সদস্য শফিকুল ইসলাম আত্মীয়দের নাম অন্তর্ভুক্ত করেন। তালিকা ঘেঁটে দেখা যায়, ২১২ নম্বর মাফুজা খাতুন ও ২৩০ নম্বর সেলিনা খাতুন- দু’জনই শফিকুল ইসলামের বড় ভাইয়ের স্ত্রী। এছাড়া ২১০ নম্বর খোতেজা বেগম (মামি), ২১৪ নম্বর রিমা বেগম (চাচি), ২১৬ নম্বর আলেয়া বেগম (চাচি), ২১৭ নম্বর আমেনা বেগম (চাচি) এবং ১৮২ নম্বর শেফালী বেগম (খালা) সকলেই তালিকায় স্থান পেয়েছেন। এ বিষয়ে বাঘাপাড়া গ্রামের বাসিন্দা আব্দুর নুর বলেন, শফিকুল মেম্বার একজন দুর্নীতিবাজ লোক। গরিব মানুষকে বাদ দিয়ে আত্মীয়দের নাম তালিকায় ঢুকিয়েছে। টাকা ছাড়া তিনি কোনো কাজ করেন না। আমরা তার বিচার চাই। অভিযুক্ত ইউপি সদস্য শফিকুল ইসলাম বলেন, “উপজেলা মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর নিজস্বভাবে তদন্ত করে তালিকা করেছে। এবারের তালিকায় আমাদের কোনো হাত নেই। উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা জানান, অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত করে শফিকুল ইসলামের স্ত্রী ও এক আত্মীয়ের নাম তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। তাকে অফিসে ডেকে ভর্ৎসনা করা হয়েছে।” উপজেলা নির্বাহী অফিসার আসিফ আল জিনাত বলেন, “নীতিমালা অনুযায়ী তালিকা করা হয়েছে। কোথাও অনিয়ম হয়ে থাকলে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।