ঢাকাSaturday , 21 March 2015
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

সমন্বিত কৃষি উন্নয়নের মাধ্যমে পুষ্টি ও খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ প্রকল্পের অবহিতকরণ কর্মশালা

Link Copied!

কর্মশালায় বক্তব্য রাখছেন কৃষি মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব বিজয় ভট্টাচার্য

কর্মশালায় বক্তব্য রাখছেন কৃষি মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব বিজয় ভট্টাচার্য

নিজস্ব প্রতিবেদক : কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অধীনে ‘সমন্বিত কৃষি উন্নয়নের মাধ্যমে পুষ্টি ও খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ’ প্রকল্পের অবহিতকরণ কর্মশালা আজ ২১ মার্চ শনিবার কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের আ.কা.মু. গিয়াসউদ্দিন মিলকী অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত হয়। প্রকল্পের কার্যক্রমসমূহ প্রকল্প সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান, সংস্থা, ডিএই কর্মকর্তা ও কৃষক-কৃষাণীদের অবহিত করা এবং ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা বিষয়ে পর্যালোচনার জন্য  এ কর্মশালার আয়োজন করা হয়। এ কর্মশালায় দেশের চর, হাওর ও দরিদ্রপ্রবণ ২৯টি জেলার ৮৮টি উপজেলার ডিএই-এর বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা, কৃষক প্রতিনিধি, পরিকল্পনা কমিশন, আইএমইডিসহ প্রকল্প সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান ও সংস্থার কর্মকর্তারা অংশগ্রহণ করেন।
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক এ জেড এম মমতাজুল করিমের সভাপতিত্বে কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কৃষি মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব বিজয় ভট্টাচার্য । বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কৃষি মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব (সম্প্রসারণ উইং) মো. মোশারফ হোসেন এবং যুগ্ম প্রধান (পরিকল্পনা উইং) মনজুরুল আনোয়ার।
প্রধান অতিথি বিজয় ভট্টাচার্য বলেন, বর্তমান সরকারের যুগোপযোগী পরিকল্পনা গ্রহণ ও বাস্তবায়নের ফলে কৃষিখাতে ব্যাপক উন্নতি হয়েছে। প্রকল্পের কাঙ্ক্ষিত ফলাফলে যে সকল বিষয় উল্লেখ করা হয়েছে সেটি অত্যন্ত কৃষিবান্ধব; এটি অর্জনে সংশ্লিষ্ট সকলকে নিষ্ঠা ও আন্তরিকতার সাথে  কাজ করার আহ্বান জানান তিনি। এ সময় তিনি আরও বলেন, মানসম্মত ও উন্নতমানের কৃষি যন্ত্রপাতি কৃষকদের মাঝে পৌঁছে দিতে পারলে কৃষির আধুনিকীকরণের পাশাপাশি উৎপাদন বৃদ্ধিতে সহায়ক হবে এবং কৃষি শ্রমিকের ঘাটতি দূর হবে।
বিশেষ অতিথি মো. মোশারফ হোসেন বলেন, চাষাবাদ এবং ফসল সংগ্রহের সময় আমাদের দেশে কৃষি শ্রমিকের প্রাপ্যতা দিন দিন কমছে। উন্নত কৃষি ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধির জন্য আমাদের কৃষি যান্ত্রিকীকরণের দিকে নজর দিতে হবে। এই প্রকল্প কৃষি যান্ত্রিকীকরণের কাজ করবে।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে মনজুরুল আনোয়ার বলেন, খাদ্য উৎপাদনে আমরা অনেক দূর পর্যন্ত এগিয়েছি। দেশের মানুষের পুষ্টির চাহিদা পূরণে এ প্রকল্পটি অত্যন্ত সময়োপযোগী। চাষীরা যে উচ্চ গুণাগুণ সম্পন্ন ফসল উৎপাদন করছেন তা যেন কেমিক্যামুক্ত নিরাপদ হয় সে বিষয়টি নিশ্চিত করার আহ্বান জানান তিনি।
কর্মশালায় বক্তারা বলেন, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর কর্তৃক বাস্তবায়িত ‘দারিদ্র্য দূরীকরণ ও খাদ্য নিরাপত্তা জন্য সমন্বিত কৃষি উন্নয়ন’ শীর্ষক প্রকল্পের সফলতার ধারাবাহিকতায় এ প্রকল্প গ্রহণ করা হয়। প্রকল্পটি দেশের চর, হাওর, দরিদ্রপ্রবণ এলাকার ৮৮টি উপজেলায় বাস্তবায়িত হবে। বক্তারা আরও বলেন, চর, হাওর ও দরিদ্রপ্রবণ এলাকার পুষ্টি এবং খাদ্য নিরাপত্তা অর্জনের জন্য প্রকল্পটি গ্রহণ করা হয়। চর, হাওর এলাকায় আধুনিক চাষাবাদ ও প্রযুক্তি বিস্তারের মাধ্যমে কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধির সুযোগ রয়েছে।
প্রকল্প পরিচালক কৃষিবিদ মহাম্মদ মাইদুর রহমান বলন, প্রকল্পভুক্ত উপজেলার প্রত্যেকটি ইউনিয়নে ১টি করে কৃষক গ্রুপ গঠন করা হবে। প্রতিটি কৃষক গ্রুপের মাঝে কৃষি যন্ত্রপাতি বিতরণসহ কৃষির আধুনিক প্রযুক্তির তথ্যাদি প্রদান করা হবে। প্রকল্পের আওতায় পুষ্টি বিষয়ে কৃষক-কৃষাণী, এনজিও কর্মী, ইমাম ও ডিএই’র বিভিন্ন পর্যায়ে কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ এবং স্কুল, মাদ্রাসায় পুষ্টি সচেতনতামূলক প্রচারণাসহ বিভিন্ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হবে। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, পুষ্টি বিষয়ক প্রশিক্ষণ ও সচেতনামূলক কর্মকাণ্ড সঠিকভাবে বাস্তবায়রান করা গেলে প্রকল্প এলাকায় পুষ্টি সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধি পাবে।
প্রকল্পটি সঠিকভাবে বাস্তবায়ন করা গেলে দেশের ২৯টি জেলার ৮৮টি উপজেলায় বহুবিধ শস্য প্রবর্তন, আধুনিক ও উন্নত কৃষি প্রযুক্তি সম্প্রসারণ, শস্য নিবিড়তা বৃদ্ধি, কৃষি যান্ত্রিকীকরণ, পুষ্টি সম্পর্কে সচেতনতা সৃষ্টি, কৃষকের আয় ও কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টির মাধ্যমে পুষ্টি ও খাদ্য নিরাপত্তা অর্জন করা সম্ভব হবে বলে কর্মশালায় জানানো হয়।