কুড়িগ্রাম সদর, রাজারহাট ও ফুলবাড়ী উপজেলা নিয়ে গঠিত মহান জাতীয় সংসদের ২৬, কুড়িগ্রাম-২ আসন। এই আসনে বিএনপি’র পক্ষে জনমত গঠনে কাজ করে যাচ্ছেন কুড়িগ্রাম জেলা বিএনপির সদস্য সচিব আলহাজ্ব সোহেল হোসনাইন কায়কোবাদ। তিনি ১৯৭০ সালের ২৯ ডিসেম্বর কুড়িগ্রাম জেলার পুরাতন স্টেশন এলাকায় জন্ম গ্রহন করেন। তার পিতা- বরেণ্য শিক্ষক এবং বিজ্ঞ আইনজীবি সর্বজন শ্রদ্ধেয় ব্যক্তিত্ব মরহুম আলহাজ্ব আব্দুল কুদ্দুস, মাতা- কুড়িগ্রাম ১নং সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রাক্তন প্রধান শিক্ষিকা আলহাজ্ব সখিনা খাতুন। এই দম্পতির ৬ সন্তানের মধ্যে ৩য় সন্তান সোহেল হোসাইন কায়কোবাদ। তিনি ১৯৮৭ সালে মাধ্যমিক, ১৯৮৯ সালে উচ্চ মাধ্যমিক এবং এরপরে ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগে পড়াশুনা শেষ করেন। আলহাজ্ব সোহেল হোসনাইন কায়কোবাদ ছোট বেলা থেকেই রাজনীতির সাথে জড়িয়ে পড়েন, ১৯৮৬ সালে সক্রিয়ভাবে ছাত্রদলের রাজনীতিতে জড়িয়ে পরেন। ১৯৮৮ সালে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কুড়িগ্রাম শহর শাখার সাধারণ সম্পাদক মনোনীত হন। ১৯৯১ সালে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কুড়িগ্রাম জেলা শাখার আহ্বায়ক কমিটির সদস্য মনোনীত হন। ১৯৯২ সালে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কুড়িগ্রাম জেলা শাখার সভাপতি নির্বাচিত হন। ২০০২ সালে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদল কুড়িগ্রাম জেলা শাখার আহ্বায়ক মনোনীত হন। ২০০৩ সালে সরাসরি ভোটের মাধ্যমে যুবদল কুড়িগ্রাম জেলা শাখার সভাপতি নির্বাচিত হন। তিনি ২০১০ থেকে ২০২৪ সালের ৬ অক্টোবর পর্যন্ত ২ দফায় জেলা বিএনপির কাউন্সিলে জেলার ১নং যুগ্ম সম্পাদকের দায়িত্ব নিষ্ঠার সাথে পালন করেছেন। ২০১৮ সালের জাতীয় নির্বাচনে তিনি বিএনপি থেকে ২৬, কুড়িগ্রাম-২ আসনে দলীয় মনোনয়ন লাভ করেন। পরবর্তীতে এই আসনটি ড. কামাল হোসেনের যুক্তফ্রন্টকে ছেড়ে দেয়া হয়। আওয়ামী লীগ সরকারের দুঃশাসনের বিরুদ্ধে আন্দোলন করতে গিয়ে মিথ্যা মামলার প্রধান আসামী হিসেবে দীর্ঘদিন তাকে পরিবার থেকে আলাদা করে ও তাঁকে ও তার পরিবারের সদস্যদের নানা ভাবে হয়রানি করে তৎকালীন আওয়ামী লীগ। তিনি ২০২৪ সালের ২৩ ডিসেম্বর কুড়িগ্রাম জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য সচিব নির্বাচিত হন। আলহাজ্ব সোহেল হোসনাইন কায়কোবাদের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা ও বলিষ্ঠ নেতৃত্বে কুড়িগ্রাম জেলা বিএনপি সকল প্রতিকূলতা দুর করে দুর্বার গতিতে এগিয়ে চলছে । তিনি প্রতিদিন ২৬, কুড়িগ্রাম-২ আসনে তার নির্বাচনী এলাকায় শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ১৯ দফা এবং দেশ নেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার আদর্শ ও বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ঘোষিত রাষ্ট্র কাঠামো মেরামতের ৩১ দফা কর্মসূচী সাধারণ মানুষের মাঝে পৌছে দিতে নিরলস ভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।

