ঢাকাWednesday , 20 August 2025
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

দুর্নীতিবাজ কাস্টমস কর্মকর্তা জাকিরের পেটে ভ্যাট প্রকল্পের আড়াই হাজার কোটি টাকা

এন. মোমেন
August 20, 2025 11:42 pm
Link Copied!

ঢাকা কাস্টমস হাউজের দুর্নীতিবাজ কমিশনার জাকির হোসেন এখনও ধরাছোঁয়ার বাইরে। তার বিরুদ্ধে দুর্নীতির ভয়াবহ অভিযোগ থাকার পরেও কর্তৃপক্ষ রহস্যজনক কারণে নীরব। দুর্নীতিবাজ কমিশনার জাকির হোসেন স্বৈরশাসকের অন্যতম দোসর হলেও এনবিআর কিংবা সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় কার্যকরী ব্যবস্থা না নেওয়ায় সংশ্লিষ্ট মহলে তীব্র অসন্তোষ বিরাজ করছে। দেশ স্বৈরাচার মুক্ত হলেও দুর্নীতিবাজরা এখনও বহাল তবিয়তে। ঢাকা কাস্টমস হাউজের চিহ্নিত এই দুর্নীতিবাজ কমিশনার জাকির হোসেনকে নিয়ে চাঞ্চল্যকর তথ্য সম্বলিত একটি অভিযোগ দুর্নীতি দমন কমিশনে দায়ের করা হয়েছে। অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, এনবিআরের ইতিহাসে মহা দুর্নীতিবাজ মাফিয়া ডন সাবেক চেয়ারম্যান নজিবুরের দুর্নীতির প্রকল্প ছিলো ভ্যাট অনলাইন প্রকল্প। উক্ত প্রকল্পে কেনাকাটায় কয়েক হাজার কোটি টাকা লোপাট করা হয়েছে। এই প্রকল্পের সর্বনাশ করে নজিবুরের বাসায় খাবার বা বিদেশ ভ্রমনের অর্থের যোগান দিতেন দুর্নীতিবাজ কাস্টমস কমিশনার জাকির হোসেন। দুর্নীতির দায়ে অভিযুক্ত এই কাস্টমস কর্মকর্তার লোপাটের কারণে ভ্যাট অনলাইন প্রকল্প পুরোপুর ব্যর্থ হয়েছে বলে সুনির্ষ্টি অভিযোগ রয়েছে। যে কারণে রাষ্ট্রের ২৬০০ কোটি টাকার প্রকল্প আজও আলোর মুখ দেখেনি। অথচ লুটেরা কাস্টমস কর্মকর্তা জাকির হোসেন এখনও বহাল তবিয়তে। তিনি নামে বেনামে নিজস্ব প্রতিষ্ঠানের নামে ভ্যাট অনলাইনের কার্যাদেশ কজ্বায় এনে কামিয়েছেন শতকোটি টাকা। কমিশনার তার শ্যালকের নামে মিডিয়া ব্রান্ডের এসি ক্রয় করে ৪০ হাজার টাকার স্থলে ১ লাখ ৩০ হাজার টাকা দেখিয়ে বিশাল অর্থ আত্মসাৎ করা হয়েছে। কাস্টমস কমিশনার জাকির হোসেনের নামে বেনামে রয়েছে অসংখ্য প্রতিষ্ঠান। তার স্ত্রীর নামেও একাধিক প্রতিষ্ঠান রয়েছে। অভিযোগে আরও জানা গেছে, যশোরে কাস্টম এক্সাইজ ও ভ্যাটের কমিশনার থাকাকালীন সময়ে তার স্ত্রীর স্বর্ণের বারসহ ঢাকার আভ্যন্তরীণ বিমানবন্দরে গোয়েন্দা সংস্থার হাতে আটক হওয়ার বিষয়টি সেই সময় ব্যাপকভাবে আলোচিত হয়। সূত্র জানায়, রাজধানীর অভিজাত এলাকায় অবস্থিত একটি দামী ক্লাবের সদস্য হয়েছেন। যেখানে তিনি ৩০ লাখ টাকা ব্যয় করেছেন। নানা কৌশলে তিনি আজ কোটি কোটি টাকার মালিক বনে গেছেন। অভিযোগের পাহাড় থাকার পরেও রাস্ট্রীয় আইনকে বৃদ্ধাঙ্গুলী দেখিয়ে এখনও কাস্টমস কর্মকর্তা জাকির হোসেন বহাল তবিয়তে। বিগত স্বৈরশাসক শেখ হাসিনার দোসরদের অনেককেই তিনি ম্যানেজ করে লোভনীয় পোস্টিং বাগিয়ে নিয়েছেন। তবে জাকির হোসেনের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়েরের পর দুর্নীতি দমন কমিশন বিষয়টি নিয়ে নড়েচড়ে বসেছে। এসব অভিযোগের ব্যাপারে বুধবার রাতে কাস্টম কমিশনার জাকির হোসেনের মোবাইলে বেশ কয়েকবার যোগাযোগ করেও তাকে পাওয়া যায়নি। এই দুর্নীতিবাজ কাস্টমস কর্মকর্তার বিরুদ্ধে তদন্তপূর্বক কার্যকরী ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য এনবিআর চেয়াম্যানের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন বোদ্দামহল। (দৈনিক পাঞ্জেরীর পক্ষ থেকে সার্বিক বিষয় গভীর তথ্যানুসন্ধান শেষে পাঠকদের জন্য পরবর্তী সংখ্যায় প্রকাশ করা হবে)