নির্বাচন কমিশনার আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ বলেছেন, ‘রাজনৈতিক দলগুলো ব্যক্তি পর্যায়ে ১০ লাখ টাকা এবং প্রতিষ্ঠান পর্যায়ে ৫০ লাখ টাকা অনুদান নিতে পারত। এটা এখন উভয় ক্ষেত্রে ৫০ লাখ টাকা করা হয়েছে। তবে শর্ত হচ্ছে, ব্যাংক অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে এ লেনদেন হতে হবে এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির ট্যাক্স রিটার্নে দেখাতে হবে।’
সোমবার (১১ আগস্ট) নবম কমিশন সভা শেষে নির্বাচন কমিশনার আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আরপিওতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সংজ্ঞায় সশস্ত্র বাহিনী বিভাগকে অন্তর্ভুক্ত করাসহ একগুচ্ছ সংশোধন এনে গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ ১৯৭২ (আরপিও) অধ্যাদেশ ২০২৫ চূড়ান্ত করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ বলেন, আরপিওতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সংজ্ঞায় সশস্ত্র বাহিনী বিভাগকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। ইভিএম সংক্রান্ত যাবতীয় বিধি বিলুপ্ত করা হয়েছে। ‘না ভোটের’ বিধান করা হয়েছে। কোনো আসনে একজন প্রার্থী থাকলে শুধু সেখানে ‘না ভোট’ থাকবে।
তিনি আরও বলেন, ইসি অবস্থা বুঝে নির্বাচনে ফলাফল স্থগিত করতে পারবে, যা আগে ছিল না। এ ছাড়া সমভোট হলে লটারি প্রথা বিলোপ করে পুনঃভোট হবে।
প্রধান নির্বাচন কমিশনার এএমএম নাসির উদ্দিন সভাপতিত্বে সভায় চার নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ, তাহমিদা আহমদ, মো. আনোয়ারুল ইসলাম সরকার, আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ এবং ইসি সচিব আখতার আহমেদসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে বৃহস্পতিবার (৭ আগস্ট) দিনভর আলোচনা চলে। সেদিন কয়েকটি বিষয় নিয়ে সিদ্ধান্ত হলেও আরপিও নিয়ে কোনো সিদ্ধান্তে আসতে পারেনি ইসি।

