ঢাকাSunday , 10 August 2025
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

নতুন ভোটার হচ্ছে ৪৫ লাখ, বাদ যাচ্ছে ২১ লাখ

Link Copied!

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে সম্পূরক খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশ করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। রোববার (১০ আগস্ট) এ তালিকা প্রকাশ করেন ইসির সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ।
খসড়া অনুযায়ী ভোটার তালিকায় যুক্ত হচ্ছে নতুন করে ৪৫ লাখ ভোটার, আর মৃত তালিকা থেকে বাদ যাচ্ছে ২১ লাখ ভোটার। সংশ্লিষ্ট সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।
সম্পূরক ভোটার তালিকা প্রকাশ হওয়ায় যোগ্য ব্যক্তির নাম অন্তর্ভুক্তি, মৃত্যুজনিত বা অন্তর্ভুক্তি হওয়ার অযোগ্য ব্যক্তির নাম কর্তন, ভোটার স্থানান্তর এবং কোনো সংশোধন বা ত্রুটি-বিচ্যুতি দূর করার জন্য দরখাস্ত (ফরম-২, ফরম-১২, ফরম-১৩ ও ফরম-১৪-এর মাধ্যমে দরখাস্ত করতে হবে) দাখিল করা যাবে ২১ আগস্ট পর্যন্ত।
সচিব আখতার আহমেদ জানান, খসড়া তালিকার ওপর দাবি-আপত্তি জমা দেওয়া যাবে ২১ আগস্ট পর্যন্ত। এসব দাবি-আপত্তি নিষ্পত্তি করে চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হবে ৩১ আগস্ট।
তিনি জানান, সারাদেশের নির্বাচন অফিসগুলোতে একযোগে রোববার হালনাগাদ ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। হালনাগাদ ভোটার তালিকায় নতুন যুক্ত হয়েছে ৪৫ লাখ ৭১ হাজার ২১৬ জন ভোটার।
সচিব বলেন, আইন অনুযায়ী এ বছরের ২ মার্চ ভোটার তালিকা প্রকাশ করেছিল ইসি। তখন ভোটার ছিল ১২ কোটি ৩৭ লাখ ৩২ হাজার ২৭৪ জন। ভোটার তালিকা হালনাগাদ কার্যক্রমে বাড়ি বাড়ি গিয়ে ৪৫ লাখ ৭১ হাজার ২১৬ জনকে নতুন করে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। তবে মৃত ও কর্তন করা ভোটার হিসেবে ২১ লাখ ৩২ হাজার ৫৯০ জনকে বাদ দেওয়া হয়। ৩১ আগস্ট চূড়ান্ত হালনাগাদ ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হবে।
তিনি আরও বলেন, এছাড়া আগামী ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত যাদের বয়স ১৮ বছর পূর্ণ হবে, তারাও ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হতে পারবেন। নবীন ভোটারদের এক বছর অপেক্ষা না করানোর জন্য নতুন আইনে এ সুযোগ রাখা হয়েছে।
সচিব জানান, এ বছর আসলে মোট তিনটি ভোটার তালিকা প্রকাশ করবে ইসি। ২ মার্চ প্রকাশের পর ৩১ আগস্ট এবং ৩১ অক্টোবর প্রকাশিত তালিকাগুলো প্রকাশ হবে।
এর আগে রোববার সকালে খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশের পর সারাদেশের নির্বাচন কর্মকর্তারা সেটি নির্দিষ্ট স্থানে সাঁটিয়ে দেন। এতে কারও তথ্যে ভুল থাকলে সংশোধনের সুযোগ মিলবে ১২ দিন। যোগ্য ব্যক্তির নাম অন্তর্ভূক্তি, মৃত্যুজনিত বা অন্তর্ভূক্তি হওয়ার অযোগ্য ব্যক্তির নাম বাদ দেওয়া, ভোটার স্থানান্তর এবং কোনো সংশোধন বা ত্রুটি-বিচ্যুতি দূর করার জন্য ২১ আগস্ট পর্যন্ত আবেদন করা যাবে।
এসব আবেদন নিষ্পত্তি হবে ২৪ আগস্টের মধ্যে। এরপর অন্যান্য কাজ শেষে চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করা হবে ৩১ আগস্ট।