ঢাকাMonday , 4 August 2025
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

আইনশৃংখলা নিয়ন্ত্রণে স্বার্থক ওসি সাজ্জাদ রোমান

Link Copied!

ছাত্র-জনতার গণঅভ্যর্থনে হাসিনা সরকার পতনের পর ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করছে পুলিশ। কিন্তু অর্থ সংকটের কারণে মামলার তদন্ত কাজ মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। তাছাড়া পুলিশের বিভিন্ন থানা ও ইউনিটিতে জনবল কম থাকায় নির্ধারিত সময়ের চেয়ে অধিক পরিমাণে ডিউটি করতে হচ্ছে। ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর পুলিশ জনগণের কাঙ্খিত সেবা দেয়ার জন্য কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। বাংলাদেশ পুলিশের অপারেশনাল কার্যক্রম আরো গতিশীল করার লক্ষ্যে ডিএমপির ৫০ টি থানায় কর্মরত অফিসার ইনচার্জ সহ সকল পুলিশ সদস্য, পুলিশ বাহিনীর ভাবমূর্তি ফিরিয়ে আনতে এবং জনগণের কাছে ইতিবাচক প্রশংসা কুড়াতে নিরলস ভাবে দিনরাত সেবায় নিয়োজিত রয়েছেন। মাদক বিরোধী অভিযান এবং অপরাধীদের গ্রেফতার করতে আলাদা আলাদা টিমও গঠন করা হয়েছে। ডিএমপির মিরপুর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ ( ওসি) মোঃ সাজ্জাদ রোমান তার অধিনস্থ অফিসার এবং ফোর্সদের নিয়ে আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে ইতোমধ্যে মিরপুরবাসীর কাছে দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। ফিরিয়ে এনেছেন থানার শৃঙ্খলা। ভুক্তভোগীরা থানায় গিয়ে আগের মতো হয়রানির শিকার হচ্ছেননা। কাঙ্খিত সেবা পেতে পুলিশকে টাকাও দিতে হচ্ছেনা। অপরাধ কিম্বা অনৈতিক কাজের দায়ে কোন পুলিশ অফিসার এবং একজন ফোর্সকেও বরখাস্ত বা ক্লোজ করার অভিযোগ নেই জানালেন মিরপুর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ সাজ্জাদ রোমান। স্বতঃস্ফূর্তভাবে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের কয়েকজন নেতাকে চাঁদাবাজির অভিযোগে গ্রেফতার করতে একটুও পিচপা হোননি সাজ্জাদ রোমান। বিএনপির ছাত্রদল ও যুবদলের নেতাদের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির নির্দিষ্ট অভিযোগ থাকায় তাদেরকে গ্রেফতার করতে কোন প্রকার দ্বিধা করেননি সাহসী এই পুলিশ অফিসার। মিরপুর জোন হচ্ছে, আওয়ামী লীগের ঘাটি। ছাত্র-জনতা হত্যা মামলার আসামি নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগ নেতাদেরকে গ্রেফতার করে চালান দিয়েছেন নির্দ্বিধায়। মাদকের বিরুদ্ধে ঘোষণা করেছেন জিরো টলারেন্স। আবাসিক হোটেল, সুপার হোস্টেল ও আবাসিক মেস গুলোতে অভিযান চালিয়ে সামাজিক ভাবে সম্মানিত হয়েছেন ওসি রোমান। অসামাজিক কর্মকাণ্ড নির্মূল করতে জড়িতদের গ্রেফতার করে জেল হাজতে প্রেরণ করেছেন। অনেক কাজের সাফল্য অর্জনের পেছনে রয়েছে সাজ্জাদ রোমানের সততা ও সাহস। তিনি প্রতিটি কাজের আগে তার উর্ধ্বতন স্যারদের পরামর্শ নিয়ে থাকেন। তার অধিনায়কত্ব মেনে থানার সকল পুলিশ সদস্য আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি উন্নতিকল্পে একযোগে কাজ করে যাচ্ছেন।মিরপুরবাসির স্পন্দনেও ঠাঁই করে নিয়েছেন ওসি সাজ্জাদ রোমান। ৩ আগস্ট ( রবিবার) বিকেল সাড়ে তিন টায় মিরপুরের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে জানতে মিরপুর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ সাজ্জাদ রোমানের সঙ্গে সরাসরি কথা হয় এ প্রতিবেদকের। এসময় তিনি মিরপুরের আইনশৃঙ্খলা ও রাজনৈতিক অবস্থাসহ সব বিষয়ে খোলামেলা আলাপ করেন। সাজ্জাদ রোমান বলেন, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সামাল দিতে হিমশিম খেতে হয় পুলিশ বাহিনীকে। প্রতিটি মুহূর্ত আমরা চ্যালেঞ্জ নিয়ে কাজ করে আসছি। আইজিপি মহোদয়ের চৌকস নেতৃত্ব ও বিচক্ষণতা, পুলিশ কমিশনারের সঠিক দিকনির্দেশনা এবং প্রতিটি জোনের উপ-পুলিশ কমিশনারের ধৈর্যের সাথে নিরলস পরিশ্রমে ডিএমপির আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি পুলিশের নিয়ন্ত্রণে এসেছে। তিনি বলেন, মিরপুর ঘনবসতি এলাকা। প্রায় বিশ লাখ মানুষ বসবাস করেন মিরপুরে। সন্ত্রাস, মাদক ব্যবসায়ী এবং চাঁদাবাজদের উৎপাতে এলাকাবাসী অতিষ্ঠ হয়ে পড়ে ছিলো। চাঁদাবাজদের ভয়ে অনেকেই পালিয়ে বেড়াতেন। প্রকাশ্যে ছিনতাই হতো। মাদক ব্যবসায়ীরা যেখানে সেখানে প্রকাশ্য দিবালোকে মাদকদ্রব্য বিক্রি করতো। উপ-পুলিশ কমিশনার মাকছুদের রহমান, পিপিএম স্যারের চৌকস নেতৃত্বে আমার ফোর্সদের নিয়ে শক্তহাতে দমন করতে সক্ষম হয়েছি। সাজ্জাদ রোমান আরো জানান, ৫ আগস্টকে ঘিরে যে গুঞ্জন শোনা যায়, সে উপলক্ষ্যে থানা এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। তিনটি চেক পোস্ট বসানো হয়েছে। বারেক মোল্লা (৬০ ফিট),মিসকো সুপার মার্কেটের সামনের রাস্তা ও মিরপুর ১ থেকে ১০ নাম্বার যাওয়ার মধ্যবর্তী জার্মান টেকনিক্যালের সামনের রাস্তায় চেক পোস্ট চলমান রয়েছে। টহল পার্টি ও হোন্ডা মোবাইল সহ থানার বিশেষ এলাকায় বিশেষ টহল এবং নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। এছাড়াও আবাসিক হোটেল, সুপার হোস্টেল ও আবাসিক মেসগুলোতে বিশেষ তল্লাশি অব্যাহত আছে। তিনি এটাও বলেন, এ পর্যন্ত কোন অনৈতিক কার্যক্রমে একজন পুলিশ সদস্যও বরখাস্ত হয়নি। কারণ প্রতি সপ্তাহে আমি রুলকল নিয়ে ফোর্স/অফিসারদের সুবিধা-অসুবিধা শুনি। ভুক্তভোগীদের বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে মিরপুর মডেল থানার ওসি বলেন, প্রতিদিন ৯৯৯ এ ৪০/৫০ টি কল রিসিভ করতে হয়। থানার মোবাইল টিমগুলো ঘটনাস্থলে গিয়ে সরজমিনে পরিদর্শন করেন। যেসব বিষয়ে মামলার দরকার হয়, সেসব বিষয়ে মামলা নেয়া হয়। আর যেগুলো জিডি করা হয় তা সঠিকভাবে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়। কোন রাজনৈতিক দল প্রোগ্রাম করার জন্য নিরাপত্তা চেয়ে চিঠি দিলে তাদেরকে পূর্ণাঙ্গভাবে সহযোগিতা করা হয়। মাদক নির্মূলে মাসে ৭ দিন বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়। তিনি আরো বলেন, সম্প্রতি মিরপুর মডেল থানার ২ নাম্বার বিট এলাকার ডুইপ আবাসিক এলাকায় নাগরিকদের নিয়ে এন্টি ক্রাইম সভার আয়োজন করা হয়। জনগণের সাথে পুলিশের মিথস্ক্রিয়া খুবই দরকার। জনগণের নিকট পুলিশের সেবা বিষয় অবহিত করা প্রয়োজন। পুলিশ কি কি পারে না, সেই বিষয়েও অবহিত করা হয়েছে নাগরিকদের।জুলাই-আগস্টে খোয়া যাওয়া ৩ টি পিস্তল, ১ টি শর্ট গান, ২৯৫ রাউন্ড গুলি এবং পরের দাফে ১৯৭ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়েছে বলে ওসি সাজ্জাদ রোমান জানান।
প্রতিবেদকের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে ওসি সাজ্জাদ রোমান বলেন, বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে হত্যাকাণ্ডে শেখ হাসিনার দোসর যুবলীগ নেতা এসএম জাহিদ ও কাউন্সিলর জনির অন্যতম ১৩ জন সহযোগীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। যার মামলা নম্বর-৯, তারিখ ১৫/০৮/২৪, ধারা-৩০২/৩৪। গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে মিতুল ১৬৪ ধারা জবানবন্দিতে স্বীকারোক্তি দিয়েছে যে, জাহিদ ও জনির নির্দেশে এবং শেখ হাসিনার বক্তব্যে উচ্ছ্বসিত হয়ে মিরপুরে হত্যাকাণ্ড ঘটায়। এছাড়াও ছাত্র আন্দোলনের সাথে সম্পৃক্ত কয়েকজনকে চাঁদাবাজির অভিযোগে প্রমাণ সাপেক্ষে গ্রেফতার করা হয়েছে। সন্ত্রাস বিরোধী আইনে একটি মামলাও নেয়া হয়েছে। কল্যাণপুর বস্তির চাঁদাবাজ তরিকুল, উজ্জল ও মিরপুর ১ এর ইটা বাবুলকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ফেইসবুকে ভাইরাল শেওড়া পাড়া ছিনতাইয়ের ঘটনায় ৪৮ ঘন্টার মধ্যে তিন ছিনতাইকারীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। থানার ৫০ টি মামলা হলে ২০ টিই মাদকের মামলা বলে জানান ওসি সাজ্জাদ রোমান।
জানতে চাওয়া হলে ওসি সাজ্জাদ রোমান বলেন, অল্প সংখ্যক পুলিশ সদস্য নিয়ে আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছে। ১২/১৪ ঘন্টা করে প্রতিজন পুলিশ সদস্য ডিউটি করেন। তবে প্রতিজন পুলিশ সদস্য আন্তরিক। মিরপুর মডেল থানায় ৩৮ জন সাব ইন্সপেক্টর, ৩২ জন এএসআই, ৪০ জন ফোর্স এবং ১২ জন মহিলা পুলিশ রয়েছেন। তারা প্রত্যেকেই নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করেন বলে ওসি সাজ্জাদ রোমান জানিয়েছেন। মিরপুর মডেল থানার মামলার নথিপত্র সূত্রে জানা যায়, মিছিল ও বিশৃঙ্খলার চেষ্টাকালে নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগের সাবেক দুই কর্মী শহীদুল ও টুটুলকে আটক করেছে পুলিশ ও স্থানীয় জনতা। আটকৃত আসামিদের বিরুদ্ধে মিরপুরের ২ নাম্বার ও ১০ নাম্বারে বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনরত ছাত্র ছাত্রীদেরকে হত্যাকান্ডের সাথে জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে। গত ৯ জুলাই শীর্ষ সন্ত্রাসী চাঁদাবাজ পারভেজকে ৯৯/২/৩ (আলী মিয়া টেক) পীরেরবাগ থেকে গ্রেফতার করা হয়। তার বিরুদ্ধে ডিএমপির বিভিন্ন থানায় একাধিক মাদক ও চাঁদাবাজির মামলাসহ মিরপুর মডেল থানায় ৩টি মাদক ও চাঁদাবাজির মামলা আছে। গত ৮ জুলাই অফিসার ইনচার্জের নেতৃত্বে আকস্মিকভাবে বিভিন্ন আবাসিক হোটেল ঢাকা প্যালেস, হোটেল সিঙ্গাপুর,হোটেল প্রাইম ইন এ অভিযান চালানো হয়। অভিযান চলাকালে হোটেল ঢাকা প্যালেসে অনৈতিক কাজে লিপ্ত থাকায় ২ জন মেয়ে ও ২ জন ছেলে এবং উক্ত কাজের সহায়তা করার জন্য ৩ জন স্টাফকে গ্রেফতার করা হয়।
কল্যাণপুর বস্তি থেকে চাঁদাবাজ তরিকুলকে গ্রেফতার করা হয়।
মিরপুর সনি এলাকার চিহ্নিত চাঁদাবাজ বাবুল ওরফে ইটা বাবুলকে গ্রেফতার করা হয়েছে। সে বিএনপির একজন বহিষ্কৃত নেতা। এছাড়াও বিভিন্ন ব্র্যান্ডের ১৫টি মোবাইল ফোন উদ্ধার করে প্রকৃত মালিকদের বুঝিয়ে দেয়া হয়েছে। মোবাইল ফোন হারিয়ে যাওয়া এবং চুরির ঘটনায় মোবাইল ফোন মালিকদের সাধারণ ডায়েরি (জিডি) ও অভিযোগের প্রেক্ষিতে তথ্য-প্রযুক্তির সহায়তায় এএসআই কামাল হোসেন ১৫টি মোবাইল ফোন উদ্ধার করেন। অফিসার ইনচার্জ সাজ্জাদ রোমন উদ্ধারকৃত মোবাইল ফোন প্রকৃত মালিকদের নিকট হস্তান্তর করেন। হারিয়ে যাওয়া মোবাইল ফোনগুলো দ্রুততম সময়ে ফিরে পেয়ে আনন্দিত হয়ে মোবাইল ফোন মালিকরা পুলিশের প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন। ভুক্তভোগীরা মিরপুর মডেল থানা পুলিশের ব্যাপক প্রশংসা করেন। গত ৬ জুলাই মিরপুরে আধিপত্য বিস্তার ও রাজনৈতিক দ্বন্দ্বের জেরে ১২ নম্বর ওয়ার্ডের যুবদল সভাপতি পদপ্রার্থী মোঃ রাশেদ ও মিরপুর থানা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক পিয়ারু ইসলাম রমজান এবং তার চাচাতো ভাই আলামিনের নেতৃত্বে একটি কিশোর গ্যাং মিলে ১৪ বছর বয়সী কিশোর মোঃ জুবায়েরকে তুলে নিয়ে যায় এবং পৈশাচিক নির্যাতন চালায়। ৭ জুলাই মনিপুরে চাঁদাবাজির ঘটনায় চারজনকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃত আনোয়ার হোসেন তাবিদ, মোঃ মিন্টু মিয়া, মোঃ রতন মিয়া ও মোঃ ইসমাইল হোসেন জিম্মি করে আওয়ামী লীগের ফ্যাসিস্ট বলে ২০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে। তারা বিভিন্ন উপায়ে তাদেরকে ৫ লাখ টাকা প্রদান করে। গত ১ আগস্ট কল্যানপুর নতুন বাজার, মিজান টাওয়ার এলাকায় অভিযান চালিয়ে কুখ্যাত চাঁদাবাজ মোঃ উজ্জল রহমানকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এছাড়া আলী রাজ নামক এক মাদক ব্যবসায়ীকে ২০ হাজার টাকা চুরির দায়ে গ্রেফতার করা হয়। তার বিরুদ্ধে ডিএমপির বিভিন্ন থানায় মাদক মামলা রয়েছে। পুলিশ বলছে, আলী রাজ মাদক ব্যবসায়ী। এভাবে প্রতিনিয়ত মিরপুর মডেল থানা পুলিশ অপরাধীদের গ্রেফতারে অব্যাহত রয়েছে।
মোঃ সাজ্জাদ রোমান কাজের স্বীকৃতি স্বরূপ আইজিপি ব্যাচ (২০২৫) পুরস্কারপ্রাপ্ত হয়েছেন। ২০২৪ সালের ৯ অক্টোবর মিরপুর মডেল থানায় তদন্ত অফিসার হিসেবে যোগদান করেন। ২০২৫ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি অফিসার ইনচার্জ পদে দায়িত্বপ্রাপ্ত হোন। ৫ আগস্টের আগে পিবিআইতে কর্মরত ছিলেন। ২০০৫ ব্যাচে সাব ইন্সপেক্টর পদে নিয়োগ প্রাপ্ত হয়ে নরসিংদীর শিবপুর থানা থেকে কর্মময় জীবন শুরু করেন। জামালপুর জেলা সদরে নোয়াপাড়ায় এক সম্ভ্রান্ত পরিবারে তিনি জন্মগ্রহণ করেন। বাবা-মৃত আমির খসরু। তিনি একজন সফল ব্যাংক কর্মকর্তা ছিলেন। মাতা-সাজেদা বেগম। দুই ভাই এক বোনের মধ্যে সাজ্জাদ রোমান বড়। বিবাহিত জীবনে স্ত্রী জান্নাত ও ৫ বছরের সন্তান সিয়াদ বিন সাজ্জাদকে নিয়ে সুখে-শান্তিতে জীবন যাপন করছেন মিরপুর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ সাজ্জাদ রোমান।