জিয়াউর রহমানের স্বাধীনতার ঘোষণার মধ্য দিয়েই মুক্তিযুদ্ধ শুরু হয়েছিল বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট আব্দুস সালাম আজাদ। বৃহস্পতিবার (২৯ মে) নয়াপল্টনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী সাংস্কৃতিক দলের উদ্যোগে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৬তম শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে বস্ত্র বিতরণের সময় তিনি এসব কথা বলেন। আব্দুস সালাম আজাদ বলেন, শেখ মুজিবুর রহমান ২৫ মার্চ এ দেশের জনগণকে একা করে পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর কাছে আত্মসমর্পণ করে। ২৬ মার্চ জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ঘোষণা করেন। তিনি স্বাধীনতার ঘোষণা করে বসে থাকেন নাই। রণাঙ্গনে যুদ্ধ করেছেন। এক নম্বর সেক্টরের সেক্টর কমান্ডার ছিলেন, জেড ফোর্স গঠন করেছিলেন। জিয়াউর রহমানের স্বাধীনতার ঘোষণার মধ্য দিয়েই মুক্তিযুদ্ধ শুরু হয়েছিল। এ দেশ স্বাধীন হয়েছে। তিনি বলেন, আবার যখন দেশ দিশেহারা, দেশের মানুষ দিশেহারা, দেশে গণতন্ত্র নাই, শৃঙ্খলা নাই, ঠিক তখনই শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান এ দেশের হাল ধরেন। দেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেন। দেশের প্রতিটি সেক্টরে উন্নয়নের কাজ শুরু করেন। দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া স্বৈরাচার এরশাদের বিরুদ্ধে আন্দোলন করে এরশাদকে পতন করেছেন, দেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেছেন। সেই দেশনেত্রী, তিন তিনবারের প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করে শেখ হাসিনা। মিথ্যা মামলায় ছয় বছর ধরে আটকে রাখে। আবার এ দেশের জনগণ ঐক্যবদ্ধ হবে, ফ্যাসিবাদ শেখ হাসিনাকে পতন করবে। এ সময় নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, আমাদের নেতা তারেক রহমানের নেতৃত্বে অতীতে আমরা যেমন ঐক্যবদ্ধ থেকে ফ্যাসিবাদ হাসিনার বিরুদ্ধে আন্দোলন করেছি, ঠিক তেমনি আগামীতেও ঐক্যবদ্ধ থেকে আগামীতে নিরপেক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে দেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করব। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, আপনার সরকারের বিরুদ্ধে বেশি বিদেশি ষড়যন্ত্র হচ্ছে। তাই দ্রুত নির্বাচন দিন। দেশকে ষড়যন্ত্রমুক্ত করুন। জাতীয়তাবাদী সাংস্কৃতিক দলের সভাপতি হুমায়ুন কবির বেপারীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন বিএনপির সাবেক তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক রেজাবুদ্দৌলাহ চৌধুরী, প্রজন্ম একাডেমির সভাপতি কালাম ফয়েজী, মহিদুল ইসলাম মামুন, শরিফুল ইসলাম, আমিনুল হক শাহীন, সৈয়দ মোজাম্মেল হোসেন শাহীন, মুক্তিযুদ্ধের প্রজন্ম সভাপতি ফারুক হোসেনসহ কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ।

