ঢাকাSunday , 25 May 2025
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

পতেঙ্গা সৈকতে গুলিবিদ্ধ সন্ত্রাসী আলী আকবর মারা গেছেন

Link Copied!

চট্টগ্রাম নগরের পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকতে দুর্বৃত্তদের গুলিতে আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন চিহ্নিত সন্ত্রাসী আলী আকবর ওরফে ঢাকাইয়া আকবর (৪৪)। রবিবার (২৫ মে) সকাল ৮টার দিকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের (চমেক) ইনটেনসিভ কেয়ার ইউনিটে (আইসিইউ) তার মৃত্যু হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন চমেক হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ নুরুল আলম আশেক। গত শুক্রবার (২৩ মে) রাত সাড়ে ৮টার দিকে পতেঙ্গা সৈকতের পশ্চিম পয়েন্টে ২৮ নম্বর দোকানের সামনে আড্ডারত অবস্থায় আকবরকে লক্ষ্য করে গুলি চালায় মোটরসাইকেলে করে আসা চার দুর্বৃত্ত। এ সময় গুলিবিদ্ধ হন পর্যটক জান্নাতুল বাকী (৩০) ও শিশু মহিম ইসলাম রাতুল (৮)। তাদের মধ্যে রাতুল দক্ষিণ পতেঙ্গার ফুলছড়িপাড়ার শওকত হোসেনের ছেলে। জান্নাতুল বাকী ইনসেপ্টা ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেডে কর্মরত বলে জানিয়েছে পুলিশ। প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাতে জানা গেছে, ঘটনার সময় আকবর, এক তরুণী ও আরও চারজন যুবক মিলে ২৮ নম্বর দোকানে বসেছিলেন। দোকানের এক কর্মচারী অর্ডার নিতে এলে হঠাৎ করে মোটরসাইকেলে চার যুবক এসে উপস্থিত হয়। তাদের মধ্যে একজন আকবরকে লক্ষ্য করে কাছ থেকে গুলি চালায়। আকবর পালানোর চেষ্টা করলেও গুলিবিদ্ধ হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। স্থানীয় এক ব্যবসায়ী জানান, হামলার পর আকবরের সঙ্গে থাকা চার যুবক দৌড়ে পালিয়ে যায়। তবে আকবরের সঙ্গে থাকা তরুণীটি গুলিবর্ষণকারীদের সঙ্গেই ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন, যা ঘটনাটিকে আরও রহস্যজনক করে তুলেছে। ঘটনার ২৪ ঘণ্টা পার হলেও এখন পর্যন্ত থানায় কোনো মামলা হয়নি। পতেঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শফিকুল ইসলাম বলেন, এখনো থানায় কেউ মামলা করতে আসেনি। মামলা যেহেতু হয়নি, কাউকে শনাক্তও করা যায়নি। এজাহার পাওয়ার পর পরবর্তী পদক্ষেপ নেয়া হবে। নিহত আলী আকবর ওরফে ‘ঢাকাইয়া আকবর’ চট্টগ্রামের অপরাধ জগতে পরিচিত একটি নাম। একাধিক মামলার আসামি এই ব্যক্তির বিরুদ্ধে আগে থেকেই চাঁদাবাজি, জমি দখল এবং প্রতিপক্ষকে ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগ ছিল। এলাকাভিত্তিক আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষের সঙ্গে দ্বন্দ্ব থেকেই এই হামলা হতে পারে বলে মনে করছেন তদন্ত সংশ্লিষ্টরা। সমুদ্র সৈকতের মতো একটি জনবহুল পর্যটন এলাকায় এমন সহিংস হামলা নগরবাসীর নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নিষ্ক্রিয়তা, গোয়েন্দা তথ্যের অভাব এবং সিসিটিভি নজরদারির দুর্বলতাকে দায়ী করছেন বিশ্লেষকরা। এ বিষয়ে একজন অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, এ ধরনের পরিকল্পিত হামলা প্রতিরোধে গোয়েন্দা তথ্য আদান-প্রদান, নিয়মিত টহল ও সন্দেহভাজন ব্যক্তিদের উপর নজরদারি প্রয়োজন। মামলা না হলে তদন্ত থেমে যায়, যা অপরাধীদের সাহস জোগায়।