পবিত্র কোরআনের হাফেজদের সম্মান জানানোর পাশাপাশি নতুন প্রজন্মকে কুরআন মুখস্থ করতে ও উৎসাহিত করার লক্ষ্যে নোয়াখালীতে প্রথম বারের মতো আন্তর্জাতিক ক্বারীদের উপস্থিতিতে আন-নূর হিফজুল কুরআন প্রতিযোগিতার গ্র্যান্ড ফিনালের পুরস্কার বিতরণ করা হয়েছে। এতে বিজয়ীদের মাঝে নগদ অর্থ, ক্রেস্ট ও সম্মাননা স্মারক তুলে দেওয়া হয়। শুক্রবার রাতে জেলার বেগমগঞ্জ উপজেলার ছয়ানী ইউনিয়ন উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠে আন-নূর ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে আয়োজিত প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন আন-নুর গ্রুপের চেয়ারম্যান মাহফুজুর রহমান। এর আগে শুক্রবার দিনব্যাপী প্রতিযোগিতায় বিভিন্ন বয়সের হাফেজগন সুন্দর ও বিশুদ্ধ উচ্চারণে পবিত্র কোরআনের বিভিন্ন অংশ থেকে তেলাওয়াত করেন। তাদের সুমধুর কণ্ঠে কোরআনের আয়াত শ্রবণ করে উপস্থিত দর্শক ও বিচারকমণ্ডলীরা অভিভূত হন। আন- নুর হিফজুল কুরআন প্রতিযোগিতার গ্র্যান্ড ফিনালে নুর ফাউন্ডেশন ও নুর গ্রুপের চেয়ারম্যান মাহফুজুর রহমানের সার্বিক ব্যবস্থাপনায় প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, ঢাকা মতিঝিল মিছবাহুল উলুম কামিল মাদ্রাসার প্রধান মুহাদ্দিস শায়খ মুহাদ্দিস মাহমুদুল হাসান। এ সময় কুরআন তেলাওয়াত করেন আন্তর্জাতিক খ্যাতি সম্পন্ন বাংলাদেশের প্রধান ক্বারী শায়খ আহমাদ বিন ইউছুফ আযহারী। এতে প্রধান আকর্ষণ হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাগ্রত কবি শিল্পী মুহিব খান, গ্র্যান্ড ফিনালে অনুষ্ঠানের আহ্বায়ক মোহাম্মদ ইয়াকুব প্রমূখ। আন-নূর ফাউন্ডেশন ও নুর গ্রুপের চেয়ারম্যান মাহফুজুর রহমান বলেন, পবিত্র কোরআনের হাফেজদের সম্মান জানানোর পাশাপাশি নতুন প্রজন্মকে কুরআন মুখস্থ করতে ও উৎসাহিত করার লক্ষ্যে আমরা নোয়াখালীতে এই প্রথম বারের মতো আন-নূর হিফজুল কোরআন প্রতিযোগিতার আয়োজন করেছি। আল-কুরআনের আলো আরো প্রসারিত করতে আগামীতেও এই উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে বলে জানান তিনি। কুরআন প্রতিযোগিতায়, ৮০ জন প্রতিযোগীর মধ্যে ২০ জনকে চূড়ান্ত বিজয়ী ঘোষণা করা হয়।

