ঢাকাMonday , 19 May 2025
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

কুড়িগ্রামে যাত্রাপুর হাটের সরকারি মূল্যের বাইরে ইজারাদার নিয়োগের অভিযোগ

Link Copied!

কুড়িগ্রাম সদর উপজেলাধীন যাত্রাপুর ইউনিয়নের ধরলা নদী বেষ্টিত ঐতিহ্যবাহী যাত্রাপুর হাটের সরকারি মূল্যের চেয়ে ৭৬ লক্ষ টাকা কমে নিলাম ডাকের মাধ্যমে ইজাদার নিযুক্ত করা হয়েছে।
গত বছর এ হাটের ডাক ছিলো ১ কোটি ৮৭ লক্ষ টাকা যা এবারে কমে হলো ১ কোটি ১১ লক্ষ ২ হাজার টাকা। জানাগেছে, জেলার অন্যতম সীমান্ত হাট হলো কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার যাত্রাপুর হাট। এই হাট জেলা শহর থেকে ১০ কিলোমিটারে অবস্থিত। ভারতীয় সীমান্তের নদী গুলো অনেক নিকটে থাকায় ভারতীয় অসংখ্য পশু এই হাটে আসে। যার ফলে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের মানুষের আগমন ঘটে এই হাটে। সরকারি রাজস্ব আদায়ের জন্য এই হাটটি সর্বোচ্চ অবস্থানে থাকে প্রতিবছর। প্রতি বছর পহেলা বৈশাখ নতুন ইজারাদার ডাকের মাধ্যমে নিযুক্ত হয়ে খাজনা আদায় করে থাকেন। কিন্তু চলতি বছর ইজারাদার নিযুক্ত করতে পর পর ৬ বার টেন্ডার আহ্বান করেও কাঙ্খিত ডাক পায়নি সদর উপজেলা প্রশাসন। সর্বশেষ ডাকে সর্বোচ্চ ৮৭ লক্ষ টাকায় শিডিউল ফেলেন ইজারাদার পেতে ইচ্ছুক ব্যাক্তি। প্রায় মাসব্যাপী স্থানীয় বিএনপি, জামায়াত, এনসিপির নেতাকর্মীদের যৌথ সহযোগিতায় সরকারি খাস খাজনা আদায় করে উপজেলা প্রশাসন। অবশেষে গত ৭ মে ২০২৫ ইং প্রকাশ্যে নিলামে যাত্রাপুর হাটের ডাক হয়। এতে ২৫ জন নিলাম ডাকে অংশ নেন। এর মধ্যে সর্বোচ্চ ১ কোটি ১১ লক্ষ ২ হাজার টাকা নিলাম ডাকে কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার বেলগাছ ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান ও সদর উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক মোঃ মাহাবুবুর রহমান এবং তিনি যাত্রাপুর হাটের ইজারাদার নিযুক্ত হয়েছেন। নিলাম ডাকে মোঃ মোফাখারুল ইসলাম ১ কোটি ১১ লক্ষ ১৫ শত টাকায় ২য় স্থান ও আব্দুল হামিদ সরকার ১ কোটি ১১ লক্ষ ১ হাজার টাকা ডেকে ৩য় স্থানে থাকেন। তবে ইজারাদার মোঃ মাহাবুবুর রহমান হলেও এখন হাট চালাচ্ছেন বিএনপি, জামায়াত ও এনসিপি রাজনৈতিক সংগঠনের নেতাকর্মীরা যৌথ ভাবে। ইজারাদার মোঃ মাহাবুবুর রহমান বলেন, উন্মুক্ত নিলাম ডাকের মাধ্যমে যাত্রাপুর হাটের ইজারা পেয়েছি। অনেক বড় হাট তাই স্থানীয় অনেকেই আমাকে সহযোগিতা করছেন। কুড়িগ্রাম সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার সাঈদা পারভীন বলেন, আমরা অনেক বার টেন্ডার আহ্বান করে যাত্রাপুর হাটের ইজারাদার নিযুক্ত করতে না পেয়ে প্রায় একমাস খাস খাজনা আদায় করেছি। পরে নিলাম ডাকের মাধ্যমে ইজারাদার নিযুক্ত করা হয়। তবে বিগত বছর গুলোর চেয়ে ডাক অনেক কম হয়েছে। এ দিকে স্থানীয় যাত্রাপুর ইউপি চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আব্দুল গফুর জানান, যাত্রাপুর হাটে এক সময় ভারতীয় গরু প্রচুর আসতো। সে কারণে হাটে কেনাবেচা ভালো হতো এবং পর্যাপ্ত পরিমাণ রাজস্ব আদায় হতো। বর্তমানে ভারতীয় গরু তেমন একটা আসে না। সে কারণে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে গরু ব্যবসায়ীরাও যাত্রাপুর হাটে আসা বন্ধ করেছে। অবকাঠামোগত সমস্যার কারণে যাত্রাপুর হাটে আহত ব্যবসায়ীদের নানা ভোগান্তির শিকার হতে হয়। দ্রুত যাত্রাপুর হাটের উন্নয়ন ও সংস্কার কাজ এবং যাত্রাপুর হাটে আসার পথে ঘাট ইজারার নামে সাধারণ ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে টাকা আদায় বন্ধ না করলে হাটের ব্যবসা বাণিজ্য ক্রমান্বয়ে বন্ধ হয়ে যাবে।