ঢাকাMonday , 19 May 2025
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

ঝিনাইদহে টাইগারের গর্জনে কাঁপছে শৈলকুপা, হাট মাতাতে প্রস্তুত কালো দানব

Link Copied!

ঝিনাইদহের শৈলকুপা উপজেলার সারুটিয়া ইউনিয়নের গোসাইডাঙ্গা গ্রামে কালো বর্ণ, মাথায় ডোরাকাটা সাদা ছাপ, গর্জনে বনের রাজার মতো দম্ভ নাম তার ‘টাইগার’। তবে এটি কোনো বাঘ নয় এক বিশালদেহী গরু। যার জলজ্যান্ত উপস্থিতিই কাঁপাচ্ছে শৈলকুপা উপজেলার গোসাইডাঙ্গা গ্রাম।
আসন্ন ঈদুল আযহা সামনে রেখে প্রস্তুত এই ‘টাইগার’ এখনই জনপ্রিয়তার শীর্ষে। গরুটির ওজন প্রায় ২০ মণের ওপরে। জাত আমেরিকার বিখ্যাত ব্ল্যাক অ্যাংগাস। চোখে-মুখে তার রাজকীয় চাহনি, আর শরীরজুড়ে কাব্যিক সৌন্দর্য। গরুটির মালিক সবুজ মিয়া বলেন, ‘বাড়ির একটি দেশি গাভী থেকেই টাইগারের জন্ম। নিয়মিত ভালোবাসায় তাকে এই অবস্থায় এনেছি। দিনে তিনবার খাবার দেওয়া হয় নেপিয়ার ঘাস, খৈল, ভুষি, ছোলা, ছাল ও চাল। মোটাতাজা করতে এক ফোঁটাও ওষুধ প্রয়োগ করা হয়নি।’ টাইগারের আরাম-আয়েশে যেন রাজকীয় ছোঁয়া। দিনে দু’বার গোসল, ২৪ ঘণ্টা ফ্যান চালু, আর রাতেও কয়েকবার উঠে দেখে নেওয়া হয় তার অবস্থা। সবুজ মিয়ার স্ত্রী মিলি খাতুন বলেন, ‘নিজের সন্তানের মতোই বড় করেছি টাইগারকে। তার জন্য ঘুম ভেঙে রাতেও খোঁজ নিই। আদরে-স্নেহে সে আজ আমাদের সবার কাছে টাইগার নামেই পরিচিত।’ টাইগারকে দেখতে প্রতিদিন ভিড় করছে আশপাশের গ্রাম থেকে শত শত মানুষ। কেউ ছবি তুলছে, কেউ ভিডিও করছে, কেউ আবার বিস্ময়ে তাকিয়ে থাকছে কিছুক্ষণ। স্থানীয় আবুল কাশেম ও শিহাব হোসেন নামের বাসিন্দারা জনান, ‘এতো বড় গরু আগে কমই দেখেছি আমরা। তবে আমাদের জানামতে এই উপজেলায় এর চেয়ে বড় গরু আর নেই।’ গরুটির মালিক সবুজ মিয়া বলেন, ‘টাইগারকে খুব যতœ করে বড় করেছি। মোটাতাজাকরণে কোন প্রকার ক্ষতিকর ওষুধ খাওয়ানো হয়নি। ১৫ লাখ টাকা হলে গরুটি বিক্রি করবো।’ শৈলকুপা উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা রাসেল আহমেদ বলেন, ‘গরুটি সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক উপায়ে লালিত। এতে কোনো ধরনের স্টেরয়েড বা ক্ষতিকর উপাদান ব্যবহার করা হয়নি। এমন স্বাস্থ্যবান গরু কোরবানির হাটে উদাহরণ হতে পারে। এবারের কোরবানির ঈদ সামনে রেখে শৈলকুপায় ৬১ হাজার ৬০২টি পশু প্রস্তুত রয়েছে। কোনো সংকট নেই। নিষিদ্ধ ওষুধ ব্যবহার ঠেকাতে নিয়মিত তদারকি ও সরকারি অভিযান চলছে।’