ঢাকাWednesday , 11 March 2015
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

হত্যার নায়ক তারেক

Link Copied!

shahjahan-khanনিজস্ব প্রতিবেদক: ২১ আগস্টের গ্রেনেড হামলা, পেট্রোলবোমা মেরে মানুষ হত্যাসহ দেশের বেশিরভাগ হত্যাকাণ্ডের নায়ক বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক জিয়া বলে মন্তব্য করেছেন নৌ-পরিবহনমন্ত্রী শাজাহান খান।
বুধবার সকালে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে জাতীয় রিকশা-ভ্যান শ্রমিকলীগের আয়োজনে ‘প্রধানমন্ত্রীর ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়কে অপহরণ’ চেষ্টার প্রতিবাদে এক মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশে তিনি এ মন্তব্য করেন।
মন্ত্রী বলেন, ‘ক্ষমতা দখলের নেশায় বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া ‘উন্মাদ’ হয়ে গেছেন। এ জন্য তিনি পেট্রোলবোমা মেরে মানুষ হত্যায় মরিয়া হয়ে উঠেছেন। তার আন্দোলনে জনগনের কোনো স্বার্থ নেই। তিনি মূলত তার দুর্নীতি মামলা ও যুদ্ধাপরাধীদের বাঁচানোর জন্য আন্দোলন করে যাচ্ছেন।’
খালেদা জিয়াকে দানবী আখ্যায়িত করে নৌ-পরিবহনমন্ত্রী বলেন, ‘খালেদা এখন আর মানুষ নেই, তিনি দানবী হয়ে গেছেন। তাই দেশের সাধারণ মানুষের কাজ এ দানবীকে প্রতিহত করা।’
শাহজাহান খান বলেন, ‘১৯৭৫ সালে বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করার মাধ্যমে জিয়াউর রহমান ক্ষমতায় এসেছিলেন। ১৯৯১ সালে খালেদা জিয়া ক্ষমতায় এসেই ১৮ নিরীহ মানুষকে হত্যা করেন। একইভাবে তিনি শত শত আনসারকেও হত্যা করেছিলেন। তারই ধারাবাহিকতায় তার ছেলে তারেক ২০০১ সালের ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার নেতৃত্ব দিয়ে হত্যাকাণ্ডের নায়কে পরিনত হয়েছেন।’
সজীব ওয়াজেদ জয় প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ায় সজীব ওয়াজেদ জয়ের অনেক অবদান রয়েছে। তিনি কোনো সাধারণ মানুষ নন। কিন্তু বিএনপি-জামায়াত জোট তাকে অপহরণের চেষ্টা করেছে। তাকে হত্যা করার ষড়যন্ত্র করছে।’
বিএনপি-জামায়াত ষড়যন্ত্রের রাজনীতি করে, হত্যার রাজনীতি করে মন্তব্য করে তাদের প্রতিহত করার জন্য দেশের সাধারণ জনগণের প্রতি আহ্বান জানান মন্ত্রী।
শাহজাহান খান বলেন, ‘জামায়াতকে যে কোনো মূল্যে উৎখাত করতে হবে। না হলে বাংলাদেশ নামক একটি স্বাধীন রাষ্ট্রের অস্তিত্ব বলতে কিছুই থাকবে না।’
আয়োজক সংগঠনের সভাপতি মো. আজাহার আলীর সভাপতিত্বে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশে আরো উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক মো. ইনসুর আলী, শ্রমকি নেতা রেজাউল করিম, নুরুল ইসলাম, আবুল হোসেন প্রমুখ।
মানববন্ধনের পর বিক্ষোভ সমাবেশ ও মিছিল অনুষ্ঠিত হয়।