ঢাকাThursday , 10 April 2025
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

গাজীপুরে সিগারেট বিক্রেতা হত্যার মূল আসামী গ্রেফতার

Link Copied!

গাজীপুরের ভাসমান পান ও সিগারেট বিক্রেতা আল আমিনকে হত্যার আসামী মাইদ হোসেনকে গ্রেফতারসহ মামলার মূল রহস্য উদঘাটন করেছে গাজীপুর পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই)। বৃহস্পতিবার (১০ এপ্রিল) সকালে গাজীপুর পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) পুলিশ সুপার (এসপি) আবুল কালাম আজাদ বিষিয়টি নিশ্চিত করেছেন। এর আগে সোমবার (৭ এপ্রিল) সকাল সোয়া ১০ টায় গাজীপুর মহানগরীর বাসন থানাধীন চান্দনা (পূর্বপাড়া) মফিজ উদ্দিনের টিনসেড বাড়ীর একটি কক্ষ থেে চৌকির উপর ভাসমান পান ও সিগারেট বিক্রেতা আল আমিনের অর্ধ গলিত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। ভিকটিম আল আমিন শেরপুর সদর উপজেলার পাকুরিয়া (ফকিরপাড়া) গ্রামের আসাব আলী মীরের ছেলে। সে প্রায় ৫ বছর যাবত চান্দনা চৌরাস্তা এলাকায় ভাড়া বাসায় থেকে পান ও সিগারেট বিক্রি করে জীবিকা নির্বাহ করতো। গত ৭/৮ মাস যাবত চান্দনা (পূর্বপাড়া) মফিজ উদ্দিনের টিনসেড বাসা ভাড়া নিয়ে ব্যাচেলর জীবন যাপন করতো। গ্রেফতারকৃত আসামী মাইদ হোসেন ময়নসিংহের হালুয়াঘাট উপজেলার লতিফপুর (খলিশাকুড়ি) গ্রামের আব্দুল মান্নানের ছেলে। সে কাজের সন্ধানে গাজীপুরের চান্দনা চৌরাস্তায় আসেল ভিকটিম আল আমিনের সাথে পরিচয় হয়। তাকে গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার শৈলাট গ্রামের বাচ্চু মিয়ার বাড়ী থেকে পুলিশ গ্রেফতার করে। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা গাজীপুর পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) পরিদর্শক মাহবুবুর রহমান জানান, বাসার মালিকসহ স্থানীয় লোকজন ঘরের চৌকির উপর আল আমিনের মরদেহ দেখে বাসন থানায় খবর দেয়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য গাজীপুর শহীদ তাজ উদ্দিন আহমেদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠায়। মরদেহ উদ্ধারের সময় লাশের গলায় গামছা পেঁচানো ছিল এবং লাশ ফুলে পচা দুর্গন্ধ বের হয়েছে। অজ্ঞাত খুনিরা ভিকটিম আল আমিনকে কৌশলে গামছা দিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যা করিয়া লাশ তার ভাড়া বাসার শয়ন কক্ষের চৌকির উপর ফেলে পালিয়ে যায়। এ ঘটনায় ভিকটিমের মা আকলিমা বেগম হয়ে বাসন থানায় মামলা দায়ের করে। পরে বাসন থানা পুলিশ মামলাটি তদন্তকালীন সময়ে মামলাটি গাজীপুর পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) কাছে অধিগ্রহণ করেন। তিনি আরো জানান, জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতারকৃত আসামী মাইদ হোসেন জানায় গত ৩ এপ্রিল ভিকটিম আল আমিনের সাথে গাজীপুরের চান্দনা চৌরাস্তায় তার দেখা হয়। তখন আল আমিনের কাছে সে কাজ দেওয়া যাবে কি না জানতে চায়। চাকরী দেওয়ার কথা বলে তাকে আল আমিনের ভাড়া বাসায় নিয়ে যায়। ওই বাসায় তারা এক সাথে একই বিছানায় ঘুমায়। পরদিন ভোর ৪ টায় ভিকটিম আল আমিন মাইদ হোসেননকে বিকৃত কাম লালসা (তার লিঙ্গ মাইদ হোসেনের পিছনে ঢুকিয়ে দেয়) চরিতার্থ করে। মাইদ হোসেন ব্যাথা সইতে না পেরে আল আমিনকে গলা টিপে ধরলে শ্বাসরোধে মারা যায়। পরে গলায় গামছা পেঁচিয়ে বিছানায় ফেলে রাখে এবং তার ব্যবহৃত মুঠোফোন নিয়ে চলে যায়। গাজীপুর পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) পুলিশ সুপার (এসপি) আবুল কালাম আজাদ বলেন, এটি একটি নৃশংস হত্যাকান্ড। ভিকটিম আল আমিন আসামী মাইদ হোসেনের সাথে বিকৃত কাম লালসা চরিতার্থ করলে তাকে গলা টিপে হত্যা করে মৃত্যু নিশ্চিত করে। আসামী মাইদ হোসেন হত্যার কথা স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দি দিয়েছে।