ঈদুল ফিতরের নামাজের সময় সাতক্ষীরা নির্বাহী প্রকৌশলীর গাফিলতিতে আশাশুনির বিসটের খোলপেটুয়া নদীর বেড়িবাঁধ ভাঙে। মুহুত্বে প্লাবিত হয় আলুলিয়া এলাকার ১৪/১৫টি গ্রাম। পানি বন্ধি হয়ে পড়ে হাজার হাজার মানুষ। ভেসে যায় মৎস্য ঘের,ফসলি জমিসহ ঘরবাড়ি। নিঃস্ব হয়ে আত্নচিৎকার করে মানুষ। ভাঙনের দ্বিতীয় দিন পানি উন্নয়ন বোর্ডের তত্ত্বাবধানে, স্থানীয় জনগন ও সেনাবাহীনির সহযোগীতায়, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলীর দিক নির্দেশায় মাত্র ৪/৫ দিনে রিং বাঁধ দিয়ে পানি বন্ধ করেছে। অক্লান্ত পরিশ্রমে অসম্ভকে সম্ভব করতে পেরেছে বলে মনে করেন এলাকাবাসি। লোকলয়ে নতুন করে পানি নাঢোকায় কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে সাধারণ মানুষের। এদিকে পানি উন্নয়ন বোর্ড ও সেনাবাহিনী তাদের পাশে না দাঁড়ালে সর্বস্ব হারাতে হতো বলে মনে করে এলাকাবাসি। ঈদের দিন থেকে অক্লান্ত পরিশ্রম করে দ্রুত সময়ের মধ্যে বাঁধটি রিংবাঁধ এর মাধ্যমে পানি বন্ধ করেছে। এলাকার মানুষ পানি উন্নয়ন বোর্ড, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ও কোস্ট গার্ডকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন। তারা বলেন, আমরা দ্রুত সময়ে ভাঙ্গন এলাকায় বিং বাঁধ দিয়ে পানি বন্ধ করতে সক্ষম হয়েছি। খুলনা পানি উন্নয়ন বোর্ডের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী সাহিদুল আলম বলেন, এলাকার মানুষ ও সেনাবাহিনীর সহযোগিতায় আমরা দ্রুত সময়ের মধ্যে পানি বন্ধ করতে সক্ষম হয়েছি। সার্বিকভাবে সহযোগীতা করা জন্য তাদের ধন্যবাদ জানাচ্ছি। তিনি বলেন ইতিমধ্যে আমরা বেশ কিছু ঝুঁকিপূর্ণ স্থান সনাক্ত করেছি এবং পরবর্তীতে একটি টেকসই বাঁধ নির্মাণের পরিকল্পনা হাতে নিয়েছি। এ সময় তারা আরো বলেন এটি মাটির তৈরি বাদ। যে কারণে পানির চাপে ভেঙেছে। আমরা খুব দ্রুত সময়ের মধ্যে এই ঝুঁকিপূর্ণ স্থল গুলো টেকসই বাঁধ নির্মাণের ব্যবস্থা নেব।

