নিরাপত্তা কারণে বাড়ির চারপাশে রেখেছেন সিসি ক্যামেরা ও একদল বখাটে যুবক। পরিচালনা করেন গোপন কক্ষ থেকে। এলাকায় তিনি ত্রাস হিসাবে পরিচিত। এলাকায় তার বিরুদ্ধে কথা বলার মত সাহস কারো নেই। মাদকসহ একাধিক মামলার আসামী হয়েও রয়েছেন ধরা ছোয়ার বাইরে। এমনই এক মাদক ব্যবসায়ীর সন্ধান মিলেছে সাতক্ষীরা সদর উপজেলার গাংনী মাহমুদপুর এলাকায়। তার স্থানীয় নাম পলতা। সে ভাড়ুখালি গাংনি মাহমুদপুর এলাকার এলাকার আব্দুর রশিদের ছেলে। উক্ত এলাকার আতাউর রহমান, প্রদীপ গাইনসহ একাধিক এলাকাবাসী জানায়, পলতা ওরফে আজিজুল ইসলাম স্থানীয় একটি বাহিনী তৈরি করে মাদকের আখড়ায় পরিণত করেছে। সে সীমান্ত এলাকার মাদকের ডিলার হিসাবে সমধিক পরিচিত। অথচ সে রয়েছে ধরা ছোয়ার বাইরে। আইন প্রয়োগকারী সংস্থার দু’একজন সদস্যের সাথে তার রয়েছে সখ্যতা এমন জনশ্রুতি আছে অত্র এলাকায়। সূত্র জানায়, তার বিরুদ্ধে গত ১০.১.২০২২ ইং তারিখে সাতক্ষীরা সদর থানায় ২০১৮ সালের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের ৩৬(১) এর ১৪(গ)/৪১ ধারায় একটি মামলা হয়। যার মামলা নং-১৪। এই মামলায় ২৪৯ বোতল ফেন্সিডিল উদ্ধার হয়। এই মামলার প্রধান আসামী পলতা ওরফে আজিজুল ইসলাম। গত ৩১.০৭.২০২১ সালে গাংনিয়া মাহমুদপুর এলাকায় কুপিয়ে জখমের ঘটনায় সাতক্ষীরা থানায় একটি মামলা রেকর্ড হয় যার মামলা নং-৭৪। উল্লেখিত মামলা ছাড়াও তিনি বহু অপকর্মের হোতা। পলতা এখন সীমান্ত এলাকায় মূর্তিমান আতঙ্কের নাম। তার নামেই চলে বড় একটি মাদক সিন্ডিকেট। এলাকার পরিবেশ নষ্টসহ মাদকের ভয়াবহতা থেকে নতুন প্রজম্মকে বাঁচাতে মাদক ব্যাবসীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য প্রশাসনের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন এলাকাবাসী। এদিকে, শুধুমাত্র এলাকায় সীমাবদ্ধ নয় তার নেতৃত্বে সাতক্ষীরা ভোমরা স্থল বন্দর, আলিপুর চেকপোস্ট, এমনকি সদর ও শহরের বিভিন্ন স্থানে মাদকের রমরমা ব্যবসা চলে। আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর ভিতরেও আছে তার সোর্স। যে কোন অভিযানের আগেই অবগত হয়ে যান তিনি। মাহমুদপুর এলাকার একাধিক ব্যক্তি নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, গভীর রাতে ভারত থেকে চোরা পথে বড়বড় মাদকের চালান পারকরে আনে মাঠ ও মৎস্য ঘেরের ভেড়ি দিয়ে। মাদকের চালান বহনের সময় তাদের কাছে থাকে রামদা ও আগ্নেয় অস্ত্র। তারা প্রশাসনকে পরোয়া করেনা। এসব কারণে এলাকার সাধারণ মানুষ সবসময়ই থাকে আতঙ্কে। কেউ প্রতিবাদ করলে তাকে যে কোন ভাবে বিপদে ফেলতে তারা পটু। তাদের সাথে রয়েছে অনেকের সখ্যতা। এ ব্যাপারে পলতা তার বিরুদ্ধে করা অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন আমি মাদকের সাথে জড়িত নয়। মাদক মামলা হয়েছিল কিনা এমন প্রশ্নে তিনি বলেন পরে কথা বলবো। মাদকের চোরাচালান রুখতে প্রশাসনের উর্ধতন কর্মকর্তাদের হস্তক্ষেপ কামনা করেছে এলাকাবাসী।

