গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলায় ২০১৮ সালের ৩০ ডিসেম্বরের জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে শান্তিরাম ইউনিয়নের পরান বয়েজ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভোট কেন্দ্রে গোলা-গুলির ঘটনাকে কেন্দ্র করে ৬ বছর পর থানায় মামলা হয়েছে। গত ৩ এপ্রিল বৃহস্পতিবার ওই ঘটনার সময় গুলিবিদ্ধ শাহিন মিয়ার পিতা শাপিন্তরাম ইউনিয়ন ২ নং ওয়ার্ড জামায়াতের সভাপতি আইয়ুব আলী বাদী হয়ে ৩৪ জনের নামসহ ৫০-৬০জন অজ্ঞাতনামা ব্যক্তির বিরুদ্ধে মামলা করেন। এতে শান্তিরাম ইউনিয়ন জাতীয় পার্টির সভাপতি শরিফুল ইসলাম শাহিনকে ১নং আসামি, শান্তিরাম ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান এবিএম মিজানুর রহমান খোকন, শান্তিরাম ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ সভাপতি সুরুজিত কুমার প্রামানিক, সাধারণ সম্পাদক আনিছুর রহমান, উপজেলা জাতীয় পার্টির সহ-সভাপতি মাওলানা আবুল হোসেনসহ জাতীয় পার্টি ও আওয়ামী লীগের ৩১জন নেতাকর্মীর নাম উল্লেখ রয়েছে। মামলার এজাহারে বালা হয়েছে, ভোট চলাকালীন সময় ১১টার সময় ১৪ দলীয় সমর্থিত প্রার্থী ব্যারিস্টার শামীম হায়দার পাটোয়ারীকে জয়ী করার লক্ষ্যে সাধারণ ভোটার এবং এজেন্টদেরকে ভোট কেন্দ্র হতে বাহির করে দিয়ে লাঙল মার্কায় সিল মারতে থাকেন আসামিগণ। সাধারণ ভোটারেরা প্রতিবাদ করলে আসামি রুবেল মিয়া তার কাছে থাকা অবৈধ অস্ত্র দিয়ে বাদীর ছেলে শাহিন মিয়াকে হত্যার উদ্দেশ্যে গুলি করে। স্থানীয়রা গুলিবিদ্ধ শাহিন মিয়াকে উদ্ধার কের হাসপাতালে ভর্তি করায়। মামলার বাদী আইয়ুব আলী বলেন, আওয়ামী লীগ ও জাতীয় পার্টির দলীয় প্রচারণার কারণে মামলা করতে বিলম্ব হয়েছে। ব্যক্তিগত সিদ্ধান্তই তিনি মামলা করেছেন। থানার ওসি মো. আব্দুল হাকিম আজাদ বলেন, বাদী এজাহার দ্বায়ের করলে উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের অনুমতি সাপেক্ষে মামলা করা হয়েছে। এ মামলায় কোন আসামি গ্রেপ্তার হয়নি। তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

