গাজীপুরের শ্রীপুরে আদালতের নির্দেশ (১৪৫ ধারা) অমান্য করে বিরোধপূর্ণ জমি দখল এবং দোকানপাট ভাংচুরের অভিযোগ উঠেছে প্রতিপক্ষ জালাল উদ্দিনের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী আব্দুল মোতালেব ৬ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতদেরকে আভিযুক্ত করে শ্রীপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দেয়। শুক্রবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত সাড়ে ৮টার দিকে শ্রীপুর পৌরসভার দক্ষিন ভাংনাহাটি এলাকায় জমি দখলের ঘটনা ঘটে। অভিযুক্তরা হলেন একই এলাকার মৃত নুরুল ইসলামের ছেলে জালাল উদ্দিন, তার ভাই ওমর ফারুক, জালাল উদ্দিনের ছেলে সামি, আব্দুস সোবহানের ছেলে জয়নাল আবেদীন, ছফির উদ্দিনের ছেলে এমদাদ এবং মাজহার। ভুক্তভোগী আব্দুল মোতালেব একই এলাকার মৃত আবেদ আলীর ছেলে। থানায় দায়ের করা লিখিত অভিযোগে আব্দুল মোতালেব উল্লেখ করেন, তিনি ক্রয় সূত্রে মালিক হয়ে বিরোধপূর্ণ জমি ভোগদখল করে আসতেছেন। প্রতিপক্ষ জালাল উদ্দিন ও তার দেড়শতাধিক সহযোগীরা অন্যায়ভাবে জমি দখল করবে বলে হুমকি দিয়ে আসছে। পরে তিনি গাজীপুর আদালতে মামলা দায়ের করে। বিরোধপূর্ণ জমিতে শান্তিশৃঙ্খলা বজায় রাখার জন্য আদালত শ্রীপুর থানা পুলিশকে নির্দেশ দেয়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে উভয় পক্ষকে বিষয়টি সমাধান না হওয়া পর্যন্ত জমিতে ১৪৫ ধারা নোটিশ জারি করে। আদালতের নির্দেশ অমান্য করে প্রতিপক্ষরা রাতে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে ওই জমি দখল করে এবং জমিতে থাকা দোকানপাট ভাংর করে। পরে জাতীয় জরুরী সেবা ৯৯৯ এর মাধ্যমে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে। এ বিষয়ে অভিযুক্ত জালাল উদ্দিন বলেন, এই জমি আমার ভোগদখলে ছিল। প্রতিপক্ষ আব্দুল মোতালেব একটি নোটিশ করে। নোটিশ করার পরপরই তারা আমার জমিতে বেড়া এবং দোকান নির্মাণ করে। পরবর্তীতে আমি আমার লোকজন নিয়ে বেড়া এবং দোকান ভেঙ্গে আমার জায়গা দখলমুক্ত করি। শ্রীপুর থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জয়নাল আবেদীন মন্ডল বলেন, এ সংক্রান্ত একটি অভিযোগ পেয়েছি। একজন উপ-পরিদর্শককে (এসআই) তদন্ত করে প্রকৃত ঘটনার বিষয়ে প্রতিবেদন দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তদন্তের পর বলা যাবে জমির প্রকৃত মালিককে।

