ঢাকাSunday , 2 March 2025
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

ঠাকুরগাঁওয়ে পতাকা উত্তোলন দিবসে জেএসডির গণসমাবেশ অনুষ্ঠিত

Link Copied!

২ মার্চ ঐতিহাসিক পতাকা উত্তোলন দিবস উপলক্ষে ঠাকুরগাঁওয়ে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল জেএসডির উদ্যোগে এক গণসমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোববার ঠাকুরগাঁও প্রেসক্লাব মিলনায়তনে এ উপলক্ষ্যে আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। আলোচনা সভায় জেলা জেএসডির সভাপতি মনসুর আলীর সভাপতিত্বে বক্তব্য দেন জেলা কমিটির সহ-সভাপতি নুরুল হক, সাধারণ সম্পাদক মাজেদুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক মনসুর আহম্মেদ, শাহ আলম, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক তৌহিদুল ইসলাম, আনোয়ার হোসেনসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ। বক্তারা ২ মার্চ ঐতিহাসিক পতাকা উত্তোলন দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরে বলেন, ১৯৭১ সালের এই দিনে বাংলাদেশের স্বাধীনতার প্রতীক হিসেবে প্রথমবারের মতো আনুষ্ঠানিকভাবে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়। এটি ছিল বাঙালির মুক্তির আকাঙ্ক্ষার প্রতিচ্ছবি। এ দিনটির যথাযথ স্বীকৃতি ও মর্যাদা দিতে সরকারিভাবে ছুটি ঘোষণা করা প্রয়োজন বলে তারা মত প্রকাশ করেন। আলোচনা সভায় বক্তারা আরও বলেন, ঐতিহাসিক এই দিবসটি জাতীয়ভাবে উদযাপন করা হলে নতুন প্রজন্মের মধ্যে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা আরও সুদৃঢ় হবে। পাশাপাশি দেশের স্বাধীনতার ইতিহাস সম্পর্কে সঠিক জ্ঞান অর্জনের সুযোগ পাবে তারা। গণসমাবেশে বক্তারা জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জেএসডির আদর্শ ও কর্মসূচির গুরুত্ব তুলে ধরেন এবং দেশের সার্বিক গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার উন্নয়নে কার্যকর ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান। আলোচনা শেষে এক বিশেষ প্রস্তাবের মাধ্যমে ২ মার্চকে সরকারি ছুটি ঘোষণার দাবি জানানো হয়। উল্লেখ্য, ১৯৭১ সালের ২ মার্চ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বটতলায় এক বিশাল ছাত্র সমাবেশে স্বাধীন বাংলাদেশের পতাকা উত্তোলন করা হয়, যা মুক্তিযুদ্ধের পথে বাঙালির প্রথম গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হয়। এই ঐতিহাসিক ঘটনার স্মরণে দেশব্যাপী বিভিন্ন সংগঠন দিবসটি পালন করে থাকে। জেএসডির এ আয়োজনের মধ্য দিয়ে ঠাকুরগাঁওয়ে ঐতিহাসিক পতাকা উত্তোলন দিবসের গুরুত্ব নতুনভাবে আলোচিত হলো। স্থানীয় নেতাকর্মীরা আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, সরকার যথাযথ গুরুত্ব দিয়ে দিনটিকে সরকারি স্বীকৃতি প্রদান করবে এবং ভবিষ্যতে আরও ব্যাপকভাবে উদযাপিত হবে।