ঢাকাWednesday , 26 February 2025
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

টাঙ্গাইলে ধর্ষণ মামলার আসামি ধরা ছোঁয়ার বাইরে

Link Copied!

টাঙ্গাইল পৌরসভায় বিয়ের প্রলোভন দিয়ে এক তরুণীর সাথে একাধিকবার শারীরিক সম্পর্ক জড়ায় নাইম (৩০) নামের এক যুবক। পরে বিয়ে করতে অস্বীকার করলে থানায় মামলা করেন ভুক্তভোগী তরুণী। অভিযুক্ত ওই যুবক শহরের সাবালিয়া বটতলা এলাকার ছানোয়ার ভুইয়া (সোনা) মিয়ার ছেলে । মামলা সূত্রে জানা গেছে, নাইমের সাথে ওই তরুণীর প্রায় ৬ বছর যাবত প্রেমের সম্পর্ক। প্রেম থাকাকালীন সময়ে বিয়ের প্রলোভন দিয়ে একাধিকবার শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করেন নাইম। পরবর্তীতে নাইমের ভগ্নিপতি কবিরের কুপরামর্শে কক্সবাজার নিয়ে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করে যা ভুক্তভোগী তরুণী পরে জানতে পারে। ৫ নভেম্বর ২০২৪ ইং তারিখ সন্ধায় তরুণীর পূর্ব আদালত পাড়ার বাসায় কবিরের কুপরামর্শে গিয়ে শারীরিক সম্পর্ক করতে তরুনী অসম্মতি জানালে নাইম তাকে শারীরিকভাবে হেনেস্তা করে ধর্ষনের চেষ্টা চালায়। একপর্যায়ে চিৎকার করলে বাসার দারোয়ান লিলি আক্তার এগিয়ে আসলে তাকে ও তার বাসার দারোয়ানকে হত্যা করে লাশ গুম করার হুমকি প্রদান করে। পরবর্তীতে মিমাংসার জন্য তার বাসায় গিয়ে নাইমের ভগ্নিপতি কবির ভয়ভীতি ও হুমকি প্রদান করে। এদিকে ধর্ষিতা বিয়ের জন্য চাপ সৃষ্টি করলে গত ২৪ নভেম্বর নানা অপবাদ দিয়ে বিয়ে করবে না বলে জানিয়ে দেয় এবং প্রাণ নাশের হুমকি দেয়। পরে ভুক্তভোগী তরুণী গত ১৫ জানুয়ারি থানায় গিয়ে ওই তরুণী দুইজনকে অভিযুক্ত করে মামলা দায়ের করেন। ভুক্তভোগী তরুণী জানায়, আত্মীয়তার সূত্রে গত ৬ বছর পুর্বে নাইমের সাথে তার প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে। প্রেম হওয়ার কয়েক মাস পর তার পরিবার জোর করে তাকে অন্য জায়গায় বিয়ে দেন। সেখান থেকে নাইম তাকে ফুঁসলিয়ে ওই তরুণীর স্বামীকে তালাক দিতে বাধ্য করে। এরপর নাইম তাকে কক্সবাজার নিয়ে যায়। সেখানে আবাসিক হোটেলে ৩দিন ৩ রাত যাপন করে। এছাড়াও ৬ বছরে তরুণীর বাসায় গিয়ে অবাধে মেলামেশা করে। স্থানীয়রা বিষয়টি নিয়ে আপত্তি জানালে নাইম জানায় মিতু তার স্ত্রী। যে কারণে এলাকাবাসী তাকে ছেড়ে দেয়। তরুণী আরো জানায, বিয়ের জন্য চাপ দিলে নাইম বলে তার একটি মাত্র বোন রয়েছে। বোনসহ ভগ্নিপতি কবীর ইতালীতে থেকে আসলে বিয়ে করবে বলে আশ্বাস দেয়। এদিকে ওই তরুণী কুমুদিনি কলেজ থেকে রাষ্ট্রবিজ্ঞানে মাস্টার্স শেষ করেন। সম্প্রীতি তার বোন ও ভগ্নিপতি ইতালি থেকে দেশে আসেন এবং তরুনী বিয়ের জন্য চাপ দিলে তাতে অসম্মতি জানায় নাইম। অভিযুক্ত নাইমের বাবা ছানোয়ার ভুইয়া জানায়, ওই মেয়ে তাদের আত্নীয়। মেয়ের বিয়ে হয়েছিলো কিভাবে তাকে ঘরে বউ হিসেবে আনবো। এছাড়া মেয়েটির চরিত্র ভালো না। আপনার ছেলে তাকে নিয়ে কক্সবাজার গিয়েছিলো এমন প্রশ্নে তিনি কোন উত্তর দেননি। নাইমের ফোনে একাধিকবার ফোন দিয়েও তাকে পাওয়া যায়নি। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা টাঙ্গাইল সদর থানার পুলিশে উপ সহকারী পরিদর্শক (এএসআই) প্রতিভা রাণী বলেন, অভিযোগের ভিত্তিতে গত ১৫ জানুয়ারি ২০২৫ইং নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০ইং (সংশোধিত) ৩২৩/৫০৬ মূলে মামলাটি গ্রহণ করা হয়েছে। আমরা আসামিকে গ্রেফতারের চেষ্টা করছি। আসামিরা বর্তমানে পলাতক রয়েছে। এ বিষয়ে টাঙ্গাইল থানার অফিসার ইনচার্জ অবগত আছেন।