রাজধানীর কাকরাইলে অবস্থিত আইডিইবি’র হল ব্যবহার করে ফ্যাসিস্ট আওয়ামীলীগের চেতনায় উজ্জীবিত এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাবেক এসাইনমেন্ট অফিসার ও মাগুরা-১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য সাইফুজ্জামান শিখরের আশীর্বাদপূষ্ট জমির উদ্দিন (উপ-সহকারী প্রকৌশলী, বিবিয়ানা বিদ্যুৎ কেন্দ্র) ডুয়েট ছাত্রলীগের সাবেক নেতা ভূটান সিংহ (উপ-সহকারী প্রকৌশলী, বিবিয়ানা বিদ্যুৎ কেন্দ্র) রেজ্জাকুল হায়দার (সহকারী প্রকৌশলী, কার্যক্রম পরিদপ্তর) এখলাছ উদ্দিন (সহকারী প্রকৌশলী, বিতরণ অঞ্চল চট্রগ্রামে কর্মরত) সহ বাংলাদেশ বিদুৎ উন্নয়ন বোর্ডে কর্মরত উপ-সহকারী প্রকৌশলী গণদের উপস্থিতিতে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড ডিপ্লোমা প্রকৌশলী সমিতি(বাবিউবোব ডিপ্রকৌস) এর ব্যানারে প্রতিনিধি সভা আহবান করে যা বাবিউবো ডিপ্রকৌস’র এর গঠনতন্ত্র / সংগঠনের সংবিধান অনুযায়ী অসাংবিধানিক ও অসাংগঠনিক।উক্ত সভায় বাবিউবো’র সার্ভিসরুল-১৯৮২ সালের বিদ্যমান নীতিমালা পরিপন্থী ও ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে ২০১২সালের আন্ত মন্ত্রণালয়ের সুপারিশ যা জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় কর্তৃক অনুমোদিত ব্যতীত ৫০% রেশিওতে উপ-সহকারী প্রকৌশলী থেকে সহকারী প্রকৌশলী পদে পদন্নোতি প্রদান,১৯৯৪সালে মন্ত্রণালয় কর্তৃক অনুমোদিত উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী পদ বাতিল, বিউবোর মোট কারিগরি পদের(সহকারী প্রকৌশলী থেকে চেয়ারম্যান পর্যন্ত) ১/৩ বা ৩৩.৩৩৩% আনুপাতিক হারে প্রমোশন সহ বিভিন্ন অযৌক্তিক দাবি করে মুল বক্তব্য উপস্থাপন করে শাহজীবাজার বিদ্যুৎ কেন্দ্রে কর্মরত ও ডিপ্রকৌস শাহজীবাজার শাখার সভাপতি জনাব নজরুল ইসলাম।আরো বক্তব্য রাখেন জনাব রেজ্জাকুল হায়দার, এখলাছ উদ্দিন, ভূটান সিংহ, নূর হোসেন সহ আরো অনেকে। তবে আইডিইবি’র পাইওনিয়ার সার্ভিস এসোসিয়েশন হিসেবে বাবিউবো ডিপ্রকৌস’র কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক সহ কেনিপ নেতৃবৃন্দের উপস্থিতি ছাড়া প্রতিনিধি সভা আহবান করে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির ন্যায় বিদ্যুৎ সেক্টর কে অস্থিতিশীল করার অপচেষ্টা।
ডিপ্রকৌস কেনিপ নেতৃত্বের অনুমতি ব্যতীত আইডিইবিকে ভূল বুঝিয়ে বিগত সরকারের দোষরদের দ্বারা এই জাতীয় মিটিং আহবান করায় ডিপ্রকৌস কেনিপ তীব্রনিন্দা জ্ঞাপন করেন। আরো জানা যায়, বাবিউবোতে কর্মরত ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারদের জন্য বৈষম্য বিরোধী প্ল্যাটফর্ম নামীয় প্যাডে আইডিইবি সদস্য সচিব সাক্ষরিত চিঠি ও বৈষম্য বিরোধী ডিপ্লোমা প্রকৌশলী প্যাডে চিঠি, হোয়াটসএ্যাপে বৈষম্য বিরোধী গ্রুপ তৈরী করে গ্রুপে বাবিউবোতে কর্মরত ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারদের মাঝে অসত্য, মিথ্যা তথ্য, বানোয়াট তথ্য প্রচার করে গুজব সৃষ্টি করে বাবিউবো প্রশাসনে অস্থির পরিবেশ সৃষ্টি করাই ছিলো নজরুল, জমির গংদের মূল উদ্দেশ্য। এছাড়াও জনাব জমির উদ্দিন জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব(এপিডি অনুবিভাগ) কে দিয়ে ফোন করিয়ে বিদ্যুৎ বিভাগের সচিব ও বিউবোর সদস্য প্রশাসন(যুগ্মসচিব) কে বিভিন্ন অযৌক্তিক দাবি-দাওয়ার বিষয় উল্লেখ করে জমির, নজরুল প্রমুখ বিভিন্ন সোস্যাল মিডিয়ায় অসত্য অপ্রচার করে পোস্ট দিয়েছিলো।
জমির উদ্দিন গং এর উদ্যোগে ডিপ্রকৌস’র কেন্দ্রীয় কমিটির ব্যনারে, ২৩ ফেব্রুয়ারি আইডিইবি’র হল ব্যবহারের বিষয়ে আইডিইবি’র আহবায়ক প্রকৌশলী মোঃ কবীর হোসেনের কাছে জানতে চাইলে তিনি দৈনিক পাঞ্জেরীকে জানান, প্রকৌশলী জমির উদ্দিন গং বিদ্যুৎ অফিসের নাম ব্যবহার করে হল ভাড়া নিয়েছিলেন পরবর্তীতে বিস্তারিত সঠিক তথ্য জানতে পেরে ও পক্ষপাতিত্বের দ্বারা বাকবিতন্ডার সৃষ্টির সম্ভবনা আমলে নিয়ে চলমান প্রোগ্রাম আইডিইবি’র পক্ষ থেকে বন্ধ করা হয়।

