ঢাকাMonday , 11 November 2024
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

বাগেরহাট জেলা যুবদলের তৃণমূল নেতাকর্মীদের পছন্দের তালিকায় সুজন মোল্লা শীর্ষে

Link Copied!

বিলুপ্ত ঘোষণা করা হয়েছে যুবদলের বাগেরহাট জেলা কমিটি। সেই সাথে জেলা যুবদলের প্রধান সমন্বয়ক আইয়ুব আলী মোল্লা বাবুসহ ১০ জনকে শৃঙ্খলা পরিপন্থী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার সুনির্দিষ্ট অভিযোগে প্রাথমিক সদস্যপদ সহ দলীয় পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। যুবদলের সকল পর্যায়ের নেতাকর্মীকে তাদের সাথে সাংগঠনিক সম্পর্ক না রাখতে অনুরোধ করেছেন কেন্দ্রীয় যুবদলের সভাপতি আব্দুল মোনায়েম মুন্না এবং সাধারণ সম্পাদক মোঃ নুরুল ইসলাম নয়ন। গত ১৪ আগস্ট যুবদলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির দপ্তর সম্পাদক নুরুল ইসলাম সোহেল স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এসব তথ্য জানানো হয়। ২০২৩ সালের ৩১ ডিসেম্বর  এই সমন্বয়ক কমিটি ঘোষণা করেন যুবদল কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটি। এর আগে ২০১৮ সালে সাবেক ছাত্রনেতা শিকদার হারুন আল রশিদকে সভাপতি এবং ছাত্রনেতা সুজন মোল্লাকে সাধারণ সম্পাদক করে বাগেরহাট জেলা যুবদলের সুপার ফাইভ ঘোষণা করে যুবদল কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটি। কয়েক বছর পর পূর্ণাঙ্গ কমিটিতে রূপ নেয় বাগেরহাট জেলা যুবদলের কমিটি। কেন্দ্রীয় ঘোষিত প্রত্যেকটি প্রোগ্রামে তাদের সক্রিয় অংশগ্রহণ ছিল চোখে পড়ার মতো। আন্দোলন সংগ্রামে সবচেয়ে বেশি নির্যাতিত এ জেলার যুবদলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতা কর্মী। অনিয়ম দুর্নীতি স্বজনপ্রীতি মাইম্যান ইত্যাদি কোন কিছুই স্পর্শ করতে পারেনি জেলা যুবদলের এ দুই নেতার নামের আগে। গ্রুপিংয়ের কারনে বাগেরহাট জেলা বিএনপিসহ অন্যান্য অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীদের মধ্যে প্রকাশ্যে দ্বন্দ্ব ও মুখ দেখাদেখি না থাকলেও জেলা যুবদলের নেতাকর্মীদের মধ্যে এর প্রচলন খুবই কম। জেলায় নির্যাতিতের তালিকায় সবচেয়ে বেশি রয়েছেন যুবদলের নেতাকর্মী। স্বৈরশাসক শেখ হাসিনা বিরোধী আন্দোলনে যুবদল কর্মী গুম ও নিহত হয়েছে। যুবদলের শতশত নেতা কর্মী মিথ্যা মামলায় গ্রেফতার হয়ে কারাবরণ করেছে। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে যুবদলের নেতাকর্মীদের নামেই মিথ্যা মামলা বেশি ছিল। বর্তমান সময়ে বাগেরহাট জেলা যুবদলে আলো ছড়াচ্ছেন সাবেক ছাত্রনেতা যুবদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সুজন মোল্লা। যিনি ১৯৯৬ সালে বাগেরহাট পৌরের ৯ নং ওয়ার্ড ছাত্রদলের সভাপতি নির্বাচিত হয়ে জাতীয়তাবাদী দলের রাজনীতির সাথে সক্রিয়ভাবে যাত্রা শুরু করেন। এরপর তিনি ১৯৯৮ সালে বাগেরহাটের ঐতিহ্যবাহী খান জাহান আলী ডিগ্রি কলেজ এবং ১৯৯৯ সালে সরকারি পিসি কলেজ শাখা ছাত্রদলের সভাপতি নির্বাচিত হন। ২০০৪ সালে নির্বাচিত হন বাগেরহাট পৌর ছাত্রদলের সভাপতি। ২০০৬ সালে বাগেরহাট জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক এবং ২০১১ সালে জেলা ছাত্রদলের সভাপতি নির্বাচিত হন সুজন মোল্লা। সাংগঠনিক দক্ষতার কারণে তাকে বাগেরহাট জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক ঘোষণা করেন ২০১৮ সালে। সুজন মোল্লা জেলার সর্বোচ্চ রাজনৈতিক মামলার আসামি এবং কয়েকবার কারাবরণ করেছেন। যুবদলের তৃণমূল নেতাকর্মীদের পছন্দের তালিকায় শীর্ষে রয়েছেন সুজন মোল্লার নাম। স্কুল জীবন থেকেই রাজনীতির সাথে জড়িত দলের স্বপ্ন পূরণ ও শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের স্বপ্নের বাংলাদেশ গড়তে রাজনীতি করে যাচ্ছেন সেই সাথে ব্যাপক মানবিক ও সামজিক কাজের সাথে সম্পৃক্ত রয়েছেন তিনি। প্রাকৃতিক দুর্যোগ এবং দলীয় নেতাকর্মীদের সহায়তায় প্রশংসনীয় ভূমিকা রয়েছে তার। যুবদলকে সুসংগঠিত করে নেতাকর্মীদের আস্থা অর্জন করেছেন তিনি। একজন যোগ্য নেতা হিসেবে দলের নেতাকর্মী ও জনগণের সাথে সুসম্পর্ক রয়েছে তার। তৃণমূলের নেতাকর্মীদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, বাগেরহাট জেলা যুবদলের আগামী কমিটিতে তাদের পছন্দের তালিকায় সর্বপ্রথমে রয়েছে সুজন মোল্লার নাম। কারণ হিসেবে তারা জানিয়েছেন, সুজন মোল্লা ভালো সংগঠক, কর্মীবান্ধব, নিষ্ঠাবান এবং রাজপথের সাহসী যোদ্ধা। সর্বোপরি শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শে অনুপ্রাণিত টগবগে যুবক। ‌ রাজনীতিতে স্বজন প্রীতি কিংবা মাইম্যান থাকলেও তার কাছে এসবের কোন ভিত্তি নেই। তিনি তৃণমূল থেকে সকল শ্রেণীর নেতার কর্মীকে আপন করে নিয়েছেন। একজন ওয়ার্ড পর্যায়ের ক্ষুদ্র কর্মীও তার সাথে দেখা করতে পারেন কথা বলতে পারেন। সে আস্থা তার উপরে রয়েছে। জেলার সম্ভ্রান্ত মোল্লা পরিবারের সন্তান এবং শিক্ষিত তিনি। এসব কারণেই বাগেরহাট জেলা যুবদলের সভাপতি হিসেবে সুজন মোল্লাকেই দেখতে চান তৃণমূলের নেতাকর্মী।