ঢাকাSunday , 10 November 2024
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

উলিপুর দাখিল মাদরাসার সুপারসহ শিক্ষকের বিরুদ্ধে দূর্ণীতির অভিযোগে এলাকাবাসীর মানববন্ধন

Link Copied!

কুড়িগ্রামের উলিপুর উপজেলাধীন নতুন অনন্তপুর দাখিল মাদরাসার সুপার মাওলানা মতিয়ার রহমানের ব্যাপক দূর্ণীতিসহ শিক্ষক ও কম্পিউটার অপারেটরের নৈতিকতা বিরোধী কর্মকান্ডের বিচার দাবী করে মানববন্ধন করেছে এলাকাবাসী। খোঁজ খবর নিয়ে গেছে, কুড়িগ্রামের উলিপুর উপজেলাধীন নতুন অনন্তপুর দাখিল মাদরাসার সুপার পদে মাওলানা মতিয়ার রহমান নিয়োগ লাভ করার পরই নানা অনিয়ম দুর্ণীতি সাথে জড়িয়ে পড়েন। তার যোগসাজসে ২০২২-২০২৩ অর্থ বছরে কুড়িগ্রাম জেলা পরিষদ কতৃক নতুন অনন্তপুর দাখিল মাদরাসার জন্য উন্নয়ন কাজে ১ লক্ষ টাকা অনুদান দেওয়া হলেও বাস্তবে ওই কাজের কোন অস্তিত নাই। পুরো টাকাই আত্মসাত করেছেন। ২০২১-২২ অর্থবছরে মাদরাসার গৃহ সংস্কারের জন্য হাতিয়া ইউনিয়ন পরিষদ উন্নয়ন সংস্থা কর্তৃক ৩ লক্ষ ৭৯ হাজার টাকা বরাদ্দ দেওয়া হলেও উক্ত টাকায় কয়েক বান্ডিল টিন ও কাঠের কাজ ছাড়া কিছুই করা হয় নাই। হাতিয়া ইউনিয়ন পরিষদ কর্তৃক ২০২২-২৩ অর্থ বছরে মাদরাসার ল্যাট্রিন তৈরির জন্য ২.৫ লক্ষ টাকা বরাদ্দ করা হলেও বাস্তবে কোন কাজই করা হয় নাই। মাদরাসায় ২জন শিক্ষক নিয়োগ বাবদ শিক্ষকদের কাছ থেকে ২০ লক্ষ টাকা নেওয়া হয়েছে। উক্ত ডোনেশনের টাকায় মাদরাসার উন্নয়নের কাজ করার কথা থাকলেও তা সুপার ও ম্যানেজিং কমিটি আত্মসাত করেছে। বিভিন্ন সময় শিক্ষক নিয়োগের মাধ্যমে লক্ষ লক্ষ টাকা ডোনেশন বাবদ গ্রহণ করেছে সুপার। এনটিআরসিএ কর্তৃক মাদরাসায় শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হলেও তার বিরুদ্ধে জামায়াতে ইসলামীর কর্মী মিথ্যা অভিযোগ দিয়ে অপাসারণ করা হয়েছে। নতুন অনন্তপুর দাখিল মাদরাসায় সহকারী শিক্ষক মোঃ হায়দার আলী ও মাদরাসায় কর্মরত কম্পিউটার অপারেটর সুমনা আক্তার লীনা এর সহিত দীর্ঘদিন যাবৎ অবৈধ সম্পর্ক তৈরি হওয়ায় শিক্ষার্থীদের মাঝে নানা গুঞ্জনের সৃষ্টি হয়। উক্ত শিক্ষক ও কম্পিউটার অপারেটর একপর্যায়ে প্রেমের টানে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়। এ ঘটনায় মাদরাসাসহ এলাকায় নীতি নৈতিকতা বিবর্জিত কাজের কারণে চরম ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। বিষয়গুলি নিয়ে সচেতন এলাকাবাসী মাদরাসার সামনে একটি মানববন্ধন কর্মসুচী পালন করা সহ প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগ দিয়েছে। অভিযোগকারী ও মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন (১) মোঃ মনজু মিয়া (২) লাজিম (৩) নাইম (৪) আলতাফ হোসেন (৫) জিহাদ ইসলাম (৬) মাশরাফি (৭) মোজাম্মেল হক প্রমুখ। এব্যপারে নতুন অনন্তপুর দাখিল মাদরাসার সুপার মাও. মতিয়ার রহমান জানান, আমার বিরুদ্ধে যে সকল অভিযোগ আনা হয়েছে তা তদন্ত করলে মিথ্যা না সত্য প্রমাণিত হবে। এই অভিযোগে আমার চাকরি যাবে না। তবে আমি হয়রানির শিকার হবো। মাদরাসার শিক্ষক ও কম্পিউটার অপারেটরের বিয়ের বিষয়টি নিয়ে কেউ অভিযোগ না করলে আমি কিভাবে ব্যবস্থা নেব