ঢাকাThursday , 7 November 2024
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

নাফনদী থেকে ধরে নিয়ে যাওয়া ২০ জেলেকে ফেরত আনল বিজিবি

Link Copied!

কক্সবাজারের টেকনাফের নাফ নদীতে মাছ ধরার সময় নৌকাসহ ধরে নিয়ে যাওয়া বাংলাদেশি ২০ জেলে বিজিবির কাছে হস্তান্তর করেছে মিয়ানমারের সশস্ত্র বিদ্রোহী গোষ্ঠি আরাকান আর্মি। বৃহস্পতিবার বিকাল ৪ টার দিকে এসব জেলেদের টেকনাফের শাহপরীর দ্বীপ জেটি ঘাটে নিয়ে আসা হয়েছে বলে জানিয়েছেন বিজিবির টেকনাফ ২ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. মহিউদ্দীন আহমেদ। এর আগে মঙ্গলবার বিকালে টেকনাফে নাফ নদী ও বঙ্গোপসাগরের মোহনা সংলগ্ন নাইক্ষ্যংদিয়ার কাছাকাছি এলাকা থেকে এসব জেলেকে ধরে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। ধরে নিয়ে যাওয়া জেলেরা হলেন, টেকনাফের শাহপরীরদ্বীপের আলী আহমদের ছেলে শাহ আলম, শফি উল্লাহর ছেলে আসমত উল্লাহ, নুরুল আলমের ছেলে আবদুস শুক্কুর, মৃত নজু মিয়ার ছেলে আবুল হোছন, মৃত নাজির হোছনের ছেলে আয়ুব খান, মৃত মোঃ ইউসুফের ছেলে নুর হোছন, মৃত বশির আহমদের ছেলে মোঃ বেলাল, মৃত নুর আমিনের ছেলে সলিম, মৃত জাকারিয়ার ছেলে আবদুল কাদের , মৃত সোলতান আহমদের ছেলে মোঃ হাশিম, মোঃ আলমের ছেলে মোঃ হোছেন, ইলিয়াছের ছেলে মহি উদ্দিন , মোঃ ইউনুছের ছেলে এনায়েত উল্লাহ, মৃত মোঃ ইউনুছের ছেলে নুর হাফেজ, মৃত মছন আলীর ছেলে মোঃ ইয়াছিন, আমির সাদুর ছেলে আবদু রহিম, মৃত বাচা মিয়ার ছেলে হাছান আলী, আবদু শুক্কুরের ছেলে ওসমান গণি, মহেষখালী উপজেলার নাছির উদ্দিনের ছেলে ইন্নামিন এবং উখিয়া উপজেলার হাছন শরীফের ছেলে আবদু শুক্কুর। বিজিবি টেকনাফ ২ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল মো. মহিউদ্দীন আহমেদ বলেন, মঙ্গলবার বিকাল ৪ টার দিকে টেকনাফের শাহপরীর দ্বীপ ট্রলারঘাট এলাকা থেকে ২০ জন বাংলাদেশী জেলে ১৫টি হস্তচালিত এবং ২টি ইঞ্জিন চালিত নৌকাযোগে মাছ ধরার উদ্দেশ্যে বঙ্গোপসাগরে গমন করে। জেলেরা মাছ ধরতে ধরতে এক সময় ভুলবশতঃ বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্তের শুন্য লাইন অতিক্রম করে মিয়ানমারের জলসীমার নাইক্ষ্যংদিয়া নামক স্থানে ঢুকে পড়ে। এ সময় মিয়ানমারের বিচ্ছিন্নতাবাদী সশস্ত্র বিদ্রোহী গোষ্ঠী আরাকান আর্মি অবৈধ অনুপ্রবেশের দায়ে নৌকাসহ ২০ বাংলাদেশী জেলেকে আটক করে নিয়ে যায়। পরবর্তীতে বিজিবির ঐকান্তিক প্রচেষ্টা ও আরাকান আর্মির সাথে কার্যকর যোগাযোগের মাধ্যমে ২০ বাংলাদেশী জেলেকে ফেরত আনা হলো। তিনি জানান, ২০ বাংলাদেশী নাগরিককে নিকটতম আত্মীয়-স্বজনের সাথে যোগাযোগ সাপেক্ষে তাদের পরিবারের নিকট হস্তান্তর করা হয়েছে।