ছাত্র জনতার অঙ্গীকার, নিরাপদ সড়ক হোক সবার” এই প্রতিপাদ্য নিয়ে খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের আয়োজনে ৩ নভেম্বর থেকে ট্রাফিক সপ্তাহ শুরু হয়েছে। ট্রাফিক সপ্তাহ উপলক্ষ্যে রবিবার সকালে খুলনা নগরীর শিববাড়ি মোড়ে সমাবেশ, উদ্বোধন অনুষ্ঠান ও ট্রাফিক সচেতনতামূলক শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার মোঃ জুলফিকার আলী হায়দার। শোভাযাত্রা উদ্বোধনকালে পুলিশ কমিশনার বলেন, গাড়ি চালানোর ক্ষেত্রে কিছু নিয়মকানুন রয়েছে। নিয়মগুলো অনুসরণ করলে সড়কে দুর্ঘটনা ঘটেনা। দুর্ঘটনা কমাতে হলে ট্রাফিক আইন সম্পর্কে সচেতনতা ও যানবাহন চালানোর ক্ষেত্রে সতর্কতা জরুরি। সবাইকে ট্রাফিক আইন জানতে হবে। সড়কে ব্যক্তিগত নিরাপত্তা ও সামগ্রিকভাবে সামাজিক নিরাপত্তার জন্য এই কর্মসূচি শুরু হলো। নগরীর ২০ টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের নিয়ে সচেতনতামূলক সভার আয়োজন করা হবে। এ ছাড়া নগরীর মোড়ে মোড়ে সচেতনতামূলক পথসভা করা হবে।পুলিশ কমিশনার আরো জানান ট্রাফিক সপ্তাহ চলাকালে জনসাধারণের মাঝে রাস্তা পারাপারে জেব্রাক্রসিং ব্যবহার, মোবাইলের হেডফোন কানে দিয়ে রাস্তা পার না হওয়া, নির্দিষ্ট স্থানছাড়া গাড়ি পার্কিং না করা ও রাস্তার মোড়গুলোতে বাম লেন ব্লক না করার বিষয়ে সচেতনতামূলক প্রচার চালানো হবে বলে জানানো হয়। এ ছাড়া সড়কে অযথা হর্ন বাজানো, অতিরিক্ত গতিতে মোটরসাইকেল চালানো, বাইকে ২ জনের বেশি আরোহনের মতো বেআইনি আচরণ বন্ধে সবাইকে সচেতন করা হবে। পুলিশ কমিশনারের নেতৃত্বে মূল র্যালিটি শিববাড়ি মোড় থেকে এক বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা শুরু হয়ে বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে একই স্থানে এসে শেষ হয়। শোভাযাত্রায় মহানগরের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ গ্রহণ করেন। একই সময়ে নগরীর শিরোমণি, দৌলতপুর, সোনাডাঙ্গা ও জিরোপয়েন্টেও সমাবেশ ও র্যালি অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় কেএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক এন্ড প্রটোকল) মোছাঃ তাসলিমা খাতুনসহ বিভিন্ন পর্যায়ের পুলিশ সদস্য, প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ, বিভিন্ন স্কুল-কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীবৃন্দ, বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি, বিএনসিসি/স্কাউট সদস্য, এনজিও প্রতিনিধি, রেড ক্রিসেন্ট সদস্য, নিরাপদ সড়ক চাই এর সদস্যবৃন্দ, পরিবহন মালিক-শ্রমিক সংগঠনের প্রতিনিধিবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

