বরগুনার বামনা উপজেলার প্রবীণ গণমাধ্যম কর্মী ওবায়দুল কবির আকন্দ দুলালকে রাজনৈতিক সহিংসতার মামলায় প্রতিহিংসামূলক আসামী করা হয়েছে। পার্শবর্তী পাথরঘাটা উপজেলার রাজনৈতিক সংঘর্ষের ঘটনার মামলায় তাকে আসামী করা হয়। ভূক্তভোগি গণমাধ্যম কর্মী দুলাল বামনা উপজেলার দৈনিক যায়যায়দিন পত্রিকার প্রতিনিধি ও বামনা প্রেস ক্লাবের সাবেক সভাপতি এবং বামনা উপজেলা উন্নয়ন ফাউন্ডেশনের সভাপতি। গত ৩ অক্টোবর বরগুনার পাথরঘাটা উপজেলার মানিকখালী গ্রামের মতিয়ার রহমানের ছেলে মো. সোলায়মান বাদী হয়ে বরগুনায় আওয়ামী লীগের সাবেক সংসদ সদস্য শওকত হাচানুর রহমান রিমনকে প্রধান আসামি করে ১০৫ জনের নাম উল্লেখ করে হত্যাচেষ্টার অভিযোগে পাথরঘাটা সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে এ মামলা দায়ের করলে বিজ্ঞ বিচারক পাথরঘাটা থানার অফিসার ইনচার্জকে মামলাটি এজাহারভুক্ত করার নির্দেশ দেন। ওই মামলায় ভূক্তভোগি গণমাধ্যম কর্মী ওবায়দুল কবির আকন্দ দুলাল ৭৫ নম্বর আসামি। তিনি জানিয়েছেন, মামলার ঘটনাস্থল পাথরঘাটা উপজেলায় ১০ বছরেও তিনি পাথরঘাটা উপজেলায় যাননি। অথচ মামলায় লেখা হয়েছে সে পাথরঘাটা পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের সুমন শীলের নেতৃত্বে সাক্ষী ফোরকানের মোটরসাইকেল ভাঙচুর করে পেট্রোল ঢেলে ও গান পাউডার দিয়ে অগ্নি সংযোগ করেন। যা সম্পূর্ণ মিথ্যা, সুমন শীল নামের কাউকে তিনি চেনেন না। মামলার সাক্ষীদের তালিকায় ফোরকান নামের কোন ব্যক্তির নাম নেই। মামলার বাদিকে আমি চিনি না, আর বাদিও আমাকে চিনেন না। আমাকে ব্যক্তি আক্রোশ থেকে কেউ উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে আসামি করেছেন। ওবাদুল কবির আকন্দ দুলালকে মামলায় আসামি করার বিষয় মামলার বাদী সোলায়মান বলেন, আমাদের নেতারা মামলা সাজিয়েছে, ওবায়দুল কবির দুলালকে আমি চিনি না। মামলা থেকে থেকে গণমাধ্যম কর্মী ওবায়দুল কবির দুলালের নাম প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছেন, বরগুনা প্রেসক্লাবের সভাপতি এডভোকেট গোলাম মোস্তফা কাদের ও সাধারণ সম্পাদক আবু জাফর হাওলাদার, বামনা প্রেসক্লাবের সভাপতি ও সাগরকুল পত্রিকার সম্পাদক মোঃ নেসার উদ্দিন. বামনা মফস্বল সাংবাদিক ফোরামের সভাপতি অধ্যাপক হাবিবুর রহমান, বামনা উপজেলা সাংবাদিক সমন্বয় পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মনোতোষ চন্দ্র হাওলাদার। পাথরঘাটা থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ মেহেদী হাসান বলেন, আদালতে নির্দেশ পেয়ে মামলাটি এজাহার ভুক্ত করেছি মামলা নং ১৪৯/২৪। মামলার তদন্ত কাজ চলছে নির্দোষী কাউকে হয়রানি করা হবে না।

