ছিলেন দুটি টলারের মাহাজন। ব্যবসায়ীদের আমদানি করা চাউল বস্তা থেকে খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে চুরি করে এ উপাধি পান তিনি । পুরো নাম মোঃ মিঠু হলেও সকলে তাকে টুঙ্গিপাড়ার মিঠু হিসেবে চিনেন। ফ্যাসিবাদী আওমি সরকারের আমলে দলের নাম ভাঙিয়ে শেষ চার বছরে হঠাৎ করে কোটি কোটি টাকার মালিক বনে যাওয়া এ মিঠু বর্তমানে মোংলার চাউলের বাজার অস্থিতিশীল করার মূল কারিগর। এমনটাই বলছেন ব্যবসায়ীরা। তবে এসব কথা এক বাক্যে অস্বীকার করেছেন মিঠু। তার বক্তব্য বর্তমানে দেশের দুরবস্থাই মোংলার চাউলের বাজার অস্থিতিশীলতার কারন। খবর নিয়ে জানা যায় ‘চল্লিশ ছুঁই ছুঁই মিঠু একজন ধুরন্ধর প্রকৃতির লোক। পৈত্রিক ভাবে পাওয়া দুটি টুলারে মোংলার ব্যবসায়ীদের মালামাল আমদানি রপ্তানি করে চলতো তাদের সংসার। তবে বিগত ফ্যাসিবাদী আওমি সরকারের আমলের শেষ চার বছরে মিঠু চাউল কালো বাজারির সাথে জড়িয়ে পড়েন। চাউল মজুদ ব্যবসা করে রাতারাতি কোটি কোটি টাকার মালিক বনে যান। আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদেরকে নিয়ে এই বড় সিন্ডিকেট তৈরি করেছে এই মিঠু। ফ্যাসিবাদী আওয়ামী সরকারের আমলে এই সিন্ডিকেট এখনো চলছে বলে জানান ব্যবসায়ীরা। পুরস্কার স্বরূপ তার বড় ভাই টিটু ওরফে গয়না টিটু মোংলার পাকা জেটিতে বন্দরের জায়গা অবৈধ দখল করে দোকান ঘর নির্মাণ করেছে। সুচতুর মিঠু সরকারের আয়কর ও ভ্যাট ফাঁকি দিয়ে বছরের কোটি কোটি টাকার মুনাফা লুটে নিচ্ছে। বতর্মানে গা বাঁচাতে বিএনপির তৃতীয় সারির কয়েকজন নেতাকে এ সিন্ডিকেটের সাথে জড়িয়েছে মিঠু ও তার বড় ভাই টিটু। বিষয়টি খতিতে দেখে ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস দিয়েছেন মোংলা বণিক সমিতির সভাপতি হাবিবুর রহমান মাষ্টার। তিনি বলেন ‘বাজার সিন্ডিকেট করলে কাউকে রেহাই দেওয়া হবে না। মিঠুর কয়েকজন ঘনিষ্ঠজন নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন ‘ব্লাকি করে কোটি কোটি টাকা বানিয়েছে মিঠু । এ টাকা সাদা করার জন্য বতর্মানে চাউল সিন্ডিকেটের সাথে জড়িয়ে পড়েছেন। প্রতিদিন মিঠুর ২৫ কেজির ৮শ বস্তার ২ থেকে ৩টি ট্রাক মোংলা শহরসহ আশপাশ এলাকায় যায়। বাজার উর্ধ্বগতি দেখলে মিঠু মজুদ শুরু করে। ফলে মোংলা চাউলের বাজার আরো বেড়ে যায়। প্রায় প্রতিটি দোকানে তার টাকা দাদন দেওয়ার কারণে মুখ বুঝে তার চাউল ক্রয় করতে বাধ্য হয় ব্যবসায়ীরা। অথচ চাউল গুদাম জাতের তার কোন লাইসেন্স নেই। ২জন পুরাতন ব্যবসায়ী তার এই গুদামজাতে সহায়তা করছে। সকলের দাবী কলো বাজারি মিঠুকে আইনের আওতায় আনলে মোংলার চাইলের বাজার নিয়ন্ত্রণ সম্ভব। এ বিষয়ে মোংলা থানা ওসি মোঃ মোঃআনিসুর রহমান বলেছেন ‘আমি নতুন মোংলা থানায় যোগদান করেছি। বিষয়টি আমি আমলে নিয়েছি। অপরাধ সংঘঠিত করলে তাকে আইনের আওতায় আনা হবে।

